ফুটবল মাঠের ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ , ০৯:৪৪ এএম


ফুটবল মাঠের ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
নিহত জামিল শেখ। ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। 

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জামিল শেখ (১৬) উপজেলার শেরুয়া দহপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত শাকিল (২২) শেরুয়া দহপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ও স্থানীয় একটি চাতালের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় কিশোর ও যুবকদের মধ্যে ফুটবল খেলা চলছিল। খেলার একপর্যায়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি শান্ত করতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেন জামিল। এ সময় শেরুয়া দহপাড়া গ্রামের শাকিল (২২) তার ওপর চড়াও হন। 

পরে শাকিলের লাথি ও কিল-ঘুষির আঘাতে জামিল মাঠেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন

এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাকিল আত্মগোপনে রয়েছেন।

শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, জামিলের তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। 

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় নিহত কিশোরের পরিবার হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন গণমাধ্যমকে বলেন, ফুটবল খেলা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একইসঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission