
হবিগঞ্জে দুপক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন শৈলেন বর্মণ নামের একজন লন্ড্রি ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) হবিগঞ্জ সদরের নাতিরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শৈলেন বর্মণ নাতিরাবাদ এলাকার মৃত সতীশ বর্মণের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার আব্দুল রশিদ ও রঞ্জিত বর্মণ নদীর পাড়ে লাকড়ি শুকানোকে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এ সময় শৈলেন বর্মণ তাদের থামাতে গিয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শৈলেন বর্মণকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শৈলেন বর্মণের ছেলে স্বপ্ন বর্মণ গণমাধ্যমকে বলেন, আব্দুল রশিদ ও রঞ্জিত বর্মণের মারামারি থামাতে গিয়ে তাদের আঘাতে আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আমি আমার বাবার হত্যাকারীদের বিচার দাবি করছি।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বলেন, শৈলেন বর্মণের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




