ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ : ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান।

ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতার নাম অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ। তিনি হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

শনিবার (৬ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ দিন রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা সেখানে পৌঁছান। পরে জানতে পারেন, রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর হাতিয়ায় ফেরার জন্য একটি ট্রলার ভাড়া করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর তিনি নিজে ট্রলারে ওঠতে উদ্যত হন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মেঘনা নদীতে পড়ে যান। আকস্মিক এ ঘটনায় ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ও হৈ-হুল্লোড় করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত একজন ব্যক্তি তাকে একটি গামছা ছুড়ে দিলে সেটি ধরে তিনি পানিতে টিকে থাকেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।

অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন বলেও জানান। ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। তবে সত্য-মিথ্যা জানি না। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ কল দিলেন স্বামী
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পরকীয়ার সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জের ধরে সুফিয়া আক্তার নিশি নামে এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আব্দুল মান্নান মনিরের বিরুদ্ধে।
স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ কল দিলেন স্বামী
ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় কারাবন্দি নারীর মৃত্যু
ঝালকাঠিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাদক মামলায় কারাবন্দি কাজল রেখা (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
ঝালকাঠিতে মাদক মামলায় কারাবন্দি নারীর মৃত্যু
তাজমিন হত্যা  / সেই সুমনকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
কুমিল্লা আলোচিত স্কুলছাত্রী জান্নাতুন তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সুমন মিয়াকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।   পুলিশের ভাষ্য, সুমন মিয়া নিয়মিত গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করতেন। তিনি নিজের বাড়িঘর বিক্রি করে দীর্ঘদিন ধরে লালমাইয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তার মাদকাসক্তির কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন অতিষ্ঠ ছিলেন।  পুলিশ জানায়, সুমন মিয়ার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালমাই উপজেলার জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসাবে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক।  স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসেবনের জন্য তিনি শ্বশুরের সব দামি আসবাব একে একে বিক্রি করে দিয়েছেন। একপর্যায়ে স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মামলাও করেন। পরে বাধ্য হয়ে সন্তান নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন তিনি। এরপর সুমন অটোরিকশা চালিয়ে মাদকসেবন করে বিভিন্ন জায়গায় থাকতেন। তদন্ত ও সুমনের স্বীকারোক্তির বরাতে পুলিশ জানায়, গত বুধবার মধ্যরাতে কক্সবাজার থেকে ফিরে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় নামে তাজমিন। সেখান থেকে কুমিল্লা শহরের বাসায় যাওয়ার জন্য ৩০০ টাকায় সুমনের অটোরিকশা ভাড়া করে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া এই কিশোরী। শর্টকার্ট পথের কথা বলে সুমন একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় তাকে।  আতঙ্কিত হয়ে তাজমীন চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে সুমন তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। ধর্ষণের চেষ্টা করলে বাধা দেয় তাজমিন। এ সময় ধানখেতে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তার গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ধর্ষণের পর মাটিতে ফেলে পা দিয়ে চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন সুমন। তার ব্যানিটি ব্যাগ থেকে আইফোন নিলেও পরে একটি জঙ্গলে ফেলে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান তিনি।  বৃহস্পতিবার সেখান থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে।  তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগমারার একটি জঙ্গল থেকে সেই আইফোনটি উদ্ধার করা হয়। শনিবার রাতে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সুমন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠান বিচারক।  লালমাই থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘাতক সুমন মিয়া একজন উচ্চমাত্রার নেতাগ্রস্ত। গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করত। তার অপকর্মের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।  কুমিল্লার ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ শামছুল আলম শাহ বলেন, মামলা তদন্তের স্বার্থে কথিত প্রেমিক রাজু চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর কুমিল্লায় আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সেই সুমনকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালে আগুন
সাভারের মির্জানগরে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে রবিউল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ ইলেকট্রিশিয়ান।
সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালে আগুন
কক্সবাজার সৈকত বেলাভূমিতে ৫০ ফুটের প্লাস্টিক দানব
পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ করা হয়েছে ব্যতিক্রমী ভাস্কর্য ‘প্লাস্টিক দানব’।  
কক্সবাজার সৈকত বেলাভূমিতে ৫০ ফুটের প্লাস্টিক দানব
আরও পড়ুন
পাবনায় সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
স্ত্রীকে অচেতন করে হত্যার চেষ্টা, স্বামী আটক 
আড়াই কেজির বেশি ওজনের রুপালি ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার ৪৫০ টাকায়
এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ