ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. রিপন মিয়া । ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. রিপন মিয়াকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মহিষারন এলাকার অচিন্তপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকেই রিপন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এরপর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে নেত্রকোনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরী ও রিপন একই এলাকার বাসিন্দা এবং প্রতিবেশী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে নিজের পরিচয় ব্যবহার করে রিপন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীকে ভিডিও বানানোর কথা বলে প্রলোভন দেখাতেন এবং বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিতেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩০ জুলাই রাত ৮টার দিকে জরুরি কথা বলার কথা বলে কিশোরীকে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন রিপন।

আরও পড়ুন

এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, র‍্যাব অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পেশায় কাঠমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পরিচিতি পান। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপের ভিডিও দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। ২০১৯ সালে তিনি রিপন মিয়া নামে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ চালু করেন, যেখানে বর্তমানে অনুসারীর সংখ্যা ১৯ লাখের বেশি।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন রাতে কিশোরীর বাবা বাজারে এবং মা বাইরে কাজে ছিলেন। এ সুযোগে রিপন বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে জোর করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।

পরিবারের দাবি, ভিডিও বানানোর কথা বলে রিপন আগে থেকেই কিশোরীকে উত্যক্ত করতেন। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি। পরে ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় একটি বাজারে সালিশ বসে।

সালিশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তির দাবি, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে রিপন অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান। পরে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
‘কাজ দেওয়ার’ কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে নেওয়া হয় তরুণীকে, অতঃপর... 
সোনারগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫
চার্চের ঘণ্টা চুরির ঘটনায় মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৪