
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মশুরা গ্রামে বোমা বানাতে গিয়ে দুই যুবক আহত হয়েছেন।
আহতদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর একজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নড়িয়া থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার রাত অনুমান ১০টায় নড়িয়া উপজেলার মশুরা গ্রামের রহমান পেদার বাড়ির সামনে পেদা মার্কেটের নিকট ৪-৫ জন যুবক ককটেল বানাতে যায়। একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শিরঙ্গল গ্রামের মোতালেব খালাসীর ছেলে শাহিন খালাসীর (২০) বাম হাতের বাহু পুড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। তারই সহযোগী শিরঙ্গল গ্রামের বাদশা সরদারের ছেলে হৃদয় সরদারের (১৯) বাম চোখে মারাত্মক জখম হয়।
রাত অনুমান ১১টার দিকে আহতদের ছাত্রলীগ নেতা শিশির উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে বলে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ সিকদার জানান। হৃদয় সরদারের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
খবর পেয়ে নড়িয়া থানার পুলিশ হাসপাতালে ছুটে আসে। এসময় শাহিন খালাসী হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে হাসাপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আহত একজনকে ঢাকায় নিয়ে গেছে। অন্য একজনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লিখিত কোনও অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা রজু হয়নি।
জেবি/পি



