
গাইবান্ধার সাঘাটায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সালাউদ্দিন (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
হামলার ৪৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা শামসুজ্জামান দুদু এবং গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রোকনুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন তথ্যটি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২১ জুন বিকেলে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মোখলেছুর রহমান মুকুল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা চত্বরে বিষয়টি মীমাংসা হলেও ক্ষোভ মেটেনি।
কয়েক ঘণ্টা পর বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালান মুকুল ও তার সহযোগীরা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সেদিন ঘটনাস্থলেই মারা যান শিবির নেতা সাইফুল ইসলাম। অন্যদিকে গলাসহ শরীরের একাধিক স্থানে গভীর ক্ষত নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে বগুড়া ও পরবর্তীতে ঢাকায় আনা হয় সালাউদ্দিনকে। দীর্ঘ চিকিৎসাসেবা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রোকনুজ্জামান জানান, দলের একনিষ্ঠ কর্মীর এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিকেলে বোনারপাড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।
আরটিভি/এআর



