
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতের শিকার হয়ে শিপু মিয়া (২৭) নামে চুনাপাথর পরিবহনকারী এক নৌযান শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মাটিয়ান হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিপু মিয়া তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিপু মিয়া ইঞ্জিনচালিত নৌযানের মাধ্যমে তাহিরপুর উপজেলার বাগলি শুল্কস্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাগলি থেকে ময়মনসিংহ এলাকার চারঘাটে চুনাপাথর নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি ও একই গ্রামের প্রতিবেশী ইঞ্জিনচালক মোজ্জামিল হক বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে মাটিয়ান হাওরে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে নৌযানের সুকানীর দায়িত্বে থাকা শিপু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে ইঞ্জিনচালক মোজাম্মিল হক আহত শিপু মিয়াকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিপুর মিয়ার চাচাতো ভাই সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার বাল্কহেড নৌ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিপু ও মোজাম্মিলের আজ বাগলী থেকে চুনাপাথর নিয়ে ময়মনসিংহের চারঘাটে যাওয়ার কথা ছিল। সকালে বাড়ি থেকে নৌকা নিয়ে তারা মাটিয়ান হাওর দিয়ে বাগলী যাচ্ছিল। পথে হঠাৎ করে বজ্রপাত হলে নৌকার সুকানীর দায়িত্বে থাকা শিপু গুরুতর আহত হয়, তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এলোমেলোভাবে চলতে থাকলে ইঞ্জিনচালক মোজাম্মিল বিষয়টি টের পায়। পরে শিপুকে নিয়ে সে তাহিরপুর হাসপাতালে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতের শিকার হয়ে একজন নৌযান শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএইচজে




