ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

লং মার্চে যাওয়ার পথে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

লংমার্চের পথসভায় যাওয়ার পথে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে সিরাজগঞ্জ নগরের সয়দাবাদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

আহত মো. আবদুস সবুর শেখ (৫০) সায়দাবাদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির।

এ ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এ ঘটনায় তার স্ত্রী মোছা. শহর বানু বাদী হয়ে রোববার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, লং মার্চে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সয়দাবাদ মোড় মাদ্রাসা জামে মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় একদল ব্যক্তি রামদা, ড্যাগার ও চাপাতি নিয়ে আবদুস সবুরের ওপর হামলা চালায়। এতে তার ডান হাতের কবজি, পেট ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের মুখপাত্র ও সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সন্ধ্যায় জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে জেলা শহরে বিক্ষোভ করা হয়েছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
 ​রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাবা বাসা থেকে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পায় পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ। পুলিশ আরও জানায়, ৯৯৯-এ ফোন করে সীমা (২৬) নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী লোকমান হোসেন সাগর (২৭) মাদকাসক্ত। তিনি সদরঘাট থানাধীন পানির ট্যাংকি এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাসায় বসবাস করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাতে লোকমান তার ২০ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে মাদক সেবনের টাকা জোগাড়ের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে বের হন। খবর পেয়ে সদরঘাট থানার মোবাইল টহল ডিউটির স্পেশাল-২৪ (নৈশ) টিম অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর রাতেই পশ্চিম মাদারবাড়ির যুগী চাঁদ মসজিদ লেইন এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা শিশু ফাতেমা আক্তারকে তার মা সীমার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালালেন এনসিপি নেতা
এ ঘটনায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নারীর শ্বশুর হারুনুর রশিদ। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালালেন এনসিপি নেতা
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা
একসময় পড়াশোনায় মেধাবী ইমাম হাসানের সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। ইচ্ছা ছিল বড় হয়ে আইনজীবী হবেন। কিন্তু সংসারের অভাব তাকে বই-খাতা ছেড়ে কাজে নামতে বাধ্য করে। কাপড়ের দোকানে কাজ করে শেখেন পোশাক বিক্রির কৌশল।  এরপর ধারদেনা করে ৬০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ভ্যানে শুরু করেন পোশাকের ব্যবসা। এখন প্রতিদিন বিক্রি করছেন দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার পোশাক; মাসে আয় হচ্ছে এক লাখ টাকারও বেশি। ২৩ বছর বয়সী ইমাম হাসান চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খিল মুরারী এলাকার মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া ও রোকসানা আক্তার দম্পতির বড় ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম বাবার আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হতো। ছোটোবেলা থেকেই বাবার পরিশ্রম দেখেছেন ইমাম। পড়াশোনায় মেধাবী হলেও সংসারের অভাবের কারণে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। এরপর পরিবারের আয়ে সহযোগিতা করতে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ নেন। সেখানে দীর্ঘদিন কাজ করে পোশাক বিক্রির কৌশল আয়ত্ত করেন। তবে সেই আয়েও সংসারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখনই নিজের কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। পরিবার ও স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে জোগাড় করেন ৬০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্টসহ বিভিন্ন পোশাক কিনে শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা। প্রতিদিন বিকেলে বারইয়ারহাট পৌর বাজারে ভ্যান সাজিয়ে বসেন ইমাম। চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। প্রতিদিন দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। মাসে ব্যবসা থেকে আয় হয় এক লাখ টাকারও বেশি। দিনের বেলায় মা-বাবাকে পরিবারের কাজে সহযোগিতা করেন। বিকেলে ভ্যান নিয়ে বসেন বাজারে। এভাবেই নিজের আয়ের পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন তিনি। ইমাম হাসান বলেন, ছোটোবেলায় আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। পড়ালেখাও ভালো ছিলাম। কিন্তু অভাবের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। কাপড়ের দোকানে কাজ করে সামান্য টাকা আয়ের পাশাপাশি ব্যবসার অভিজ্ঞতা শিখেছি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেছি। এখন নিজের আয় দিয়ে পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারছি। আরটিভি/এসএস
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা
লিখিত স্ট্যাম্প দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়ার অঙ্গীকার মা-ছেলের
মাদক নির্মূল কমিটি ও স্থানীয়দের চাপে পড়ে মাদক গ্রহণ ও মাদক বেচা-কেনা থেকে দূরে থাকবেন বলে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন মাদককারবারি মা ও ছেলে।
লিখিত স্ট্যাম্প দিয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়ার অঙ্গীকার মা-ছেলের
আরও পড়ুন
দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ১১ দলীয় ঐক্য
স্বৈরশাসক থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য রাস্তায় নেমেছি: ডা. শফিকুর রহমান
অবশেষে মুখ খুললেন এমপি গাজী নজরুল
বাটেক্সপোতে জাতীয় ঐকমত্যের ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান গোলাম পরওয়ারের