ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কারাগারে বিএনপিকর্মীর মৃত্যু, যা জানা যাচ্ছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
নিহত আবুল বাশার। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে আবুল বাশার (৪৫) নামে এক বিএনপিকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহত বাশার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

নিহতের ভাই মনির হোসেন ও মহিন উদ্দিন জানান, তাদের ভাই বাশার এলাকায় মাটি ও বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে দুদিন থানায় আটকে রাখা হয়। এরপর একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তারা আরও জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বুধবার ভোরে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলমের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি আদালতে আছি। পরে কথা বলব।

লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, একটি ডাকাতির মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি বাশারকে কারাগারে আনা হয়। তার আগে তাকে মারধর করা হয়েছে, এমন অভিযোগ আনেন তার দুই কেইস পার্টনার। আর বিষয়টি জানার পর ওই হাজতিকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় মায়ের মৃত্যু!
প্রবাসীর স্ত্রীকে ৬ টুকরা করে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৯৫৪
হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু