ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গাজীপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার 

স্টাফ রিপোর্টার (আশুলিয়া), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

গাজীপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার পলাতক প্রধান হাসিবুল হাসান নাঈমকে (২১) আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল।

বুধবার (২১ জুলাই) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-৪, সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্পের অধিনায়ক।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানী এলাকা থেকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার বাসিন্দা নাইম মাঝি (২৪), চট্টগ্রাম বসবাস করে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৪ সালের অক্টোবর মাসের ১০ তারিখ বিকেলে কাজের সন্ধানে যাচ্ছে বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও ভাই বাসায় ফিরে না আসায় মৃতের ভাই তার ব্যবহৃত মোবাইল একাধিকবার ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ভাইকে না পেয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের কর্ণফুলী থানার গিয়ে জিডি করেন তিনে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে চট্টগ্রাম মহানগরের কর্ণফুলী থানা পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারেন গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন সামান্তপুর এলাকায় আফজাল হোসেনের রূপালী হ্যাচারির দক্ষিণ পাশে এরশাদের ধানী জমিতে নাইমের রক্তমাখা ক্ষতবিক্ষত মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়।

গাজীপুর সদর থানায় মামলাটি রুজু হওয়ার পরই চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস নৃশংস হত্যা মামলার ঘটনার ছায়াতদন্তে নামে র‍্যাবের অভিযানিক গোয়েন্দা দল। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান আসামি হাসিবুল হাসান নাঈমকে আশুলিয়ার জিরানি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’