ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

১৩ ঘণ্টা ধরে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯ এএম
ছবি: আরটিভি

হবিগঞ্জের মনতলায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী তেলভর্তি ট্রেনের ৫টি ওয়াগন ও একটি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুতির ঘটনায় ১৩ ঘণ্টা ধরে সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত থেকেই চলছে লাইনচ্যুত ওয়াগন ও গার্ডব্রেক উদ্ধারের কার্যক্রম। ঘটনাস্থলে কাজ করছে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন।

আরও পড়ুন

এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে সিলেট থেকে ঢাকাগামী 'উপবন এক্সপ্রেস' ও 'কালনী এক্সপ্রেস' এবং চট্টগ্রামগামী 'উদয়ন এক্সপ্রেস'-এর যাত্রা।

প্রত্যক্ষদর্শী মোশাররফ মিয়া জানান, শুরুতে কিছু মানুষ তেল সংগ্রহের চেষ্টা করলেও পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাইনচ্যুত বগিগুলো উদ্ধারে ভারী যন্ত্রপাতি ও ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। আখাউড়া রেলওয়ের প্রকৌশলী দল ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ শুরু করেছে। তবে কবে নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

মনতলা স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান গনি জানান, রেলের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং বিকেলের মধ্যে আংশিকভাবে লাইন চালুর চেষ্টা চলছে।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রেললাইন বা নিকটবর্তী সেতুর দুর্বলতা এ ঘটনার কারণ হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের দাবি উঠেছে।

বর্তমানে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

বুধবার সোয়া ৯টার দিকে তেলবাহী ট্রেনটি মনতলা স্টেশন অতিক্রম করে শাহপুর এলাকায় পৌঁছালে পাঁচটি ওয়াগন ও একটি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়। এ সময় ওয়াগনগুলো থেকে তেল পড়া শুরু হলে আশপাশের লোকজন তেল সংগ্রহ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লুট করা তেল জব্দ করে বিজিবি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
ফরিদপুর জেলা পরিষদের দুটি ভবনের ছাদে স্থাপিত ৬০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় এ পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ যুক্ত করা হচ্ছে।
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো চাপাতি দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা মামলার প্রধান আসামি ও মূল পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নগরীর সোনাডাঙা ও সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন— মো. ইব্রাহিম গাজী। গ্রেপ্তার মিরাজ (৩৯) নগরীর হাজী মহসিন রোড এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। ইব্রাহিম গাজীর (৪২) বাড়ি নগরীর টুটপাড়ার সরকারপাড়া এলাকায়। এসআরবি-৬-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদে বৃহস্পতিবার স্পেশাল কোম্পানির একটি দল নগরীর সোনাডাঙা থানার কলাবাগান এলাকা এবং খুলনা সদর থানার টুটপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এসআরবি-৬ খুলনার উপ-অধিনায়ক ও স্পেশাল কোম্পানির কমান্ডার মেজর মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজের বিরুদ্ধে কেএমপির আড়ংঘাটা ও সদর থানায় গুরুতর আঘাত, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার সহযোগী ইব্রাহিম গাজীর বিরুদ্ধেও খুলনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। গত ৯ অক্টোবর গভীর রাতে খুলনা জেলার সার্কেল অফিসে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম (৪৩) রিকশাযোগে পুলিশ ক্লাবে যাচ্ছিলেন। পথে নগরীর সদর থানার কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পৌঁছালে তিনজন অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে।  এ সময় ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর উপর্যুপরি কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আওয়াল হোসেন খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আরটিভি/এসআর  
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা এক দিন বয়সী এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা শিশুটিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশগঞ্জ এলাকায় সমীরের বাড়ির গলির পেছনে ড্রেনের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে মহেশগঞ্জ বাজার এলাকায় পথচারীরা নবজাতক কন্যাশিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতকের পরিচয় ও তার মা-বাবার সন্ধান বের করার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
সড়কে বাইক চালাচ্ছিলেন প্রেমিকা পিছনে বসা ছিল প্রেমিক, অতঃপর...
যশোরের চৌগাছায় ঘুরতে বেরিয়ে মোটরসাইকেল ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে অয়ন হোসেন (২২) ও মিথিলা খাতুন (১৭) নামে প্রেমিক প্রেমিকার মৃত্যু হয়েছে।
সড়কে বাইক চালাচ্ছিলেন প্রেমিকা পিছনে বসা ছিল প্রেমিক, অতঃপর...
যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ
জামালপুরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে কলেজে যোগদান করতে পারেননি জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়সংলগ্ন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন শেরপুর নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অগণতান্ত্রিক বিচার, শিক্ষার্থীদের হুমকি প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। পরে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের টানা এক মাসের আন্দোলনের পর গত ১২ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর নার্সিং কলেজ থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা তার যোগদানের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কলেজের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদান করতে আসেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে দেখে ‘ভুয়া’, ‘দুর্নীতিবাজ’, ‘লোভী’, ‘ধান্দাবাজ’, ‘মিথ্যাবাদী’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পাশাপাশি তাকে কলেজে প্রবেশে বাধা দেন তারা। শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে দীর্ঘ সময় কলেজের সামনে অবস্থান করতে হয় মাকসুদা ইয়াসমিনকে। পরে দুপুর ২টার দিকে কলেজে প্রবেশ করতে না পেরে গেট থেকেই ফিরে যান তিনি। এ বিষয়ে জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন তার বদলির বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। আরটিভি/টিআর
যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ
আরও পড়ুন
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
মোটরসাইকেল আটকে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন ও সম্পাদক কে.এম. লিমন