ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাবেক যুবলীগ নেতা ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার (চাঁদপুর), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের একসময়ের আতঙ্ক, কুখ্যাত গ্যাংস্টার পিচ্চি হান্নানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তার অস্ত্রভান্ডারের প্রধান নিয়ন্ত্রক ও সাবেক যুবলীগ নেতা মো. মাসুদুল করিম ওরফে কিলার মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে চট্টগ্রাম শহরের ডবলমুরিং এলাকায় ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত কিলার মাসুদ চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার চর দুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের পূর্ব লাড়ুয়া গ্রামের মৃত আবদুল হালিম ভূঁইয়ার ছেলে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৬ জুন র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে পিচ্চি হান্নান নিহত হওয়ার পর থেকেই কিলার মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। ঢাকায় পিচ্চি হান্নানের হাত ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার পাশাপাশি তার অস্ত্রভান্ডার দেখভাল করতেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের একপর্যায়ে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রয়াত ড. শামছুল হক ভূঁইয়ার হাত ধরে ফরিদগঞ্জের রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মাসুদ। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় এলাকায় এক সন্ত্রাসী বলয় গড়ে তুলে সাধারণ মানুষের কাছে চরম আতঙ্কের নাম হয়ে ওঠেন তিনি।

বিভিন্ন মামলার পরোয়ানা ও ১৪ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন কিলার মাসুদ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক জুমায়েত হোসেন ও মাসুদ আলমের নেতৃত্বে একটি দল ডবলমুরিং থানা পুলিশের সহযোগিতায় এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ জানান, চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিকে বর্তমানে ফরিদগঞ্জ থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
‘মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি সহায়তার চেয়েও জেলেদের মানসিক অঙ্গীকারই গুরুত্বপূর্ণ’
কচুরিপানা সরাতেই ভয়ংকর দৃশ্যের মুখোমুখি স্থানীয়রা
বরখাস্ত হলেন জেলেদের চাল চুরি করা সেই ইউপি কর্মকর্তা 
চাঁদপুরে জেলেদের চাল পাচারের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা আটক