ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বরিশালে ৬ হাজার টয়লেট ও গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
নলকূপ থেকে একজন পানি নিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই)।

সমগ্র দেশের নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গভীর নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য প্রায় ৬ হাজার স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা বাড়ার পাশাপাশি নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর স্যানিটেশন ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে আটটি করে গভীর নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পানির স্তর, এলাকার প্রয়োজনীয়তা ও মানুষের চাহিদা বিবেচনা করে এসব নলকূপ স্থাপন করা হবে।

বরিশাল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানায়, সাধারণ টিউবওয়েলের ক্ষেত্রে গ্রাহকের খরচ হবে ৭ হাজার টাকা এবং সাবমার্সিবল ব্যবস্থায় খরচ হবে ১০ হাজার টাকা। একটি গভীর নলকূপ স্থাপনে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৮৫ হাজার টাকা। আর সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ স্থাপনে সরকারের ব্যয় হতে পারে দুই লাখ টাকারও বেশি।

বরিশালের বিভিন্ন গ্রাম ও প্রত্যন্ত ইউনিয়নে নিরাপদ পানির সংকট এখনও রয়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেলে অনেক এলাকায় সাধারণ নলকূপে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায় না। নদী ও চরাঞ্চলের কিছু এলাকায় লবণাক্ততা এবং পানির উৎস দূষণের কারণেও নিরাপদ পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

এদিকে, বরিশাল নগরীতেও নিরাপদ পানি সরবরাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নগরীর পানির চাহিদা পূরণে রূপাতলী ও বেলতলা এলাকায় সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রূপাতলী-১ প্ল্যান্ট সম্প্রতি পুনরায় চালু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পানির গুণগত মান পরীক্ষার সরকারি সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক গবেষণাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পানির মান পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্যানিটেশন পরিস্থিতিও বরিশালের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগ দেশের অন্যান্য বিভাগের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। নদীমাতৃক ও দুর্যোগপ্রবণ হওয়ায় বর্ষা ও জলোচ্ছ্বাসের সময় গ্রামীণ এলাকার অনেক ল্যাট্রিন তলিয়ে যায়। এতে মলমূত্র পানির সঙ্গে মিশে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

এ পরিস্থিতিতে গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় জেলার প্রায় ৬ হাজার হতদরিদ্র পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি টয়লেট নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে উপকারভোগী পরিবারকে ৫ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

বরিশাল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমরান তরফদার বলেন, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। যেসব এলাকায় পানির সংকট রয়েছে এবং যেসব দরিদ্র পরিবার এখনও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধার বাইরে রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে প্রয়োজন অনুযায়ী গভীর নলকূপ স্থাপনের পাশাপাশি হতদরিদ্র পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করবে সঠিক স্থান নির্বাচন, প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন এবং নির্মিত অবকাঠামোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর। পাশাপাশি বরিশালের নদী ও চরাঞ্চলের জন্য জলবায়ু সহনশীল পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা গেলে বরিশালের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীর প্রশংসার দিনে স্বামী-স্ত্রীর তুমুল মারামারি, সন্তানের মুখে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টা!
আজ স্ত্রীর প্রশংসা দিবস। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রোববার বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়। ২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া যায়। মূলত দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর অবদান, ভালোবাসা, যত্ন ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতেই এ দিবসের আয়োজন। তবে এমন দিবসে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে।  পরে এই দম্পত্তির ১১ মাস বয়সী শিশুকন্যার মুখে বিষাক্ত কীটনাশক ঢেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা সোনিয়া খাতুনকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মৃগমারী গ্রামের ঈদগাহপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিশুটির নাম আনিকা খাতুন। তার বাবা আলামিনের (৩৫) সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, রোববার সকালে আলামিন কাজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় স্ত্রী সোনিয়া খাতুনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয় এবং দুজনই লাঠি নিয়ে একে অপরকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে আলামিন বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে সোনিয়া খাতুন ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তার ১১ মাস বয়সী মেয়ে আনিকার মুখে ঘরে থাকা কীটনাশক ঢেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় শিশুটির দাদি বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিতে গেলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে আহত করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আনিকা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে ১১ মাস বয়সী শিশুর মুখে বিষাক্ত পদার্থ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আরটিভি/এসএস
স্ত্রীর প্রশংসার দিনে স্বামী-স্ত্রীর তুমুল মারামারি, সন্তানের মুখে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টা!
৪ দফা দাবি দিয়ে কুমিল্লায় মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শিক্ষার্থীদের
কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের পর চার দফা দাবি তুলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
৪ দফা দাবি দিয়ে কুমিল্লায় মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শিক্ষার্থীদের
সীমান্তে পড়ে থাকা বাংলাদেশি কিশোরের মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের ভারতীয় অংশে পড়ে থাকা বাংলাদেশি শিশু মো. শাকিলের (১৪) মরদেহ নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। শাকিল উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবুল বাসার ওরফে মালু মিয়ার ছেলে।  পরিবারের সদস্যরা জানান, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় সীমান্তের ভারতীয় অংশে তার মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শাকিলের বলে শনাক্ত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা হয়। মরদেহটি ভারতীয় ভূখণ্ডে থাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে বিএসএফ মরদেহটি নিয়ে যায়। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, শাকিলের মরদেহ ভারতীয় অংশে থাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বিকালের দিকে মরদেহ দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। শিশুটি কীভাবে সীমান্তের ওই এলাকায় গেল এবং তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, মরদেহটি ভারতীয় অংশে থাকায় বিজিবি-বিএসএফ এবং দুই দেশের পুলিশের আলোচনার মাধ্যমে সেটি ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম অনুযায়ী মরদেহটি দেশে আনা হবে। আরটিভি/এসএস
সীমান্তে পড়ে থাকা বাংলাদেশি কিশোরের মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ
আগুনে পুড়ে ছাই ৪২ ঘর
গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে প্রায় ৪২টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় ঘরে থাকা সব আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাড়ির মালিক। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার বানিয়াচালা (মধ্যপাড়া) এলাকার সিরাজ উদ্দিনের ছেলে দলিল লেখক জাহাঙ্গীর হোসেনের সেমিপাকা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওইসব ঘরে স্থানীয় বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বসবাস করতেন। স্থানীয়রা জানান, রাতের ওই সময়ে ভাড়াটিয়ারা রান্নার করছিলেন। হঠাৎ একটি ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ৪২টি ঘর এবং ঘরে থাকা সব আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বাড়ির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কারখানা ছুটি শেষে ভাড়াটিয়ারা রান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে দ্রুত আশপাশের ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে সব মিলিয়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজেন্দ্রপুর-চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মুহাম্মদ আবু সায়েম মাসুম বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।  প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
আগুনে পুড়ে ছাই ৪২ ঘর
ভাত খাওয়া থেকে ঘটনার শুরু, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে হত্যায় মিলল যেসব তথ্য
খুলনায় নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আজমল হোসেনকে হত্যার ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর নামে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। নিহতের বাবা কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হরিণটানা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় করা হয়েছে। নিহত আজমল হোসেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকার কুতুবউদ্দিনের ছেলে। মেসের ছাত্রদের বরাত দিয়ে স্থানীয়রা জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হল (খাজা হল) সংলগ্ন ওই ভাড়া বাড়িতে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান অনেক শিক্ষার্থী থাকেন। আজমল হোসেনেও সেখানে একটি রুমে থাকতেন।  শুক্রবার রাতে মিল না দিয়ে অন্য একজনের ভাত খেয়ে ফেলেন আজমল। এরপর ভাত চুরি করে খাওয়ার অপবাদ দিয়ে মেসের কয়েকজন ছাত্র ও বহিরাগত আজমলকে ছাদে নিয়ে মারধর করেন।  পরে রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ব্যক্তিরা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। হাসপাতাল সূত্র জানায়, আজমলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মাথার চুলও এক পাশ দিয়ে কাটা ছিল। তবে এসব আঘাত কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করতে পারেনি। নিহতের বাবা কুতুবউদ্দিন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা হয়েছে। ছেলের রুমমেটরা ফোন করে এক লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলেছিল। টাকা দিলে ঝামেলা মিটে যাবে বলেও জানানো হয়। পরে ছেলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় এক বাড়ির মালিক জানান, রাতে পাশের ভবনের ছাদে একজনকে (আজমল) মারধর করতে দেখি। পরে তাকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বলেন, আজমলের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরে নিহতের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খুবির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন বলেন, ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকার বাইরে একটি ভাড়া বাড়িতে ঘটেছে। সেখানে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কিছু শিক্ষার্থী থাকেন। আরটিভি/এসএস
ভাত খাওয়া থেকে ঘটনার শুরু, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে হত্যায় মিলল যেসব তথ্য
আরও পড়ুন
স্ত্রীর নামাজরত অবস্থায় যে ভয়াবহ কাণ্ড ঘটালেন স্বামী
খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে দুই বাড়িতে চুরি, ৩ শিশুসহ হাসপাতালে ১০
বৈষম্যমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে ববিতে ‘সেইফগার্ডিং’ কার্যক্রম
বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ