ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আশ্রয়ের আশায় বাসচালকের বাসায় তরুণী, ফেরেন ‘সর্বনাশের’ শিকার হয়ে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
প্রতীকী ছবি

ঢাকার সাভারে এক তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় নয়ন মন্ডল (৪৮) নামের এক বাসচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।

ওসি বলেন, ২৫ বছর বয়সী এক চাকরিপ্রার্থী তরুণী নয়ন মন্ডলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এবং শীলা বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার সকালে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, নয়ন পেশায় বাসচালক। সে সাভারের মধুমতি মডেল টাউন এলাকায় ভাড়া থাকেন। ভুক্তভোগী তরুণীকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার নয়নকে আদালতে পাঠানো হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ডিগ্রি পরীক্ষা দেওয়ার পর কিছু দিন আগে কাজের সন্ধানে গ্রামের বাড়ি থেকে সাভারে আসেন ওই তরুণী। কাজ না পেয়ে সাভারের আমিনবাজার এলাকার মধুমতি মডেল টাউনে ঘোরাঘুরি করার সময় শীলা বেগম ও তার স্বামী ইমরানের সঙ্গে পরিচয় হয়।

পরে থাকার কোনও জায়গা না থাকায় শীলা বেগম ও তার স্বামী ইমরান ওই তরুণীকে তাদের বাসায় থাকার প্রস্তাব দেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে তরুণী মধুমতি মডেল টাউন এলাকায় তাদের ভাড়া বাসায় যান।

এজাহারে বলা হয়েছে, রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে ইমরান বাসায় না থাকায় ওই তরুণী শীলা বেগমের সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটের দিকে নয়ন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় শীলা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে শীলার সহযোগিতায় নয়ন ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে ‘খারাপ মেয়ে’ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে- শীলা বেগম ভুক্তভোগী তরুণীকে এমন হুমকি দেয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, পরে শীলার স্বামী ইমরান বাসায় ফিরে ওই তরুণীকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তরুণী তাকে বিষয়টি জানান। পরে ইমরান তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান।

চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন ওই তরুণী। পরে তাদের পরামর্শে তিনি সাভার মডেল থানায় মামলা করেন।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’