
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘সংসদে আমীর সাহেব বলেছেন, আমি মাননীয় প্রধামন্ত্রীর পক্ষ হয়ে বিচার চাচ্ছি, কেন তার পরিবারকে গালিগালাজ করা হয়েছে। এটাও বলেছেন, যেসব ইতররা এসমস্ত অপকর্ম করেছে, তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য তিনি আবেদন জানিয়েছে’।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, একদিকে পাটওয়ারী সাহেবের বক্তব্যে সে এতোদিন তারেক জিয়া ও জিয়া পরিবারকে টার্গেট করে বলেছে এবং ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সবাইকে তুই তাঙ্গারি করে অশ্লীল ভাষায় এমন কিছু বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কাম্য নয়। তখন আমাদের আমীর সাহেব অথবা যারা আমীর সাহেবের সঙ্গে এখন বিরোধী দলের ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন, একটিবারের মতো তাকে কি বারণ করেছিলেন? কারণ রাজনৈতিক শিষ্টাচার তারা বোঝেন না। রাজনীতির মাঠে যারা ফ্যাসিবাদের মতো আচরণ করতে চান, তাদের মধ্যেই এ ধরণের আচরণ প্রকাশ পায়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে আয়োজিত র্যালির শুরুতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির ব্যানারে সদর উপজেলা ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এতে অংশগ্রহণ করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটা ছেলে এমন কিছু গালিগালাজ করেছে। নাম মুখে নিতে চাই না। আমীর সাহেব লংমার্চে বললেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। সংসদে বললেন কি, আর আজকে লংমার্চে বললেন ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। লংমার্চে গিয়ে ছাত্রদল যুবদরের বিরুদ্ধে কথা বলে। স্লোগান দেয় হৈ হৈ রৈ রৈ- এরা (ছাত্রদল-যুবদল) গেলি কই। এটা হলো পাটওয়ারী সাহেবদের বক্তব্য। এটা হল আমাদের আমীর সাহেবের বক্তব্য। আমীর সাহেবের নেতৃত্বেই এসমস্ত অশালীন, অশ্লীল বক্তব্যগুলো, রাজনীতিতে যেগুলো যায় না, সমাজে যেগুলো যায় না, বিবেক বর্জিত বক্তব্যগুলো তারা স্টাবলিশ করছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপিরঙঙ সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপাতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন ও সদর (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন প্রমুখ।
আরটিভি/ এসকেডি


