ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কুয়াকাটায় জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির ‘ভোল পোয়া’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ‘ভোল পোয়া’-ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ‘ভোল পোয়া’। মাছটি ‘বড়চোখা পোয়া’ ও ‘সাদা পোয়া’ নামেও পরিচিত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে প্রায় ৩ কেজি ওজনের মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের সিফাত ফিসে আনা হয়। পরে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাকিবুল ইসলাম ১১ হাজার ১২৫ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

জানা গেছে, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ‘এমএস সিফাত’ ট্রলারের মাঝি শাইখুলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে খোলা ডাকের মাধ্যমে প্রায় দেড় লাখ টাকা মণ দরে মাছটি বিক্রি হয়।

ট্রলারের মাঝি শাইখুল বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় হঠাৎ জালে বড় আকৃতির মাছটি উঠে আসে। এত বড় ও দেখতে ব্যতিক্রমী মাছ আগে খুব একটা দেখিনি। জালে এমন মাছ উঠবে, তা আমরা ভাবতেও পারিনি। মাছটি ঘাটে নিয়ে আসার পর সবাই দেখতে ভিড় করেন।

আরও পড়ুন

সিফাত ফিসের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান বলেন, সাগরে এমন দুর্লভ মাছ পাওয়া আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। মাছটির আকার ও গঠন অন্যরকম। এ ধরনের মাছ ধরা পড়লে জেলেদের পাশাপাশি মৎস্য ব্যবসায়ীরাও উৎসাহিত হন।

মাছটির ক্রেতা মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের মাছ সচরাচর কেনার সুযোগ পাওয়া যায় না। ঢাকার একজন ব্যবসায়ীর অর্ডারের ভিত্তিতে মাছটি কিনেছি। তিনি মাছটি বিদেশে রপ্তানি করবেন বলে জানিয়েছেন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজিব সরকার বলেন, মাছটির বড় ও গভীর দেহ, বড় মাথা, প্রশস্ত মুখ এবং রুপালি-ধূসর বর্ণ পোয়া গোত্রের কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এটিকে পোয়া মাছ বলে ধারণা করা গেলেও নির্দিষ্ট প্রজাতি নিশ্চিত করতে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, গভীর সমুদ্রে এ ধরনের ভোল পোয়া মাছ ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের একটি ইতিবাচক দিক। বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। মাঝে মাঝে বিরল প্রজাতির মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মুখে থাকা ভুক্তভোগী শিশুর বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সাংবাদিকদের পাঠানো এক খুদে বার্তায় তিনি এ কথা জানান। তবে তিনি কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্পষ্ট করেননি। বার্তায় রুমি বলেন, আমি আর এই দেশে নেই। এসব নিয়ে যা হয় হোক, যে যা খুশি বলুক, করুক আমার কোনো মন্তব্য নেই। আপনারা সবাই ভালো থাকেন।   বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, অনেক সাংবাদিক তার প্রকাশ করা ভিডিও থেকে কেটে সেটে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছেন। এর ফলে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। তবে তিনি আইনের কাছে সঠিক বিচার চেয়েছেন বলে জানান। রুমি বলেন, আমি এই দেশবাসীকে একটাই অনুরোধ করব, আপনাদের সঙ্গেও যদি এমন ঘটনা হয়, প্রতিবাদ অবশ্যই করবেন।  এর আগে, গত শুক্রবার গাজীপুরের টঙ্গীর আওচপাড়া এলাকায় অবস্থিত ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বহিরাগতদের নিয়ে প্রবেশ, শিক্ষককে মারধর, মাদরাসার অফিসকক্ষ ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মামলা হয়। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমাস হোসেন বাদী হয়ে শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। অন্যদিকে সাত বছর বয়সী ছাত্রীকে চুমু দেওয়া ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় গত রোববার গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক।  ঘটনাটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসা ভাঙচুর, টাকা লুট ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  আরটিভি/টিআর
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সড়কে ৬ষ্ঠ দিনের মতো অবরোধ চলছে।
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় কর্ণফুলি নদীতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গিয়ে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার একটি বাড়িতে সাড়ে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে শ্বশুর ও পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওই পরিবারের শোকের মাতম চলছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শ্বশুর এবং রোববার সকালে মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া শ্বশুরের নাম মো. মফিজুর রহমান (৭০)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় কৃষক ছিলেন তিনি। তার পুত্রবধূর নাম রাহিনা আক্তার (৩২)। তিনি মফিজুরের মেজ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে শ্বশুর এবং রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুত্রবধূ মারা যান। বৃদ্ধ মফিজুর রহমান পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। রাহিনা আক্তার তার মেঝ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মফিজ মিয়া স্নেহশীল একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি পরিবারের সবাইকে আগলে রাখতেন। পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারকে তিনি ও তার স্ত্রী আপন সন্তানের মতো ভালবাসতেন। শ্বশুর ও শাশুড়িকে নিজের বাবা-মায়ের মতোই ভালোবাসতেন রাহিনা। কামাল উদ্দিন বলেন, শনিবার রাত ১১টার দিকে মফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই পুত্রবধূ। আহাজারি করতে করতে গতকাল ভোরের দিকে জ্ঞান হারান তিনি। এরপর পল্লিচিকিৎসক ডেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যেই গতকাল (রোববার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গৃহবধূও মারা যান। তিনি আরও জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় আজিজিয়া কচ্ছপ মার্কেট জামে মসজিদ মাঠে শ্বশুর মফিজুর রহমানের জানাজা এবং  সন্ধ্যার পর পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারের  জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আরটিভি/টিআর
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
সিলেটে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি কার্যক্রমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ছাত্রলীগ কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে বাদ পড়া চারজনের একজন শাহ আলম হৃদয়কে ফের শুমারির কাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। 
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
আরও পড়ুন
আবারও শুরু হচ্ছে মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
পটুয়াখালীর চর বিজয় দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি
ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড
এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৪৬ মণ ইলিশ