ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝালাই করে মদের দোকান বন্ধ করে দিলেন মুসল্লিরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মোংলা পৌরসভায় একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানের দরজা ঝালাই করে বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে পৌরসভার আলিয়া মাদরাসা রোড এলাকায় অবস্থিত সরোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন দোকানটির দরজা ঝালাই করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে আলিয়া মাদরাসা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিরা বৈঠক করে দোকানটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। পরে তারা দোকানের সামনে গিয়ে দরজায় ঝালাই করে দোকানটি বন্ধ করে দেন।

স্থানীয় মুসল্লি আলী আজম বলেন, রমজান মাস শুরুর আগেই দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য মালিককে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে অনুরোধে সাড়া না দেওয়ায় জুমার নামাজ শেষে উপস্থিত মুসল্লিরা এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হন।

মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলী জানান, মদের দোকানটির কাছেই একটি মাদরাসা ও একটি মসজিদ রয়েছে। সেখানে বসে মদ্যপান করে কিছু লোক প্রায়ই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতেন। বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা উদ্যোগটি নিয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মারা গেছেন নীলফামারীর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফারুক ভূঁইয়া
উত্তরবঙ্গের সংগীতজগতের অন্যতম প্রাণপুরুষ, সুরসাধক ও সংগঠক ফারুক ভূঁইয়া (৫৯) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোর ৬টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার রাতে নীলফামারী সদর উপজেলার কলেজ স্টেশন হারোয়া এলাকার নিজ বাড়িতে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে স্বজনেরা তাকে দ্রুত নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নিজ উদ্যোগে কিংবদন্তি শিল্পী প্রয়াত ফিরোজ সাঁই ও পিলু মমতাজ স্মৃতি সংসদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ফারুক ভূঁইয়া। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দেশের বিভিন্ন গুণী শিল্পীকে সম্মাননা দিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ২৯ আগস্ট নীলফামারী শহীদ মিনারে স্মৃতি সংসদের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তিনি। সংগীতের প্রতি তার আজীবন নিবেদন ছিল অতুলনীয়। গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত একটি কালজয়ী গানের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন তিনি। সহকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এটিই ছিল তার জীবনের শেষ মঞ্চ পরিবেশনা। নীলফামারী ও এ অঞ্চলের মানুষের প্রতি ফারুক ভূঁইয়ার টান ছিল অকৃত্রিম। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শ্রাদ্ধ’ কবিতায় নীলফামারী বাজারের ঐতিহ্যবাহী বেগুনের উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি তিনি তার গানের সুরেও ফুটিয়ে তুলেছিলেন। তার প্রয়াণে উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ ১৪ অক্টোবর বাদ মাগরিব নীলফামারী কলেজ স্টেশন আদর্শ হাইস্কুল মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে নীলফামারী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে। তার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও নীলফামারী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী, নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেলিন, সাবেক সংসদ সদস্য এনকে আলম চৌধুরী, সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব-উর রহমান, সহসভাপতি আকতার হোসেন স্বপন, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, যুগ্ম সভাপতি হাসান রাব্বি প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মিলাদুর রহমান মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। আরটিভি/টিআর
মারা গেছেন নীলফামারীর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফারুক ভূঁইয়া
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ আপনার হৃদয় দেখে বিচার করবেন। আপনারাও তারেক রহমানের হৃদয় দেখবেন। মোটা কাপড়, সিম্পল জীবনযাপন করেন। গত পরশুদিন দুপুরে ঢেরস ভাজি, কুমড়া ভর্তা ও ডাল দিয়ে তার (তারেক রহমান) সঙ্গে খেয়ে এসেছি। 
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ড বিতরণে কেউ অনিয়ম করার চেষ্টা করলে তা আমাদের জানাবেন। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা হবে। কাজেই কাউকে দৌড়াদৌড়ি বা তদবির করার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা বিএনপি যখন যা বলি, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজ সেটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হলো। কৃষক কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম। টাঙ্গাইল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটির উদ্বোধন করেছেন। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে। মন্দিরের পুরোহিতদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাত মাসে এই সরকার নির্বাচনের প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কেউ কেউ বেহেশতের টিকিট পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। এ ব্যাপারেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যা বলি, তা করার চেষ্টা করি। কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দিই না। টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করব। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা হবে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক সহযোগিতা করবে প্রশাসন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহীদুল্লাহ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হক সানু এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া চালের ডিও বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে দেওয়া আর্থিক অনুদান বিতরণ কার্যক্রমেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আরটিভি/টিআর
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের এমন কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ডপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল আমিন উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকার ১৩ নম্বরে রয়েছেন। ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামের শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিন। তাদের কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর চার হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে নগদ এক হাজার টাকা আল আমিনের হাতে তুলে দেন শহিদ নুর। টাকা দেওয়া ও ভিডিও ধারণের ঘটনাটি প্রায় এক সপ্তাহ আগের। তবে ভিডিওটি সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা ও শোনা যায়, একটি আধাপাকা দালানঘরের ভেতরে বসা শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করছেন আল আমিন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এই টাকা শুধু তিনি একা নেন না; নেতাদেরও ভাগ দিতে হয় এবং সবাই মিলেমিশে খান। একপর্যায়ে আল আমিনকে বলতে শোনা গেছে, ‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ আল আমিনের কথোপকথন গোপনে ভিডিও ধারণ করেন শহিদ নুর। পরে একপর্যায়ে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভিডিও প্রকাশের পর আল আমিন তাকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শহিদ নুর। আল আমিনকে টাকা দেওয়া শহিদ নুর বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য আল আমিন আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। আমি নগদ এক হাজার টাকা তার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। বাকি টাকা পরে দেব বলেছিলাম। সে আমার প্রতিবেশী আবুল কালামের স্ত্রী আছমা বেগমের কাছ থেকেও নাকি পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে যদি কাজ না করে, তাই প্রমাণ রাখার জন্য ভিডিও করে রেখেছিলাম। পরে কীভাবে ভিডিওটি ফেসবুকে চলে যায়, তা জানি না। এরপর থেকে আল আমিন আমাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমার পা ভেঙে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়েছে। এরপর আমি আমাদের এলাকার বিএনপি নেতা ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নানকে বিষয়টি জানিয়েছি।’ ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এবং অভিযোগ পাওয়ার ভিত্তিতে ধনপুর ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে আল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১১ অক্টোবর তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন। কিন্তু আল আমিন কার্ড দেওয়ার নামে এবং দলের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং দলের সুনাম নষ্ট করতেই তিনি এমনটা করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি।’ অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের সঙ্গে কথা বলতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আল আমিনকে তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আরটিভি/টিআর
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে লালমনিরহাটের ত্রিদেশীয় বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা সাতদিন সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
আরও পড়ুন
ছাত্র আন্দোলন রুখতে ভারতে মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ
গভীর রাতে মদ না পেয়ে দোকান ভাঙচুর, ভিডিও ভাইরাল
৭৩ বছর পর ধনী বিদেশিদের জন্য মদের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে সৌদি