ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় পরিচিতি পেয়েছেন ‘বাংলার কৃষ’ নামে। বলছি সিরাজগঞ্জের মোহাম্মদ আল মামুনের কথা।

মামুন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বনবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। জীবিকার প্রয়োজনে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে লোহা ও স্টিলের কাজ করে। তবে কাজের ফাঁকে কিংবা অবসর সময়ে তার ব্যস্ততা ভিন্ন। বলিউডের জনপ্রিয় সুপারহিরো কৃষের মতো কিছু করে দেখানোর স্বপ্ন নিয়ে প্রায় আট থেকে দশ বছর ধরে অনুশীলন করে যাচ্ছেন তিনি।

মামুনের এই স্বপ্নযাত্রার শুরু ডিগবাজির ভিডিও তৈরি করে। নিজের কসরতের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলেও শুরুতে তেমন সাড়া পাননি। পরে ব্যতিক্রমী কিছু করার চিন্তা থেকে কৃষের আদলে নিজেকে উপস্থাপনের পরিকল্পনা করেন। কিন্তু দামি পোশাক, উন্নত সরঞ্জাম কিংবা বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ না থাকায় নিজের সামর্থ্যেই তৈরি করেন সুপারহিরোর সাজ।

এ জন্য বোনের পুরোনো একটি বোরকাকে বেছে নেন তিনি। নিজের কল্পনা আর হাতের কাজ দিয়ে সেটিকে কৃষের পোশাকে রূপ দেন। সেই পোশাক পরে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও দালানকোঠায় নানা ধরনের স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন। তার কসরত দেখতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। কেউ বিস্ময় নিয়ে দেখেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ধারণ করেন তার ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড।

একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মামুনের স্টান্টের ভিডিও। বাড়তে থাকে পরিচিতি। স্থানীয়ভাবে অনেকেই তাকে ডাকতে শুরু করেন ‘বাংলার কৃষ’ নামে। সীমিত সামর্থ্য নিয়েও নিজের স্বপ্নের পেছনে ছুটে চলেছেন তিনি।

তবে মামুনের লক্ষ্য শুধু কৃষের পোশাক পরে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা নয়। নিজের প্রতিভাকে আরও বিকশিত করে একদিন চলচ্চিত্রে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন তিনি। এ জন্য সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চান।

আল মামুন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে একদিন চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পেতে চাই। নিজের তৈরি এই পরিচয় নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চাই। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

জীবিকার তাগিদে পাইপ মিস্ত্রির কাজ করলেও সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন ছাড়তে নারাজ মামুন। সীমাবদ্ধতাকে সঙ্গী করেই এগিয়ে চলেছেন নিজের লক্ষ্যের দিকে। তার প্রত্যাশা, একদিন এই স্বপ্নই তাকে পৌঁছে দেবে চলচ্চিত্রের বড় পর্দায়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
ঘরের দরজা খুলে বাবা দেখলেন দুই মেয়ে আর নেই
ময়মনসিংহের ভালুকায় বসতঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই সহোদর বোনের মৃত্যু হয়েছে। 
ঘরের দরজা খুলে বাবা দেখলেন দুই মেয়ে আর নেই
আরও পড়ুন
শিশুদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস
সামাজিক মাধ্যমে সতীর্থদের আনফলো করছেন রোনালদো, নতুন বিতর্ক
১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করছে যুক্তরাজ্য
মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম