ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মন্ত্রী হওয়ার আলোচনায় ড. এম এ মুহিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম এ মুহিতকে নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা প্রবল। জিয়াউর রহমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলে হিসেবে পরিচিত ড. মুহিত এবার তারেক রহমান সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তার বাবা মতিন জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম এ মতিন ৫ বারের মতো জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। বাবার আসনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হলেন ছেলে ড. এম এ মুহিত।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে জনস্বাস্থ্য এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠী নিয়ে তিনি আগে থেকেই যুক্ত। শুধু দেশে নয় বৈশ্বিক নেটওয়ার্কেও তিনি এসব কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। একাধিক সূত্র বলছে, সমাজকল্যাণ অথবা স্বাস্থ্য এ দুই মন্ত্রণালয়ে যেকোনো একটিতে দেখা যেতে পারে ড. এম এ মুহিতকে।

১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। এরপরই মন্ত্রীত্ব বণ্টন। এরই মধ্যে মন্ত্রী পদে সম্ভাব্য নামগুলো আলোচনায় এসেছে।

ড . এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ড. এম এ মুহিতের স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ড. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরুর পরে এ পর্যন্ত দুইজন সংসদ সদস্য ভিন্ন কারণে বিতর্কে জড়ালেন।
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সুকুমার রায়। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন সরকারের তৃতীয় গ্রেডের এই কর্মকর্তা। সরকারি হিসাব অনুসারে চাকরির শেষ সময়ে তার মাসিক বেতন-ভাতা মিলিয়ে ছিল প্রায় ৯০ হাজার টাকা। এই বেতনের চাকরি করে গড়েছেন সম্পদের এক মহা সাম্রাজ্য।  সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, জমি ও ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু সোনালী ব্যাংকেই সুকুমার রায়ের নামে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রয়েছে। নিজের নামে রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র। এছাড়া ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রামদিয়া মৌজায় তার নামে ২২০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ—দুটি জমির তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট এবং ফরিদপুর সদর এলাকায় আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সুকুমার রায় খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক পদ থেকে ২০১৭ সালে অবসরে যান। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অবসরের পর তিনি এককালীন প্রায় ৮০ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। চাকরিজীবনে তার মোট বেতন-ভাতা ছিল প্রায় ১ কোটি টাকা।  অর্থাৎ চাকরিকালীন আয় ও পেনশন মিলিয়ে একজন তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রেখেছেন বলে জানা গেছে এত টাকা ও জমি তিনি কোন প্রদীপের আলো আয় করেছেন তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই। সুকুমার রায়ের আয়কর নথিতেও কোনো তথ্য নেই এসব সম্পদের। এসব অভিযোগের বিষয়ে দেশের বেসরকারি এক গণমাধ্যমকে সুকুমার জানিয়েছেন, ‘আমার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ আছে। তাতে আপনাদের কী? আপনি খুঁজে দেখেন আমার আরো অনেক সম্পদ রয়েছে।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে সুকুমার রায়ের স্ত্রী বনশ্রী বোস নিজেকে একজন গৃহিণী হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও তার নামে থাকা সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আমানত। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকেও রয়েছে তার হিসাব যার নাম্বার ০১৯০৩১৫২৭৩-৮১১। এই হিসাবটি খুলতে তিনি নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন চাকুরিজীবী হিসেবে। কিন্তু কোথায় চাকরি করেন সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। জানা গেছে, বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এরমধ্যে ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আমানত রয়েছে ৫ লাখ টাকার। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র হিসেবে রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক আমানত হিসেবে আরো রয়েছে ১০ লাখ টাকা। বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ফরিদপুর সদরের শ্রীঅংগন দক্ষিণ পল্লী এলাকায় বাড়ি। এ ছাড়াও বনশ্রী বোসের সোনালী ব্যাংকের ৪টি অ্যাকাউন্টের তথ্য থেকে জানা গেছে, হিসাব নাম্বার ২০১১০৫০৫০০০৭৪০ এর বিপরীতে ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) হিসেবে রয়েছে। ২০১১০৫০৫০০০৮১৩ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে আরো ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর। ২০১১০৫০৫০০০১৯১ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে ১১ কোটি টাকা এবং ২০১১০৫০৫০০০২১৭ হিসাবে আছে আরো ১০ কোটি টাকার এফডিআর। এসব এফডিআর করার সময়ে দেখানো হয়েছে বাবার বাড়ি থেকে প্রাপ্ত সম্পদ এবং জমি বিক্রয়ের টাকা। কিন্তু বনশ্রী বোসের ট্যাক্স ফাইলে নেই এসব সম্পদের কোনো বিবরণ। সুকুমারের স্ত্রী ছাড়াও তার সুকুমার রায়ের বড় ছেলে সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে তার মা বনশ্রী বোসের আইএফআইসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে। ফলে খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক এই পরিচালকে বিপুল সম্পদের তথ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ। আরটিভি/এসআর
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বহনকারী রুশ বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকাভিত্তিক পাকিস্তান হাইকমিশন।
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
আরও পড়ুন
তাড়াশে স্কুলে অভিভাবক ও মা সমাবেশ
যুবককে বাঁশবাগানে নিয়ে দলবদ্ধ বলাৎকার, ভিডিওধারণ করে ব্ল্যাকমেইল
৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ হলেন মামুন
প্রতিবন্ধী সন্তানের ভাতার বই আটকে উৎকোচ দাবি!