ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবা হারানো সেই বাগেরহাটের ইকনের পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:১৯ এএম
ছবি: আরটিভি

জীবিকার তাগিদে এমন কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়েই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাগেরহাটের বাবা হারানো সেই ইকনের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ফারহান ইশতিয়াক ফোনে ইকনকে শিক্ষামন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ইকন সদ্য প্রয়াত ইসরাফিল দাড়িয়ার (৪৫) ছোট ছেলে। তিনি বাগেরহাট খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সংসারের খরচ চালাতে শহরের রেলরোড এলাকায় কৃষি ব্যাংকের একটি টাকা উত্তোলন বুথে রাতের শিফটে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কাজ করেন।

ফারহান ইশতিয়াক গণমাধ্যমকে বলেন, চলমান এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে যেন ইকনকে চাকরি করতে না হয়, সে জন্য শিক্ষামন্ত্রী আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তার উচ্চশিক্ষাসহ ভবিষ্যৎ পড়ালেখার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ইকনের সংগ্রামী জীবনের খবর প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ইকন দাড়িয়ার বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া। পরে তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাদ জোহর জানাজা শেষে মরদেহ গোপালগঞ্জে ইসরাফিল দাড়িয়ার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

ইসরাফিল দাড়িয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। বড় ছেলে ইমন ও একসময় বাবার সঙ্গে কাজ করতেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা আহত হওয়ার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর থেকে পরিবারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন ছোট ছেলে ইকন দাড়িয়া। ইকনের দাদার বাড়ি গোপালগঞ্জে। বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডে গাড়িচালকের চাকরির সুবাদে পরিবারটি বাগেরহাটে বসবাস শুরু করে। অবসরের পর দাদা গোপালগঞ্জে ফিরে গেলেও ইকনের বাবা বাগেরহাটেই থেকে যান। বর্তমানে মা ও ভাইকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছে ইকনের পরিবার।

শিক্ষামন্ত্রীর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইকনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রীর (পিএ) রাতে আমাকে কল করেছিল। তিনি বলেছেন আমাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবে এবং পরবর্তীতে আমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেছেন, তুমি কি সামনের দিনগুলোতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাও কিনা? আমি বলেছি আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ২১ বিজিবি দপ্তরের এক প্রেসনোটে এ তথ্য জানানো হয়। 
একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা
‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর...
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর...
ভালো ফলনের প্রত্যাশায় আমন চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা
কয়েক দিন আগেও আমন ধানের জমির মাটি ছিল ফেটে চৌচির ও শুষ্ক। এখন বৃষ্টিতে সেই শুকিয়ে যাওয়া জমিতে পানি জমেছে। পানি পেয়ে আমন ধানের সবুজ পাতাগুলোও সতেজ হয়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও বাতাসে দুলছে ধানের শীষ, আবার কোথাও শীষ বের হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবে আমন ধান নিয়ে কৃষকদের যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে তা অনেকটাই দূর হয়েছে। অতিরিক্ত সেচ খরচের ওপরও চাপ কমেছে। এখন ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমন ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে। পানি পেয়ে শুকিয়ে যাওয়া ধানের চারাগুলোও নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সবুজে সবুজে ভরে উঠছে। কৃষকরা বলছেন, আমন ধানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বৃষ্টি তাদের জন্য স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় সেচের প্রয়োজনীয়তা কমেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমনের ভালো ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন। উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক আলিম উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছিল। ধানের চারাগুলোও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সেচ দিতে হলে বাড়তি খরচ হতো। এখন বৃষ্টি হওয়ায় জমিতে প্রয়োজনীয় পানি এসেছে। এতে ধানের চারাগুলোও সতেজ হয়েছে। আবহাওয়া এমন ভালো থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আমি আশা করছি।’ চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আমন ধানের বৃদ্ধি, ফুল আসা ও দানা গঠনের পর্যায়ে জমিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকা জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টি জমিতে আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনেছে, যা ধান চাষের জন্য ইতিবাচক। তবে জমিতে অতিরিক্ত পানি যাতে দীর্ঘ সময় জমে না থাকে, সে বিষয়েও কৃষকদের সতর্ক থাকতে হবে। চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আল মামুন হাসান বলেন, ‘আমন ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা থাকা জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের ফলে জমিতে আর্দ্রতা ফিরে এসেছে, যা ধান চাষের জন্য উপকারী।’ তিনি আরও বলেন, এই সময়ে কৃষকদের নিয়মিতভাবে তাদের ধানের ক্ষেত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক সময়ে যথাযথ পরিচর্যা করা হলে, কাক্সিক্ষত ফলন পাওয়া সম্ভব হবে বলে আমি আশা করছি। বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত নওগাঁর রানীনগর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন রোপা আমন ধানের সবুজ গাছের বর্ণিল সমারোহের দেখা মিলছে। চলতি রোপা আমন মৌসুমে কৃষকরা ভালো ফলনের আশা করছেন। শেষ মুহূর্তে বড় কোনো রোগবালাই দেখা না দেওয়ায় কৃষকরা এখন আমন ক্ষেতের পরিচর্যায় সময় কাটাচ্ছেন। কৃষি বিভাগ মনে করছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে আগাম ধান চাষ করায় এবং কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় চলতি মৌসুমে রোপা আমনের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৯,০৭০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৮,৫০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো চারা রোপণ, নিবিড় পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সময়মতো সেচ ও সারের কোনো ঘাটতি না থাকায় চলতি মৌসুমে ধানের ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সচেতন করতে এবং সঠিক সময়ে চারা রোপণ, নিবিড় তদারকি, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সময়মতো সেচ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান, আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার ও ফসলকে রোগবালাইমুক্ত রাখার বিষয়ে পরামর্শ দিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রানীনগর উপজেলায় রোপা আমন ধানের বেশ ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: বাসস আরটিভি/আইএম
ভালো ফলনের প্রত্যাশায় আমন চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত-নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে: মীর শাহে আলম
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত ও নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। 
হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত-নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
মধ্যরাতে হঠাৎ ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের জন্য বড় সুখবর
শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব বজায় থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী
ব্লু ইকোনমিতে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী