ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মছলম উদ্দিন একাডেমি থেকে প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন স্থানীয় লোকজন।

গ্রেপ্তার এনামুল ইসলাম (৫৩) সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মছলম উদ্দিন অ্যাকাডেমির প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৭ অক্টোবর ওই শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন বলে প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীরা তাকে লাঞ্ছিত করেন এবং বিদ্যালয়ের কার্যালয়ে আটকে রাখেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলেকে প্রায় চার মাস ধরে বলাৎকার করা হচ্ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি ছেলের সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি ছেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল করিম কাশেমী বলেন, ঘটনাটি জানার পর তারা ভুক্তভোগীর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। তিনি এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তির বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, স্থানীয় লোকজনের ক্ষোভের মুখে থাকা প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছবেদ আলী বলেন, মছলম উদ্দিন অ্যাকাডেমির প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলামকে বলাৎকারের অভিযোগে স্থানীয় লোকজন আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
ঘরের দরজা খুলে বাবা দেখলেন দুই মেয়ে আর নেই
ময়মনসিংহের ভালুকায় বসতঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই সহোদর বোনের মৃত্যু হয়েছে। 
ঘরের দরজা খুলে বাবা দেখলেন দুই মেয়ে আর নেই
আরও পড়ুন
ঢাবি শিক্ষকের ছেলের গাড়ির ধাক্কায় আহত ৬ শিক্ষার্থী
ছাত্রীর মাকে নিজের ‘আসল রূপ’ দেখালেন মাদরাসাশিক্ষক
শাসন করায় শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটাল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা