ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর প্রশংসার দিনে স্বামী-স্ত্রীর তুমুল মারামারি, সন্তানের মুখে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টা!

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
এআই দ্বারা তৈরিকৃত ছবি

আজ স্ত্রীর প্রশংসা দিবস। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রোববার বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়। ২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া যায়। মূলত দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর অবদান, ভালোবাসা, যত্ন ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতেই এ দিবসের আয়োজন। তবে এমন দিবসে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

পরে এই দম্পত্তির ১১ মাস বয়সী শিশুকন্যার মুখে বিষাক্ত কীটনাশক ঢেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা সোনিয়া খাতুনকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মৃগমারী গ্রামের ঈদগাহপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিশুটির নাম আনিকা খাতুন। তার বাবা আলামিনের (৩৫) সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, রোববার সকালে আলামিন কাজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় স্ত্রী সোনিয়া খাতুনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয় এবং দুজনই লাঠি নিয়ে একে অপরকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে আলামিন বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে সোনিয়া খাতুন ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তার ১১ মাস বয়সী মেয়ে আনিকার মুখে ঘরে থাকা কীটনাশক ঢেলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় শিশুটির দাদি বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিতে গেলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে আহত করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আনিকা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে ১১ মাস বয়সী শিশুর মুখে বিষাক্ত পদার্থ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জানাজায় সবার উদ্দেশ্যে যা বললেন অপ্রতিমের বাবা 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহত স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের প্রথম জানাজা হয়েছে।
জানাজায় সবার উদ্দেশ্যে যা বললেন অপ্রতিমের বাবা 
যুবলীগ হিসেবে আটক, বিজেপি পরিচয়ে মুক্তি
ঢাকার ধামরাইয়ে আটকের এক ঘণ্টা পর আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।  জানা গেছে, যুবলীগ পরিচয়ে আটক করা হলেও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতা গিয়ে তাকে দলের কর্মী দাবি করলে তাদের হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ধামরাই পৌর কমিটির অন্তত দুইজন নেতা জানান, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ধামরাই পৌর যুবলীগের সভাপতি আমিনুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় পর্যন্ত তিনি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। যদিও আটকের পর আবু বক্করকে নিজেদের কর্মী দাবি করেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। আবু বক্কর ও সাব্বির হোসেন দুজনই ধামরাইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী ছিলেন। আবু বক্করকে আটকের সময় প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যুবলীগ সম্পৃক্ততায় আবু বক্করকে আটক করেন ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক। পরে তাকে ধামরাই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টা তাকে থানায় আটকে রাখা হয়। এদিকে খবর পেয়ে ধামরাই থানায় আসেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। তিনি আবু বক্করকে বিজেপির কর্মী দাবি করেন ও একটি কমিটির তালিকা দেখান। ওই কমিটির তালিকার একটি প্যাডের ছবি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ওই কমিটিতে ২১ সদস্যবিশিষ্ট তালিকা দেখা যায়। এতে ৬ নম্বর ক্রমিকে মো. আবু নাম দেখা যায় যুগ্ম আহ্বায়ক পদে। প্যাডের ওপরে কোনায় তারিখ দেওয়া হয়েছে ৪ আগস্ট ২০২৩। আর নিচে স্বাক্ষর রয়েছে ঢাকা জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের। তবে স্বাক্ষরের সঙ্গে কোনো তারিখ দেওয়া নেই।  কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকলেও আবু বকর সিদ্দিক নিজে সেই পদের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জানান। এরপর এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান কোন পদে রয়েছেন। আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ওসি ডাকছিল। পরে কিছুক্ষণ পরই চলে আসছি। আটক করে নাই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কখনো ছিলেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন, ‘না না, বিজেপি আমি। প্রায় ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করি।’ গেল নির্বাচনের সময় নৌকার প্রচারের সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে একটি ছবি দেখা গেছে, এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আগে তো কত জায়গায় কত ছবি উঠাইছি। বর্তমানে বিজেপির স্থানীয় কমিটিতে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, তিনি সহসভাপতি পদে আছেন। ওই কমিটি ২০২৩ সালে অনুমোদিত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। তবে কমিটিতে কোনো সহসভাপতি কোনো পোস্ট নেই জানালে পরবর্তীতে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান, সহ সেক্রেটারি, তাই না? বিজেপির কমিটি কতদিন হলো, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২৩ সালে বোধহয় কমিটি হয়েছে। বর্তমান কমিটিতে তিনি কোন দায়িত্ব আছেন চাইলে তিনি বলেন, ‘আছে, একটা প্রক্রিয়া চলছে।’ আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক বলেন, ‘আবু নামে কাউকে আমি আটক করিনি। আবু বক্কর সিদ্দিক নামে একজনকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি চলে গেছেন। তাকে এখানে আটক করা হয়নি।’ আবু বক্কর সিদ্দিককে যুবলীগের পরিচয়ে আটক করা হয়েছিল এবং পরে তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত, এমন তথ্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল কিনা, জানতে চাইলে এনামুল হক বলেন, ‘উনি যুবলীগ করেন কিনা, এ ধরনের বিষয় নিয়ে পরে কথা বলবো।’ এরপর তিনি বিস্তারিত না বলে পরে কথা বলবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আপনি আমার স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।’ আবু বকর সিদ্দিককে আটকের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘উনি যে কমিটি আছে ২০২৩ সাল থেকে তিনি সেই কমিটির তালিকা দেখাতে পারেননি। আর নতুন কিছু কর্মকর্তা বিষয়টি জানতেন না। পরে যাচাই করে দেখা যায়, তার কমিটির বিষয়টি ঠিক আছে।’ আবু বক্কর সিদ্দিক আগে যুবলীগ করতেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যুবলীগ করত, হয়ত। আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছে ২০২৩ সালে।’ যদিও আবু বকর সিদ্দিক ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করছেন বলে দাবি করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘২০২৩ সালে কমিটি হয়েছে। কমিটি পেয়েছি ২৩ সালের মাঝামাঝি।’ আবু বক্কর সিদ্দিক বিজেপিতে যুক্ত হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন কিনা, ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে নৌকার পক্ষে প্রচার চালানোর একটি ছবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তিনি পরে কথা বলবেন।’ পরে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে চান না। তবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে আবু বক্কর সিদ্দিকের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আবু বক্কর সিদ্দিককে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা গেছে এবং তিনি বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছেন। পার্থ ভাইর সঙ্গেও ছবি আছে। এখনও অ্যাকটিভ আছে। পার্থ ভাই ভালোমতো চিনে।’ সাব্বির হোসেন জনি আরও বলেন, ‘একজন কোথায় কী করল, সবই তো আমি জানি না। স্থানীয় নির্বাচনগুলো এককভাবে করতে পারে।’ ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘একটা ভুল তথ্য ছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে, যে জন্য আনা হয়েছে, তথ্য মেলে না। পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এসআই এনামুল বলছে, এমন একটা তথ্য ছিল। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির নেতাদের ভাষ্যমতে, তিনি ৩-৪ বছর ধরে তাদের সঙ্গে জড়িত। কমিটি ২৩ সালে হয়েছে।’ আরটিভি/এসএস
যুবলীগ হিসেবে আটক, বিজেপি পরিচয়ে মুক্তি
দৌলতদিয়া টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন
রাজবাড়ীতে পার্কিং করা লোকাল বাসে আগুন লেগেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১টার দিকে দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে।  রাতে পার্কিং করা বাসে চালক বা হেলপার কেউ একজন ঘুমায়। কিন্তু পুড়ে যাওয়া বাসের মধ্যে ওই সময় চালক বা হেলপার রহস্যজনক কারণে ছিলেন না। গোয়ালন্দ থানা পুলিশ এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে। স্থানীয়রা জানান, রাত সোয়া ১টার দিকে দৌলতদিয়া থেকে কুষ্টিয়ায় চলাচলকারী ‘মা ক্লাসিক পরিবহনের’ একটি বাসে হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এ সময় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভায়।  তবে ততক্ষণে বাসটির অধিকাংশই পুড়ে যায়। দৌলতদিয়া ঘাট টার্মিনালে অনেক বাস পার্কিং করা থাকলেও পুড়ে যাওয়া বাসটি একটু দূরে পার্কিং করা ছিল। এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাসটির আসন ও ভেতরের ডেকোরেশন একেবারে পুড়ে গেছে। এটি বাসের কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘটেছে নাকি অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ আরটিভি/এসএস
দৌলতদিয়া টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জন ধরা
নড়াইলে একটি মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে আদালত চত্বর থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।  শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  আদালত চত্বরের মতো একটি সুরক্ষিত স্থানে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া চরকান্দিপাড়া গ্রামের এস্কেন্দার শেখ (৪৫), মো. আমিনুর শিকদার (৫৬), মো. হাফেজ শেখ (২৫), মো. তৈয়বুর রহমান (৫৫), মো. সেকেন্দার আলী (৫৮), মো. হাসানুর রহমান (৫৫), মো. রিয়াজুল শিকদার (২৭), মো. আরিফুল শেখ (২২), মো. তারেক শেখ (৩২), মো. জুলফিকার রহমান (৪০) এবং মো. শরিফুল মোল্যা (৪০)। তারা সবাই কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে ওই ব্যক্তিরা একটি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য নড়াইল আদালতে যান। হাজিরা দেওয়ার আগে তারা আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দার মতো একাধিক ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আইনজীবীর চেম্বারে বা আদালতের মতো বিচারালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আসামিদের উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র প্রশ্ন ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার উদ্দেশ্যে তারা এসব অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার ১১ জন আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা ঠিক কী মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন এবং অস্ত্রগুলোর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জন ধরা
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে খুবির ৪ শিক্ষার্থীসহ আসামি ২৯
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার একটি মেসে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে মারধরের পর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে খুবির ৪ শিক্ষার্থীসহ আসামি ২৯
আরও পড়ুন
আজ প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
মাথাভাঙ্গা নদীতে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ, পরিচয় খুঁজছে পুলিশ
রাবিতে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারি, আহত ৩
চুয়াডাঙ্গায় আট দাবিতে ট্রেন আটকে মানববন্ধন