
হবিগঞ্জের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের উদ্যোগে মাধবপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সারাদিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালাম এর নির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এবং বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু। অভিযানে সহায়তা করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’-এর সদস্যরা। এছাড়া সাতছড়ি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে মাধবপুরের দিঘীরপাড়, দুর্গানগর, শিয়ালউড়ি, হরসপুর বাজার, চৌমুহনী ও ধর্মঘর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৫টি ঘুঘু, ৫টি শালিক ও ২টি ডাহুক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিকারি সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত সব পাখিকে পরে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়, যাতে তারা প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিরে যেতে পারে।
পাখি প্রেমিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, আমরা আজীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাখি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করি। অনেক সময় আমাদের মূল্যায়ন করা হয় না, তবুও নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
হবিগঞ্জের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাখি শিকার ও আটক রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরটিভি/এমএ




