ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রেমের টানে ফরাসী তরুণী লক্ষ্মীপুরে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ভালোবাসা কখনো সীমান্ত মানে না, মানে না ভাষা কিংবা সংস্কৃতির পার্থক্য। ফ্রান্সের এক তরুণী আর বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরের এক তরুণের প্রেমের গল্প যেন তারই প্রমাণ। ২০১১ সালে লক্ষ্মীপুরের আরিফুল ইসলাম রাসেল উচ্চ শিক্ষার জন্য ইংল্যান্ড যান। সেখান থেকে ২০১৩ সালে তিনি ফ্রান্সে চলে যান সেই উচ্চ শিক্ষার জন্য। সেখানেই সিনথিয়া ইসলামের সঙ্গে রাসেলের পড়ালেখা এবং পরিচয়। তাদের পরিচয় ধীরে ধীরে গড়ায় গভীর সম্পর্কে। অবশেষে পরিবারের সম্মতিতে তারা বিয়ে করেন। সম্প্রতি ফ্রান্সের সেই তরুণী এসেছেন স্বামীর গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।

সিনথিয়া কখনো মেঠোপথে হাঁটছেন, কখনো হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছেন, আবার কখনো স্থানীয়দের সঙ্গে গল্পে মেতে উঠছেন তারা। বিদেশি হয়েও গ্রামের পরিবেশ আর মানুষের আন্তরিকতায় মুগ্ধ এই ফরাসি তরুণী।

আরিফুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজিবপুর এলাকার সমসের উদ্দিন খলিফা বাড়ি মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে ও সিনথিয়া ফ্রান্সের লারোসাল শহরের পচিচ জুবের মেয়ে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে খ্রিষ্টান থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে লক্ষ্মীপুরের রাসেলের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সিনথিয়া। তার পূর্বের নাম ছিল অম। তাদের সংসারে ফুটফুটে দুটি সন্তান রয়েছে। এরমধ্যে মেয়ের নাম আমেনা ইসলাম (৬) ও ছেলে আলিফ ইসলাম (৪)। সম্প্রতি রাসেল স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে এসেছেন। মেঘনা নদী এলাকাসহ লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরে গ্রামীণ পরিবেশে আনন্দ উদযাপনের চিত্রও তাদের পেইজে তুলে ধরেছেন। পৃথিবীর বৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারও তারা ঘুরে এসেছেন।

রাসেলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাছে বিদেশকে এবং বিদেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করার উদ্দেশ্য নিয়ে ২০২৪ সালে রাসেল এন্ড সিনথিয়া নামে ফেসবুক পেইজ খোলা হয়। এর আরেকটি উদ্দেশ্য রয়েছে সেটি হল মানুষের সঙ্গে পরিচিত ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করা। বর্তমানে পেইজে প্রায় ২.১ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশ বাংলাদেশী আর ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে। এরাবিয়ান দেশ থেকে আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি ফলো করে। একটা মানুষ যে পারফেক্ট হবে তা না, আমাদেরও ভুল থাকতে পারে। তারপরও যে বাংলাদেশের মানুষ যে আমাদেরকে এতটুকু ভালোবাসে এবং ভালোবাসা দেবে এটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি।

জানা গেছে, ২০১১ সালে রাসেল উচ্চ শিক্ষার জন্য ইংল্যান্ড যান। সেখান থেকে ২০১৩ সালে তিনি ফ্রান্সে চলে যান সেই উচ্চ শিক্ষার জন্য। সেখানেই সিনথিয়ার সঙ্গে রাসেলর পড়ালেখা এবং পরিচয়।

এদিকে ইংরেজি জানলেও ফ্রান্সের মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলেন। এতে সম্পর্কে মাঝখানে ভাষা জটিলতায় পড়েছেন রাসেল। সিনথিয়ার সঙ্গে কথা বলতে হলে তাকে সহযোগিতা নিতে হতো গুগল ট্রান্সলেটের। এভাবেই ১ বছর যায় তার ভাষা জটিলতা থেকে বের হতে। একপর্যায়ে সিনথিয়ারও বাংলা ভাষা শেখার জন্য আগ্রহ জাগে। তবে মনের মিলন থেকে তাদের ভাব হয়ে যায়।

রাসেল জানায়, সিনথিয়ার এক বান্ধুবিকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে যান তিনি। কিন্তু ঘটনাস্থলে সিনথিয়ার হাসিতে ফেঁসে গেলেন তিনি। মনে মনে ভাবেন যদি সিনথিয়া তার জীবনে আসে, তাহলে সবচেয়ে ভালো হবে। আল্লাহর নিয়তি, শেষে প্রেমের সম্পর্ক থেকে দুইজন এখন স্বামী-স্ত্রী।

বিয়ের বিষয়ে প্রথমে সিনথিয়ার বাবা রাজি হননি। তখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর। বিদেশে ১৮ বছরের মেয়েদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। এতে পরে তার বাবাকে অনুরোধ করে সে বাংলাদেশে আসে। ২০১৭ সালে লক্ষ্মীপুরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের মাধ্যমে তার নাম অম থেকে সিনথিয়া ইসলাম রাখা হয়। পরে ইসলামিক রীতিনীতি অনুযায়ী রাসেল ও সিনথিয়ার বিয়ে হয়। এনিয়ে সিনথিয়া ৫ বার শ্বশুর বাড়ি লক্ষ্মীপুরে এসেছে।

সাংসারিক জীবনে বিশ্বাস ও ভালোবাসার মাধ্যমে যেকোনো পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সিনথিয়ার অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন রাসেল। তার সুখে আছেন। বিদেশী অন্যান্য মেয়েদের চেয়ে সিনথিয়ার মন-মানসিকতাও অনেক ভালো। তার স্বামীর দাবি, সিনথিয়ায় সংসারকে সুখী রাখছে। এতে নিজের অবদান কম বলে জানালেন রাসেল। বাচ্চা হওয়ার আগে সিনথিয়া চাকরি করতো। এরপর তাকে উৎসাহ দিলেও বাংলাদেশের মায়েদের মতো সেও দায়িত্ববান হয়ে উঠে। এখন সে চাকরি করে না। রাসেলের আয়-উপার্জনেই এখন সুখী পরিবার তাদের।

রাসেল বলেন, আমার মাতৃভূমি বাংলাদেশ। দেশেতে আসতে হবেই। আমার বাচ্চাদের মায়ের দেশ হচ্ছে ফ্রান্স। সেটা ভোলা যাবে না। বাচ্চারা বাংলাদেশী এবং ফরাসিও। দুটিই আমি মানতে চেষ্টা করি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে পরবর্তীতে যদি কোন ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারি তাহলে আমি ৬ মাস বাংলাদেশে এবং ৬ মাস ফ্রান্সে থাকবো। বাচ্চাদেরকে আমাদের দেশের সংস্কৃতি শেখানো যাবে। সাথে তারা যেন তাদের মায়ের দেশের কথাও যেন না ভুলে।

কন্টেন্ট ক্রিয়েট নিয়ে তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে সেক্রিফাইস করতেই হবে। কন্টেন্ট ক্রিয়েটের সবকিছু আমিই করি। মাঝে মাঝে সিনথিয়া কিছু আইডিয়া দেয়। তার চালচলন কথাবার্তা মানুষ বেশি ভালোবাসে। যেহেতু এটি আমরা শুরু করেছি শেষ আমাদেরই করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন আপনার বাড়িতো লক্ষ্মীপুর, আপনি নোয়াখালীকে রিপ্রেজেন্ট করেন কেন? আসলে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী আমরা একই মায়ের সন্তান। লক্ষ্মীপুরের কথা বললে নোয়াখালীর বিষয়টি আগে আসে। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা সারাদেশেই খুব পরিচিত। বিদেশেও অনেক মানুষ নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলে। সেজন্য আমরা চেষ্টা করি আঞ্চলিক ভাষায় দেশের মানুষের কথাগুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য।

সিনথিয়ার পরিবার নিয়ে রাসেল বলেন, সিনথিয়ার ছোট বেলায় তার বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়ে যায়। যার কারণে সে মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সেই ভালোবাসা সে আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়ার আশা করে এবং পাচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। সেজন্য সে বারবার বাংলাদেশে ফিরে আসার জন্য চেষ্টা করছে।

ফরাসি ভাষায় সিনথিয়া বলেন, বাংলাদেশে পরিবারের বন্ধন, একে অপরের প্রতি ভালোবাসা সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে। এমন সম্পর্ক আসলে বিদেশে দেখা যায় না। এদেশের সামাজিকতাকে সে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। বাংলা ভাষায় কথা বলতে বললে তিনি বলেন, ‘আমার দেশ বাংলাদেশ’। আসলে তিনি মেনে নিয়েছেন যে বাংলাদেশ শুধু তার স্বামীর দেশ নয়, তারও দেশ। শাশুড়ির হাতে বানানো পিঠা তার পছন্দের খাবার। নিরহংকারী সিনথিয়া সবার সাথে সহজে মিশতে পারেন।

রাসেল বলেন, আমার মেয়ের নাম আমেনা ইসলাম (৬)। এ নামটি তার মায়ের দেওয়া। হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর মায়ের নামে আমাদের মেয়ের নাম রাখা হয়েছে। আর আমার ছেলে নাম হচ্ছে আলিফ ইসলাম (৪)। ছেলেটা বাংলা একটু কম পারে। ভাষা শেখানো নিয়ে এটা আমার ব্যর্থতা। আমি এখনো আমার স্ত্রীকে বাংলা ভাষা শিখাতে পারিনি। বাচ্চারা যেটা শিখে সেটা বেশিরভাগই মায়ের কাছ থেকে শেখে। আমিতো কাজের কারণে বেশিরভাগ সময়ই বাহিরে থাকি, এজন্য তাদেরকে ভাষা শেখাতে পারিনি। রক্তের টানে নাড়ির টানে তাদেরকে বাংলা শিখতে হবে।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে দরজায় কড়া, খুলতেই বেরিয়ে এলো ‘আসল রূপ’ 
মানিকগঞ্জে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে একটি ফ্ল্যাট বাসায় ঢুকে হাজেরা বেগম (৭০) নামে এক নারীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তার গলায় থাকা সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর সেওতা এলাকার বায়তুল আমান ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। আহত হাজেরা বেগমের মেয়ে আলেয়া বেগম বলেন, বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে বোরকা পরা এক ব্যক্তি বাসার গেটে এসে দরজায় কড়া নাড়েন। তার মা দরজা খুলে দিলে ওই ব্যক্তি তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তার গলায় থাকা প্রায় দেড় ভরি ওজনের সোনার চেইন নিয়ে পালিয়ে যান। ব্যক্তির হাতে একটি চালের ব্যাগ ছিল। তিনি আরও বলেন, মায়ের চিৎকার শুনে পাশের বাসার লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে তিনি বাসায় ফিরে মাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, মানিকগঞ্জ শহরের পাশে উত্তর সেওতা এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে ঢুকে এক নারীকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে থানার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে আহত হাজেরা বেগম মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরটিভি/এসএস
ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে দরজায় কড়া, খুলতেই বেরিয়ে এলো ‘আসল রূপ’ 
কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যানিকেতন দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের সংবর্ধনা, আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও সবক দেওয়া হয়েছে।
কালিগঞ্জ মাদরাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
জালে আটকে পড়ল পদ্মগোখরা, এরপর যা হলো
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জালে আটকে যাওয়া একটি বিষধর পদ্মগোখরা উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
জালে আটকে পড়ল পদ্মগোখরা, এরপর যা হলো
হাত বদলে ১৩ হাজার টাকার ইলিশের দাম যত দাঁড়ায়
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মতিরহাট মাছঘাটে ১৩ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে একটি বড় আকৃতির ইলিশ। মাছটির ওজন ২ কেজি ৭৫০ গ্রাম।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলে ফারুক মাঝি এ মাছটি বিক্রি করেন।  মতিরহাট ঘাটের আড়তদার ইব্রাহীম খোকন জানায়, ঘাট এলাকার স্থানীয় জেলে ফারুক মাঝি এক সপ্তাহ সাগর থেকে ফিরে প্রায় দেড় লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি করেন। যার মধ্যে এ ইলিশটি পৃথকভাবে ১৩ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়।  ঢাকার মাছ ব্যবসায়ী মো. বাহার মিয়া মাছটি কিনে নেন।  বাহার মিয়া জানান, তিনি এ মাছটিসহ অন্য মাছগুলো ঢাকার বাজারে নেবেন। সেখানে গিয়ে এ মাছটির দাম কত হবে, এমনটি জানতে চাইলে মাছ ব্যবসায়ী বলেন, আমরা কমপক্ষে ১ থেকে ২ হাজার লাভে বিক্রি করবো। তারপর ঢাকার ব্যবসায়ীরা আরও এক-দুই হাজার লাভ করতে পারে। সব মিলে এ রকম বড় সাইজের এ ইলিশটির দাম ঢাকার বাজারে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। বাহার মিয়া বলেন, ছোট মাছে কেজি প্রতি লাভ হয় ৫০ থেকে ১০০ টাকা। কিন্ত বড় ইলিশে ভালো লাভ করা যায়।  এদিকে স্থানীয় আড়তদার আনোয়ার জানান, নদীতে ইলিশ কমে গেছে। অন্যদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে জেলেদের এখন মাছ শিকার কঠিন হয়ে পড়েছে। আরটিভি/এসএস
হাত বদলে ১৩ হাজার টাকার ইলিশের দাম যত দাঁড়ায়
গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা একটি বিল অধ্যুষিত এলাকা। বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে তলিয়ে যায়। এ পানিতে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় শাপলা ফুল। বর্ষা মৌসুমে খাল-বিল ও জলাশয় থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন উপজেলার তিন হাজার মানুষ।
গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি