ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঋণ পরিশোধে দেনামুক্ত হল সুনামগঞ্জ পৌরসভা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
সুনামগঞ্জ পৌরসভা। ফাইল ছবি

ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জ পৌরসভা। প্রায় নয় বছর ধরে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় থাকায় পৌরসভাটিতে নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ ছিল এবং বড় উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। সম্প্রতি প্রায় দুই কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের মধ্য দিয়ে সেই সংকট দূর হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বণিক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

পৌরসভার হিসাব শাখা সূত্র জানায়, প্রায় এক দশক আগে বাংলাদেশ মিউনিসিপাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (বিএমডিএফ) থেকে ঋণ নিয়ে পৌরসভার কাঁচাবাজার নির্মাণসহ কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় পৌরসভার নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি বড় উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়াও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

অবশেষে গেল সোমবার পৌরসভা বিএমডিএফকে এক কোটি ৬৬ লাখ ৬২ হাজার ৫৪৫ টাকা পরিশোধ করে। এর পরদিন মঙ্গলবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বকেয়া বিল বাবদ আরও ১২ লাখ ১৩ হাজার ৯৪১ টাকা পরিশোধ করা হয়।

সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল বলেন, ২০১৭–১৮ অর্থবছরে বিএমডিএফ সুনামগঞ্জ পৌরসভাকে প্রায় ১৫ কোটি টাকার উন্নয়ন সহায়তা দেয়। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ ছিল অনুদান এবং ১০ শতাংশ ঋণ। ঋণের অংশ পরিশোধ করতে না পারায় সমস্যা তৈরি হয়। গত ২৯ ডিসেম্বর অসীম চন্দ্র বণিক প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঋণ পরিশোধের উদ্যোগ নেন। এর ফলে পৌরসভা দেনামুক্ত হয়েছে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা কেটে গেছে।

পৌরসভার প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক বলেন, সুনামগঞ্জ পৌরসভা এ ক্যাটাগরির পৌরসভা। বর্তমানে পৌরসভার আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সেবামুখী ও সক্রিয়ভাবে কাজ করা গেলে ভবিষ্যতে অর্থসংকটের আশঙ্কা থাকবে না।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর পৌর এলাকার নাগরিকদের মধ্যে কর পরিশোধের হার বেড়েছে। আগে অনেক সচ্ছল ব্যক্তি কর দিতেন না, এখন নিয়মিত কর দিচ্ছেন।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’