
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও নিজস্ব কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। কোচিংয়ে না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা।
এ ঘটনায় প্রতিকার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্যমূলক ও দুর্ব্যবহারপূর্ণ আচরণ করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকেরা।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের তৃতীয় তলায় ওই শিক্ষকের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেখানে না পড়লে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, স্কুলের পর কোচিং করানো যেতেই পারে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো না হওয়ায় দুর্বল শিক্ষার্থীরা তাঁর কোচিংয়ে পড়তে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, শাসন করার কারণে শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করতে পারে।
আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক নিজে কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী পড়ানোর বিষয়টি কোনো নীতিমালায় নেই।
আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকেরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/টিআর


