ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য ৩৯ জন সংসদ সদস্য প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই শেষে নানা ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি থাকায় ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়েছে এবং ২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম বৈধ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়ন ফরম যাচাই বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম বাতিল করেন এবং বৈধ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

জানা যায়, সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। এরমধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে বিএনপির দুই প্রার্থী আনিসুল হক ও কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াতের প্রার্থী তোফায়েল আহমদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর। এই আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক তালুকদার ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মখলেছুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে বিএনপির দুই প্রার্থী নাছির চৌধুরী ও অ্যাড. তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাড. মোহাম্মদ শিশির মনির, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সাখাওয়াত হোসেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা শোয়াইব আহমদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নিরঞ্জন দাস খোকনের। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেবের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনের ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, জামায়াতের প্রার্থী ইয়াসিন খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহীনূর পাশা চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদের। মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, এবি পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হুসাইন আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষারের।

সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থী অ্যাড. নুরুল ইসলাম, জামায়াতে প্রার্থী অ্যাড. মো. শামস উদ্দিন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাড. নাজমুল হুদা হিমেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আজিজুল হকের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবিদুল হক, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আমিরুল হক ও এল.ডি.পির প্রার্থী মাহফুজুর রহমানের।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, জামায়াতের প্রার্থী আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আজিজুল হকের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ মুশাহিদ আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
ডাব চুরি করতে নারকেলগাছে উঠেছিলেন এক যুবক।
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দাঁড়িয়ে আছে তিনতলা ভবন। কক্ষে কক্ষে সাজানো চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রস্তুত শয্যা, চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য রয়েছে ডরমিটরি। এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে জেনারেটরও। কিন্তু নেই চিকিৎসক। এ অবস্থা ঝিনাইদহ জেলার চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। অভিযোগ রয়েছে, উদ্বোধনের আট বছর পরও চিকিৎসক সংকটের কারণে এসব কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের গর্ভবতী নারীরা। কাছের এসব কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে তাদের ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তের বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকি। তবে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা ঝিনাইদহের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এসব হাসপাতাল। ২০১৮ সালে উদ্বোধনের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, গ্রামের নারীরা নিরাপদ মাতৃত্বসেবা পাবেন, জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবাও মিলবে। কিন্তু আট বছরেও সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। ভবন ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বড় একটি অংশ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার শৈলকুপা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দুধসর। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। পরিকল্পনা ছিল, এ কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, প্রসূতি ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটে এত দিনেও প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। একই চিত্র ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা এবং শৈলকুপার কাঁচেরকোল গ্রামে নির্মিত অন্য তিনটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও। তিনতলা ভবন, শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সেবা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালগুলো নির্মাণের সময় যে আশার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসববেদনা ওঠা নারী কিংবা অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হলে পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে চারটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এসব হাসপাতালের বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতাল তিনতলাবিশিষ্ট। চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন কক্ষ। দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, হাসপাতাল আছে, ভবন আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকলে মানুষ কীভাবে সেবা পাবে? গর্ভবতী নারী কিংবা শিশুর অসুস্থতার সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগে। ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মোজাম্মেল করিম বলেন, হাসপাতালগুলো চালু থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচলের দ্বিতীয় দিনে তিনটি জাহাজে করে ১ হাজার ৫৫৪ জন পর্যটক দ্বীপটির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। এদিন নতুন করে আরও দুটি জাহাজ যুক্ত হওয়ায় তিনটি জাহাজে পর্যটক পরিবহন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে মৌসুমের প্রথম যাত্রা শুরু করে এমভি বারো আউলিয়া। শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। জাহাজ পরিচালনাকারী সূত্রে জানা গেছে, এমভি বারো আউলিয়ায় ৬১৯ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৩৮৭ জন এবং এমভি টেকনাফে ৫৪৮ জন পর্যটক রয়েছেন। তাদের দুপুরের মধ্যে দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত অনুমোদিত তিনটি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করবে। এসব জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০০ জন। এ বছর প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি থাকায় প্রয়োজনে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণ চালুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। এদিকে শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। ঢাকার উত্তরা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, ভ্রমণপিপাসু মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজের টিকিটের দাম আরও কমানো উচিত। এবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচল নিষিদ্ধ। সামুদ্রিক প্রাণী, প্রবাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিসাধন থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে। আরটিভি/টিআর
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
আরও পড়ুন
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
এত সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর কোথাও দেখিনি: ইউএনডিপি প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জে প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫
সুনামগঞ্জে মাইকিং করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক