ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

বাড়ি ফেরার পথে বাসের ধাক্কায় নিহত স্কুলছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় নুসরাত জাহান (৭) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চিনকি আস্তানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত জাহান উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর সোনাপাহাড় এলাকার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে উত্তর সোনাপাহাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

আরও পড়ুন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নুসরাত মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকাগামী জোনাকি পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ চৌধুরীহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শরিফুজ্জামান ভুঁইয়া জানান, চিনকি আস্তানা এলাকায় জোনাকি পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বাসটি আটক করা হয়েছে, তবে চালক পলাতক রয়েছেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রমিক আন্দোলন: নারায়ণগঞ্জে পুলিশের মামলায় আসামি ৩০০
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষের মামলা হয়েছে। মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করেছে পুলিশ।
শ্রমিক আন্দোলন: নারায়ণগঞ্জে পুলিশের মামলায় আসামি ৩০০
বগুড়ায় পুলিশের ওপর ‘মব’, আসামিকেও ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা
বগুড়ার সোনাতলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে প্রতারণা মামলার এক আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করেছে।
বগুড়ায় পুলিশের ওপর ‘মব’, আসামিকেও ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ১১ বছর বয়সি এক মাদরাসা ছাত্রীকে দফায় দফায় ধর্ষণের অভিযোগে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। ভুক্তভোগী শিশুটি অভিযুক্তের চাচাতো বোন।  পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হত বলেও অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখেন। এমনকি শিশুটির মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথেও অবস্থান নিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য পুনরায় হুমকি দেন।  পরবর্তীকালে পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনা প্রকাশ পেলে আত্মীয়স্বজনের উদ্যোগে সামাজিকভাবে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বৈঠক চলাকালে অভিযুক্তের ছোট ভাই অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে সেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান। অবশেষে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি। সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, এসআারবি-৭-এর একটি আভিযানিক দল হালিশহর থানাধীন কবির ম্যানশন আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পরে ১১ বছর বয়সি শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মো. জাকিরকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি/এসআর  
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
হিমালয়ের শকুনের দেখা মিলল কুড়িগ্রামের লোকালয়ে
হিমালয়ের বরফঢাকা পাহাড় পেরিয়ে শীতের অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আসা একটি হিমালয়ান গৃধিনী শকুন এবার আশ্রয় নিয়েছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটের লোকালয়ে। 
হিমালয়ের শকুনের দেখা মিলল কুড়িগ্রামের লোকালয়ে
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
ভুয়া মনে করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত দুই পুলিশ সদস্যকে মারতে মারতে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন ও সরকারি মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। এসময় পুলিশের এক সোর্সকেও মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যরা হলেন— কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা, কনস্টেবল মো. হানিফ এবং পুলিশের সোর্স জাহিদ। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টিউশনি শেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ও অর্প রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন বাস ধরার জন্য। এসময় পুলিশ পরিচয়ে তিনজন তাদের পথরোধ করে তল্লাশি চালান। ওই শিক্ষার্থীরা পুলিশের পরিচয়পত্র দেখাতে বলায় তারা পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তাদের ভুয়া পুলিশ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে তাদের মারধর করে টেনে-হিঁচড়ে বাসে তুলে ফেলেন।  দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে মারতে মারতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয় দুজন পুলিশ এবং একজন তাদের সোর্স। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মারধরের শিকার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা বলেন, আমরা দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে চেয়েছিলাম। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়। আমাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র না থাকায় ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখানো হয়। পাশাপাশি ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেটি না শুনেই মব সৃষ্টি করে আমাদের তুলে নিয়ে যান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোতোয়ালি থানার একজন এএসআই, একজন কনস্টেবল ও পুলিশের একজন সোর্স ছিলেন। তারা শিক্ষার্থীদের তল্লাশি করার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এভাবে কাউকে তুলে না এনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো উচিত ছিল। একইভাবে পুলিশ সদস্যদেরও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা উচিত ছিল। উভয় পক্ষেরই কিছু ঘাটতি ছিল। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই থানায় বা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি সমাধান করা যেত। বাসে করে পুলিশ সদস্যদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে একটা মব কালচারের রেশ ছিল। সেখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
আরও পড়ুন
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ