ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার, ঝুঁকিতে ম্যানগ্রোভ বন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ম্যানগ্রোভ বনে অবৈধভাবে খালে বাঁধ। ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনে অবৈধভাবে খালে বাঁধ দিয়ে চলছে মাছ শিকার। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ম্যানগ্রোভ বন ও সেখানকার জীববৈচিত্র্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে চলছে অবৈধভাবে মাছ শিকার। তারা বলছেন, সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া খালগুলোর যেখানে-সেখানে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। তবে মাছ শিকারের কথা স্বীকার করলেও এখন পর্যন্ত কোনো খালে মাছ শিকারের বৈধ অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলায় বন বিভাগের উদ্যোগে ১৫ হাজার ২৯০ একর ম্যানগ্রোভ বনকে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কিন্তু সেখানে মাছ শিকারের জন্য গড়ে উঠেছে একটি চক্র। চক্রটি বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্তকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে বনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে বাঁধ দিয়ে দেদারছে মাছ শিকার করছে।

আরও পড়ুন

গলাচিপা উপজেলার চরকার ফারমা এলাকার মাছ শিকারি বাকপ্রতিবন্ধী জসিমের স্ত্রী রেশমা বেগম বলেন, দুই সপ্তাহ আগে সংরক্ষিত বনের খালে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার নিয়ে জসিমের ওপর হামলা করে ওই এলাকার জাফর ও মাহবুব। জাফরের দাবি, খাল তারা চার লাখ টাকায় ‘বিট’ রেখেছেন।

সেখানে অন্য কেউ মাছ ধরতে পারবে না।

রেশমা আরও বলেন, ‘এসব খাল খোলা (উন্মুক্ত) থাকলে আমাদের মতো গরিবরা জাল দিয়ে মাছ ধরে জীবন চালাতে পারে।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাহবুব বলেন, জসিমের সঙ্গে আমাদের একটু ঝামেলা হইছিল। আমরা ফরেস্ট অফিস আর রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে চরকার ফারমার বনের ভেতর দক্ষিণের আটটি খাল বিট নিয়েছি। এ ছাড়া আরো যেসব খাল আছে, সেগুলো অন্যরা বিট নিয়েছে।

মাহবুব আরো বলেন, ‘আমরা যে খাল বিট নিয়েছি ওই খালে জসিম মাছ ধরার চেষ্টা করে। বাধা দিলে ওর সঙ্গে আমাদের ঝামেলা হয় যা পরে মীমাংসা হয়েছে।’

সংরক্ষিত বনে চরকারফারমার মধ্যস্বত্বভোগী মোশারেফ প্যাদা বলেন, ‘প্রতিবছরই এ বন বিট দেওয়া হয়। এ বছরও একইভাবে ফরেস্ট অফিস আর রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই খালের বিট নেওয়া হয়েছে। যারা খালের বিট নেয় তারাই মাছ ধরে। আবার কেউ কেউ বিট বিক্রি করেও দেয়। তবে কোন অফিস বা রাজনৈতিক নেতাদের কত টাকা দেওয়া হয়েছে- তা পরে বলবেন বলে জানান তিনি।

তবে বন বিভাগের গলাচিপা রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনো বনের খাল বিট দিইনি। যারা খালে বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘সংরক্ষিত বনের ভেতর প্রবেশ করা মানেই বন ও বনের প্রকৃতিকে ধ্বংস করা। বিভিন্ন সময় সরেজমিন কথা বলে আমরা দেখেছি, তারা এই খালগুলোতে শুধু মাছ ধরে না, বিষও প্রয়োগ করে। এতে শুধু মাছ নয়, খালের ছোট-বড় সব জলজ প্রাণী ও প্রকৃতির ভারসাম্য মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব বন্ধে প্রশাসনকে অবশ্যই কঠোর অবস্থান নিতে হবে।’

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরা হলো না দুই চাচতো ভাইয়ের
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় নামিম খাঁ (১৯) ও নিরব খাঁ (১৮) নামে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন৷ 
মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরা হলো না দুই চাচতো ভাইয়ের
২৭ বছর পর মসজিদের ইমামকে বিদায়, দেওয়া হলো লাখ টাকা উপহার
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে দীর্ঘ ২৭ বছর দায়িত্ব পালনের পর  মসজিদের ইমামকে বিদায় দিয়েছে এলাকাবাসী। বিদায়কালে এক লাখ টাকা উপহারের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়েছে।
২৭ বছর পর মসজিদের ইমামকে বিদায়, দেওয়া হলো লাখ টাকা উপহার
গাছে বেঁধে ২ মাদক কারবারিকে বেধড়ক পিটুনি, অতঃপর...
মাদক সেবী, মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত এরা চুরিসহ অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। এসব কাজে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে তাদের। একটি গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দিয়ে পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের।
গাছে বেঁধে ২ মাদক কারবারিকে বেধড়ক পিটুনি, অতঃপর...
৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বাবা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে কুমিল্লা থেকে আসা ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুইদিন পর একই পরিবারের চার জনের মধ্যে তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল আটটায় বৈদ্যার বাজার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা জেলার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ে মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে গরু, ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী নিয়ে তারা বৈদ্যার বাজারে যাওয়ার পথে নদী মাঝে ঝড়ের কবলে পড়ে। এতে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।  এ সময় ৮ জন সাঁতরে পাড়ে উঠে যায়। পরে রাশিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিখোঁজ থাকে একই পরিবারের হেলাল, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আরও একজনের মরদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে। আরটিভি/এসএস
৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বাবা
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
নওগাঁর মান্দায় সারের ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্তের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক আবেদনকারী। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন উপজেলার কয়াপাড়া এলাকার মৃত রহিম উদ্দীনের ছেলে ও ‘সৈকত ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী সাইদুর রহমান। তিনি নিজেও সার ডিলার নিয়োগের একজন আবেদনকারী।   ​অভিযোগের অনুলিপি কৃষিমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এবং মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছেও পাঠানো হয়েছে। ​অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য ৩১ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ছিল আবেদনের শেষ সময়। এতে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শতাধিক আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী। এ কারণে প্রক্রিয়াটির শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।   ​জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৩১ আগস্ট জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ৯৯ জন সার ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে মান্দা উপজেলার ভারশোঁ, ভালাইন, পরানপুর, মান্দা, গণেশপুর, মৈনম, প্রসাদপুর, কুসুম্বা, তেঁতুলিয়া, নূরুল্যাবাদ, কালিকাপুর, কাঁশোপাড়া, কশব ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে একজন করে মোট ১৪ জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। ​অভিযোগকারী সাইদুর রহমান বলেন, যোগ্যতা ও বিধিমালা অনুসরণ করে যেন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়, সে দাবিতেই অভিযোগ করেছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হবেন। শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হবে না এবং সার কালোবাজারির সুযোগও কমবে। ​অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের সুপারিশের সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন বলেন, যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, তাই তদন্ত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্যদের মনোনীত করা উচিত। কোনো অনিয়মের মাধ্যমে কেউ ডিলার হয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করুক আমরা তা চাই না। অভিযোগকারীর কাছে প্রমাণ থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। ​এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন শায়লা বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা পছন্দের কাউকে সুযোগ দেওয়ার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, আমাদের মাত্র তিন দিন সময় ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে পরিদর্শনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করে যে প্রতিবেদন বা রিপোর্ট দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে কার্যক্রম পাঠানো হয়েছে। ​আর্থিক লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা অন্য কোনো কর্মকর্তা কী করেছেন তা না বললেও, নিজের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এবং এটি তিনি চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত।  ডিসি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো চিঠিপত্র বা অভিযোগ তাদের দপ্তরে পৌঁছায়নি।   ​এদিকে নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে কিনা, তা এখনও প্রমাণিত নয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে। একই সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, অনিয়ম নিয়ে আপনারা এত ইন্টারেস্ট দেখান কেন? পরবর্তীতে এ বিষয়ে আর ফোন না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ​এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. আতিয়া খাতুন বলেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যার বরাবর একটি আবেদন বা অভিযোগ করা হয়েছিল। বিষয়টি ডিসি স্যার আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন তদন্ত করার জন্য। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে ও তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত সম্পন্ন হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এখন পর্যন্ত কোনো নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নওগাঁর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসএস
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
আরও পড়ুন
বিকল ট্রলারে ৫ দিন ভাসতে থাকা ১৮ জেলেকে উদ্ধার
মা-ছেলেকে নির্যাতনের অভিযোগ, অ্যাডভোকেট চুন্নুকে শোকজ
মা-ছেলেকে অমানবিক নির্যাতনের পর ৩ দিন বন্দি বানিয়ে রাখেন চুন্নু
সাগরে ভাসছেন ১৮ জেলে, উদ্ধারে যেতে পারেনি কেউ