
দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ভারতীয় ৭ ট্রাকে ১৮০ টন আলু আমদানি হয়েছে। যার ফলে কমতে শুরু করেছে দেশি এবং ভারতীয় আলুর দাম। বর্তমানে ভারত থেকে আমদানিকৃত সাদা স্টিক আলু ৩৪ টাকা এবং লাল স্টিক আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে দেশি আলুর দামও কমেছে। হিলি বাজারে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা কমেছে। বর্তমানে বড় জাতের আলু ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা এবং ছোট জাতের আলু ৬ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। ভারত থেকে আলু আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকালে হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, আলু আমদানির অনুমতি চেয়ে হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক আবেদন করেছিলেন। এ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৩০ আমদানিকারক ২৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। আইপি দেখে মান যাচাই করে সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে আলু ছাড়া হবে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন বলেন, সম্প্রতি আলুর বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে সরকার গত ৩০ অক্টোবর আমদানির অনুমতি দেয়। এর প্রেক্ষিতে ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। বর্তমানে দুই ধরনের আলু আমদানি হয়েছে, একটি লাল স্ট্রিক আলু এবং সাদা স্ট্রিক আলু। এই সব আলু ১০০ থেকে ১৫০ ডলারে এলসি করে আমদানি করা হচ্ছে। ভারত থেকে প্রতি কেজি আলু ১৩ থেকে ১৫ রুপি (১৭ থেকে ২০ টাকা) দরে ক্রয় করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ ও কেজি প্রতি শুল্ক রয়েছে সাড়ে তিন টাকার ওপরে। তাতে আমাদের আলু আমদানিতে খরচ পড়ছে ২৬ থেকে ২৭ টাকার মতো।




