ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ৪ জনের মধ্যে সরাসরি জড়িত তিন: পুলিশ সুপার

স্টাফ রিপোর্টার (কুমিল্লা) আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে তিনজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর একজনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— সদর দক্ষিণ উপজেলার সানন্দা এলাকার নূরে আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার মমিন হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার মো. আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে কামরুল হাসান (১৫) এবং সদর দক্ষিণের এলাহিপুর এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে মো. সিয়াম।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তুহিন অপ্রতীমকে নির্জন জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, মূলত অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটির দিকে নজর ছিল তুহিনের। ওই ফোন নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তদন্তে পাওয়া গেছে।

পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও তার বন্ধু কামরুল হাসান জড়িত ছিল। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফাহাদকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুল হাসানও হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া যায় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপরদিকে গ্রেপ্তার সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনও অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল।

অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পদ্মা সেতুতে মিনিট্রাককে হঠাৎ বাসের ধাক্কা, অতঃপর...
পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে মিনিট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী ডলফিন পরিবহনের একটি বাস। এতে বাস ও মিনিট্রাকের অন্তত নয়জন যাত্রী আহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৪২ নম্বর পিলারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ডলফিন পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে কুয়াকাটার দিকে যাচ্ছিল। রাতের বেলায় পদ্মা সেতু পার হওয়ার সময় ৪২ নম্বর পিলারের কাছে সামনে থাকা একটি মিনিট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করে বাসটি। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মিনিট্রাকটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে বাস ও মিনিট্রাকের কয়েকজন যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী (পদ্মা সেতু) আবু সাদ নিলয় বলেন, বাসটি দ্রুতগতিতে মিনিট্রাকটিকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাস ও মিনিট্রাকের যাত্রীদের মধ্যে অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসি বলেন, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের তথ্য পুলিশের কাছে আসেনি। দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
পদ্মা সেতুতে মিনিট্রাককে হঠাৎ বাসের ধাক্কা, অতঃপর...
জানাজায় সবার উদ্দেশ্যে যা বললেন অপ্রতিমের বাবা 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহত স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের প্রথম জানাজা হয়েছে।
জানাজায় সবার উদ্দেশ্যে যা বললেন অপ্রতিমের বাবা 
যুবলীগ হিসেবে আটক, বিজেপি পরিচয়ে মুক্তি
ঢাকার ধামরাইয়ে আটকের এক ঘণ্টা পর আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।  জানা গেছে, যুবলীগ পরিচয়ে আটক করা হলেও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতা গিয়ে তাকে দলের কর্মী দাবি করলে তাদের হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ধামরাই পৌর কমিটির অন্তত দুইজন নেতা জানান, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ধামরাই পৌর যুবলীগের সভাপতি আমিনুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় পর্যন্ত তিনি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। যদিও আটকের পর আবু বক্করকে নিজেদের কর্মী দাবি করেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। আবু বক্কর ও সাব্বির হোসেন দুজনই ধামরাইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী ছিলেন। আবু বক্করকে আটকের সময় প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যুবলীগ সম্পৃক্ততায় আবু বক্করকে আটক করেন ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক। পরে তাকে ধামরাই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টা তাকে থানায় আটকে রাখা হয়। এদিকে খবর পেয়ে ধামরাই থানায় আসেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। তিনি আবু বক্করকে বিজেপির কর্মী দাবি করেন ও একটি কমিটির তালিকা দেখান। ওই কমিটির তালিকার একটি প্যাডের ছবি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ওই কমিটিতে ২১ সদস্যবিশিষ্ট তালিকা দেখা যায়। এতে ৬ নম্বর ক্রমিকে মো. আবু নাম দেখা যায় যুগ্ম আহ্বায়ক পদে। প্যাডের ওপরে কোনায় তারিখ দেওয়া হয়েছে ৪ আগস্ট ২০২৩। আর নিচে স্বাক্ষর রয়েছে ঢাকা জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের। তবে স্বাক্ষরের সঙ্গে কোনো তারিখ দেওয়া নেই।  কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকলেও আবু বকর সিদ্দিক নিজে সেই পদের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জানান। এরপর এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান কোন পদে রয়েছেন। আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ওসি ডাকছিল। পরে কিছুক্ষণ পরই চলে আসছি। আটক করে নাই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কখনো ছিলেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন, ‘না না, বিজেপি আমি। প্রায় ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করি।’ গেল নির্বাচনের সময় নৌকার প্রচারের সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে একটি ছবি দেখা গেছে, এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আগে তো কত জায়গায় কত ছবি উঠাইছি। বর্তমানে বিজেপির স্থানীয় কমিটিতে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, তিনি সহসভাপতি পদে আছেন। ওই কমিটি ২০২৩ সালে অনুমোদিত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। তবে কমিটিতে কোনো সহসভাপতি কোনো পোস্ট নেই জানালে পরবর্তীতে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান, সহ সেক্রেটারি, তাই না? বিজেপির কমিটি কতদিন হলো, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২৩ সালে বোধহয় কমিটি হয়েছে। বর্তমান কমিটিতে তিনি কোন দায়িত্ব আছেন চাইলে তিনি বলেন, ‘আছে, একটা প্রক্রিয়া চলছে।’ আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক বলেন, ‘আবু নামে কাউকে আমি আটক করিনি। আবু বক্কর সিদ্দিক নামে একজনকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি চলে গেছেন। তাকে এখানে আটক করা হয়নি।’ আবু বক্কর সিদ্দিককে যুবলীগের পরিচয়ে আটক করা হয়েছিল এবং পরে তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত, এমন তথ্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল কিনা, জানতে চাইলে এনামুল হক বলেন, ‘উনি যুবলীগ করেন কিনা, এ ধরনের বিষয় নিয়ে পরে কথা বলবো।’ এরপর তিনি বিস্তারিত না বলে পরে কথা বলবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আপনি আমার স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।’ আবু বকর সিদ্দিককে আটকের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘উনি যে কমিটি আছে ২০২৩ সাল থেকে তিনি সেই কমিটির তালিকা দেখাতে পারেননি। আর নতুন কিছু কর্মকর্তা বিষয়টি জানতেন না। পরে যাচাই করে দেখা যায়, তার কমিটির বিষয়টি ঠিক আছে।’ আবু বক্কর সিদ্দিক আগে যুবলীগ করতেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যুবলীগ করত, হয়ত। আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছে ২০২৩ সালে।’ যদিও আবু বকর সিদ্দিক ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করছেন বলে দাবি করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘২০২৩ সালে কমিটি হয়েছে। কমিটি পেয়েছি ২৩ সালের মাঝামাঝি।’ আবু বক্কর সিদ্দিক বিজেপিতে যুক্ত হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন কিনা, ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে নৌকার পক্ষে প্রচার চালানোর একটি ছবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাব্বির হোসেন জনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তিনি পরে কথা বলবেন।’ পরে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে চান না। তবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে আবু বক্কর সিদ্দিকের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আবু বক্কর সিদ্দিককে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা গেছে এবং তিনি বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছেন। পার্থ ভাইর সঙ্গেও ছবি আছে। এখনও অ্যাকটিভ আছে। পার্থ ভাই ভালোমতো চিনে।’ সাব্বির হোসেন জনি আরও বলেন, ‘একজন কোথায় কী করল, সবই তো আমি জানি না। স্থানীয় নির্বাচনগুলো এককভাবে করতে পারে।’ ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘একটা ভুল তথ্য ছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে, যে জন্য আনা হয়েছে, তথ্য মেলে না। পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এসআই এনামুল বলছে, এমন একটা তথ্য ছিল। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির নেতাদের ভাষ্যমতে, তিনি ৩-৪ বছর ধরে তাদের সঙ্গে জড়িত। কমিটি ২৩ সালে হয়েছে।’ আরটিভি/এসএস
যুবলীগ হিসেবে আটক, বিজেপি পরিচয়ে মুক্তি
দৌলতদিয়া টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন
রাজবাড়ীতে পার্কিং করা লোকাল বাসে আগুন লেগেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১টার দিকে দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে।  রাতে পার্কিং করা বাসে চালক বা হেলপার কেউ একজন ঘুমায়। কিন্তু পুড়ে যাওয়া বাসের মধ্যে ওই সময় চালক বা হেলপার রহস্যজনক কারণে ছিলেন না। গোয়ালন্দ থানা পুলিশ এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে। স্থানীয়রা জানান, রাত সোয়া ১টার দিকে দৌলতদিয়া থেকে কুষ্টিয়ায় চলাচলকারী ‘মা ক্লাসিক পরিবহনের’ একটি বাসে হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এ সময় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভায়।  তবে ততক্ষণে বাসটির অধিকাংশই পুড়ে যায়। দৌলতদিয়া ঘাট টার্মিনালে অনেক বাস পার্কিং করা থাকলেও পুড়ে যাওয়া বাসটি একটু দূরে পার্কিং করা ছিল। এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাসটির আসন ও ভেতরের ডেকোরেশন একেবারে পুড়ে গেছে। এটি বাসের কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘটেছে নাকি অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ আরটিভি/এসএস
দৌলতদিয়া টার্মিনালে পার্কিং করা বাসে আগুন
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জন ধরা
নড়াইলে একটি মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে আদালত চত্বর থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।  শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  আদালত চত্বরের মতো একটি সুরক্ষিত স্থানে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া চরকান্দিপাড়া গ্রামের এস্কেন্দার শেখ (৪৫), মো. আমিনুর শিকদার (৫৬), মো. হাফেজ শেখ (২৫), মো. তৈয়বুর রহমান (৫৫), মো. সেকেন্দার আলী (৫৮), মো. হাসানুর রহমান (৫৫), মো. রিয়াজুল শিকদার (২৭), মো. আরিফুল শেখ (২২), মো. তারেক শেখ (৩২), মো. জুলফিকার রহমান (৪০) এবং মো. শরিফুল মোল্যা (৪০)। তারা সবাই কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে ওই ব্যক্তিরা একটি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য নড়াইল আদালতে যান। হাজিরা দেওয়ার আগে তারা আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দার মতো একাধিক ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আইনজীবীর চেম্বারে বা আদালতের মতো বিচারালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আসামিদের উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র প্রশ্ন ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার উদ্দেশ্যে তারা এসব অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার ১১ জন আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা ঠিক কী মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন এবং অস্ত্রগুলোর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জন ধরা
আরও পড়ুন
জানাজায় সবার উদ্দেশ্যে যা বললেন অপ্রতিমের বাবা 
৪ দফা দাবি দিয়ে কুমিল্লায় মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শিক্ষার্থীদের
চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম
অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ