ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
রাস্তার প্রতীকী ছবি

বরিশালের ১০ উপজেলায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পাঁচ মাসে সড়ক, হাটবাজার, সামাজিক অবকাঠামো, সেতু-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেচ খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এসব উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা।

এলজিইডির বরিশাল কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭ দশমিক ৩৬৬ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক, ৪ দশমিক ৬৯৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং ৮ দশমিক ২৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সড়ক উন্নয়নের আওতায় কাজ হয়েছে ২০ দশমিক ৩৪৯ কিলোমিটার। এসব কাজে ব্যয় হয়েছে ২৮৪৭ দশমিক ৭৯১ লাখ টাকা।

একই সময়ে ৫১৮ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৬৭২৯ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা।

এ ছাড়া একটি হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের উন্নয়ন করা হয়েছে। এ কাজে ব্যয় হয়েছে ৩৪৩ দশমিক ১৩ লাখ টাকা।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মসজিদ, কবরস্থান ও মন্দিরসহ ৪২টি সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। এসব কাজে ব্যয় হয়েছে ১৭৭ দশমিক ৭৬ লাখ টাকা।

এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান সড়ক সচল ও চলাচলের উপযোগী রাখতে ৫৭ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয়েছে ২৩২০ দশমিক ০৭ লাখ টাকা। পাশাপাশি জেলার ১০টি উপজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২২৮ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় হয়েছে ২৪৪২ দশমিক ৬২ লাখ টাকা।

কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নে ৫ দশমিক ১৭ কিলোমিটার খননকৃত সেচ খাল ও পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৫৭ দশমিক ২৮ লাখ টাকা।

এলজিইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, উন্নয়নযোগ্য কাজের মধ্যে বরিশাল সদর ও মুলাদী উপজেলায় দুটি সড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি এসব সড়ক গ্রামীণ পরিবেশের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে।

এ ছাড়া গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় দুটি নান্দনিক আরসিসি আর্চ গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রকৌশল কৌশলে নির্মিত এসব ব্রিজের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।

জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, জেলার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন সড়ক ও সেতু-কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে হাটবাজার, গ্রোথ সেন্টার, সামাজিক অবকাঠামো ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

এলজিইডি কর্মকর্তারা জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাস্তবায়িত এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত এবং স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীনা প্রতিষ্ঠান
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের সঙ্গে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং। 
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীনা প্রতিষ্ঠান
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সংবলিত সিগারেট নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে এ ধরনের সিগারেট মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে বাজারে সরবরাহ করা যাবে না।
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হবে
নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রযুক্তি, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হবে
টিসিবিতে আসছে বিশাল ডিজিটাল পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে এআইও
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে এর কার্যক্রমকে ব্যাপক মাত্রায় ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
টিসিবিতে আসছে বিশাল ডিজিটাল পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে এআইও
আরও পড়ুন
অযত্ন-অবহেলায় জৌলুস হারাচ্ছে বরিশালের এই জমিদার বাড়ি
স্বামীকে হত্যা করে দরজায় তালা দিয়ে পালালেন স্ত্রী!
বকেয়া বুঝে পেলো সাংবাদিক পুলকের পরিবার
গরিব মানুষ সবচেয়ে বেশি বরিশালে, কেন পিছিয়ে পড়ছে বিভাগটি