ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সাফারি পার্কে দর্শনার্থীর ওপর হামলা, খোয়া গেল তিন ভরি সোনাসহ ৮০ হাজার টাকা

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩ এএম
সাফারি পার্কে দর্শনার্থীর ওপর হামলা। ছবি: আরটিভি

গাজীপুর সাফারি পার্কের দর্শনার্থী বাসের সিটে ময়লা পরিষ্কারের কথা বলায় বন প্রহরীদের হামলায় নারী দর্শনার্থীসহ আটজন আহত হয়েছেন। এসময় দর্শনার্থীদের মোবাইল ফোন, টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পার্কের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) হামলা ও মারধরের ঘটনায় এক দর্শনার্থী শ্রীপুর থানায় মামলা করেছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন রাজধানীর বারিধারা (নতুন বাজার) এলাকার সালমা হোসেন (৪৫), তার দুই ছেলে আহনাফ মাহিন (১৭) ও জারিফ (১৫) এবং তাদের গাড়িচালক রাসেল (২৫)। এ ছাড়া আব্দুল কাহারের ছেলে মানিক মিয়া (৩৭), ফরিদ উদ্দিনের ছেলে আরমান (৪৫), আফাজ উদ্দিনের ছেলে দোয়েল হক (৩৫) ও আশিক (৩৫) আহত হয়েছেন।

সন্ধ্যার পর ওই মারামারির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে পার্কের সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রহরী ফরহাদকে বরখাস্ত করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

দর্শনার্থী সালমা হোসেন জানান, ঘটনার দিন দুপুরে দুই ছেলে আহনাফ ও জারিফকে নিয়ে তিনি গাজীপুর সাফারি পার্কে যান। পার্কের কোর সাফারির দর্শনার্থীদের বাসে উঠে সিটে ময়লা থাকায় প্রহরী ফরহাদকে পরিষ্কার করতে বলেন। সিটের ময়লা পরিষ্কারের দায়িত্ব তার নয় বলে ওই নারী দর্শনার্থীর ছেলের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পরে দর্শনার্থী বাসটি কোর সাফারি ঘুরে এসে তাদের নামিয়ে না দিয়ে চালক বাসটি নিয়ে সরাসরি সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয়ের নিচে নিয়ে যান।

সেখানে গেলে প্রহরী ফরহাদসহ তার অন্যান্য সহকর্মীরা আমার দুই ছেলে ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক রাসেলকে মারধর শুরু করেন। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকেও ধাক্কা দেন ইউনিফর্ম পরিহিত পার্কের লোকজন। এ সময় ওই নারীর তিন ভরি ওজনের সোনার চেইন, তার ও ছেলের মুঠোফোন এবং নগদ ৮০ হাজার টাকা খোয়া যায়।

সাফারি পার্কের দায়িত্বে থাকা টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, দর্শনার্থী সালমা হোসেন কোর সাফারি বাসের দায়িত্বে থাকা প্রহরী ফরহাদকে বাসের সিটের ময়লা পরিষ্কার করতে বলেন। এ সময় প্রহরী ফরহাদ বলেন, সিট পরিষ্কার করা আমার দায়িত্ব নয়। আমার দায়িত্ব হলো বাসের সবগুলো সিট পূর্ণ হয়েছে কি না, তা দেখভাল করা। একপর্যায়ে উভয়েই তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ওই নারীর ছেলের সঙ্গে প্রহরীর হাতাহাতি হয়।

দর্শনার্থী বাসটি কোর সাফারি ঘুরে আসার পর প্রহরী ফরহাদ তার অন্যান্য সহযোগীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে চালককে দর্শনার্থীদের নিয়ে বাসটি সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয়ের নিচে এসে দাঁড়াতে বলা হয়। তখন পার্কের দায়িত্বে থাকা অন্যান্য লোকজন ওই নারীকে পার্কের দোতলায় কার্যালয়ে উঠতে বলেন। কার্যালয়ে যাওয়ার কথা বলায় নারী বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। ওই সময় পার্কের সব বন প্রহরী কার্যালয়ের নিচে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বন প্রহরীদের সঙ্গে নারীর ছেলের তর্কাতর্কি হলে বন প্রহরীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন।

গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান সাংবাদিকদের জানান, দর্শনার্থী বাসের সিটে থাকা ময়লা পরিষ্কার করা নিয়ে ওই বাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রহরী ফরহাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ সময় নারী দর্শনার্থীর ছেলের সঙ্গে প্রহরীর হাতাহাতি হয়। পরিদর্শন শেষে চালক দর্শনার্থী বাসটি পার্কের কার্যালয়ের নিচে নিয়ে আসেন। সেখানে পার্কের অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে দর্শনার্থীদের মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পার্কের দুজন কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম. কে. এম. ইকবাল হোছাইন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, মুমিন নামে আমাদের একজন স্টাফকে হামলা চালিয়ে আহত করা হয়েছে। তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আমাদের স্টাফকে আহত করার পর বাসে থাকা ওই পর্যটকদের পার্ক কার্যালয়ে আনা হয় আলোচনা করার জন্য। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। এ ঘটনায় বন বিভাগের স্টাফ ফরহাদকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, সাফারি পার্কে দর্শনার্থী ও পার্কের কর্মীদের মধ্যে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। দর্শনার্থীর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। রাতে পার্ক কর্তৃপক্ষ একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শাকিলের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের ভারতীয় অংশে পড়ে থাকা বাংলাদেশি শিশু মো. শাকিলের (১৪) মরদেহ নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে সীমান্তের লংকা মোড়া এলাকায় এ মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহত শাকিল আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবুল বাসার ওরফে মালু মিয়ার ছেলে।  পরিবারের সদস্যরা জানান, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শাকিলের বলে শনাক্ত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা হয়। মরদেহটি ভারতীয় ভূখণ্ডে থাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে রোববার বিকেল ৫টার দিকে বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, শিশুটি কীভাবে সীমান্তের ওই এলাকায় গেল এবং তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কসবা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাজমুস সাকিব জানান, মরদেহ হস্তান্তরের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, মরদেহটি ভারতীয় অংশে থাকায় বিজিবি-বিএসএফ এবং দুই দেশের পুলিশের আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে। আরটিভি/এসএস
শাকিলের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
অপ্রতিম হত্যার বিচারের বিষয়ে যা জানাল পুলিশ
কুমিল্লায় আলোচিত কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতে আবেদন করার কথা জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
অপ্রতিম হত্যার বিচারের বিষয়ে যা জানাল পুলিশ
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত এলাকায় মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কর্মশালা শেষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ভজনপুর দ্বি- মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া সীমান্ত এলাকার ৩৩ জন বেকার যুবকের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন বিজিবি'র ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ।  এ সময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান, ভজনপুর দিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জিল্লুর, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) প্রশিক্ষকসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ে সদস্যরা। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক। বিজিবির প্রতিটি সদস্য সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্রপাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।  একইসঙ্গে সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণেও বিজিবি মানবিক ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী জনগণের কল্যাণে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এ প্রশিক্ষণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য, যাতে তারা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর আগে, ২৩ আগস্ট বিজিবির ভজনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। আরটিভি/এসএস
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
 ​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাবা বাসা থেকে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পায় পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ। পুলিশ আরও জানায়, ৯৯৯-এ ফোন করে সীমা (২৬) নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী লোকমান হোসেন সাগর (২৭) মাদকাসক্ত। তিনি সদরঘাট থানাধীন পানির ট্যাংকি এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাসায় বসবাস করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাতে লোকমান তার ২০ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে মাদক সেবনের টাকা জোগাড়ের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে বের হন। খবর পেয়ে সদরঘাট থানার মোবাইল টহল ডিউটির স্পেশাল-২৪ (নৈশ) টিম অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর রাতেই পশ্চিম মাদারবাড়ির যুগী চাঁদ মসজিদ লেইন এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা শিশু ফাতেমা আক্তারকে তার মা সীমার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
আরও পড়ুন
নিম্নমানের সড়ক নির্মাণ, খবর সংগ্রহে গেলে সাংবাদিককে বেধড়ক পিটুনি
‘মক্কায় হামলা মহাপাপ’ 
দেশে বাড়ল সোনার দাম
‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বিএনপি অফিসে হামলা, অতঃপর...