ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

এক ব্ল্যাক কার্প ১৭৫০০ টাকায় বিক্রি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে ২৪ কেজি ওজনের একটি ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়েছে। পরে নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে মাছটি তালতলী (ইলিশা) মাছঘাটে আনা হলে সেটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

জানা গেছে, সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার আজ দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। জাল তোলার সময় বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। পরে এটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে তোলা হয়। সেখানে উপস্থিত আড়তদার ও স্থানীয় ক্রেতারা দর হাঁকতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়। পরে ১৮ জন মিলে এটি ভাগ করে নেন।

আড়তদার লোকমান বলেন, কয়েক দিন ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, ফলে ইলিশের দামও কিছুটা কমেছে। ইলিশের সরবরাহ কম থাকলে ব্ল্যাক কার্পটির দাম আরও বেশি হতে পারত। মাছটি দেখতে লঞ্চঘাট এলাকার যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমেছিল।

নৌকার জেলেরা জানান, মাছটি জালে উঠতেই সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। এত বড় ব্ল্যাক কার্প তারা আগে খুব একটা দেখেননি।

ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ছবিটি দেখে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই মনে হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়; পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের একটি স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ। বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে এর চাষ করা হয়। এ মাছের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুক।

মেহেদী হাসান আরও বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাক কার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প বেশি দেখা যায়। বর্ষা বা বন্যার সময় এ ধরনের মাছ নদীতে চলে যেতে পারে।

তিনি আরও জানান, ব্ল্যাক কার্প প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশের নদ-নদীর মাছ নয়। তবে বন্যার পানিতে চাষের পুকুর থেকে বেরিয়ে গিয়ে নদীতে টিকে থাকতে পারলে বড় আকার ধারণ করতে পারে। ভোলার মেঘনায় ধরা পড়া ২৪ কেজির এই ব্ল্যাক কার্প সেই বিরল ঘটনারই একটি উদাহরণ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শনিবার টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ যেসব এলাকায়
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় বৈদ্যুতিক লাইনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
শনিবার টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ যেসব এলাকায়
অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পরিবর্তন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) পরিবর্তন করা হয়েছে।
অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পরিবর্তন
নামাজ পড়া অবস্থায় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাঁচাতে আসা বাবাও আহত
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা সাইফুর রহমানও (৫৫) আহত হয়েছেন।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমান বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নাহিদের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু অভিযোগ করেন, মসজিদে নামাজরত অবস্থায় নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় জুবায়ের মেম্বার দাঁড়িয়ে থেকে হামলা করান বলে তিনি অভিযোগ করেন। হামলায় রেজাউল, আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ আরও ৭-৮ জন ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাহিদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েরের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। বীরগাঁও গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হোসাইন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তার ভাষ্য, প্রথমে নাহিদের ওপর হামলা হয়। পরে ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন। পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের ও নাহিদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের ঘটনায় নাহিদ প্রায় দেড় থেকে দুই মাস কারাভোগ করে সম্প্রতি বের হয়েছেন। রুজেল আহমেদ বলেন, আজ নাহিদ জুমার নামাজ পড়তে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান। সেখানে সেজদারত অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জুবায়ের আহমেদ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে একটা ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলাম। বেশ কিছুদিন আগে এই নাহিদ একজনকে গুরতর আঘাত করেছে। এরপরেও সে বুক ফুলিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে এসব সহ্য হয়নি বলে এই হামলা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা জানান, পূর্বের বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসআর
নামাজ পড়া অবস্থায় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাঁচাতে আসা বাবাও আহত
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩
আ.লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলির অভিযোগ
খুলনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আলমের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করেন বলে দাবি করেছেন তিনি। খুলনা সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর টুটপাড়া মওলা বাড়ির সামনে ইসলামীয়া রোডে এ ঘটনা ঘটে। মঞ্জুরুল আলমের দাবি, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। বাইরে থেকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে মিছিলটি দেখতে যান। তখন মিছিল থেকে এক ব্যক্তি তাকে সরে যেতে বলেন। পরে তিনি বাসার ভেতরে ঢোকার সময় মিছিল থেকে তার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন, মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বললেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ হঠাৎ করে মিছিল বের করেছিল। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে চার থেকে পাঁচটি ছোট ছোট শিশা উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো ছররা গুলির অংশ হতে পারে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা মামলা করবেন বলেও জানান তিনি। এর আগে শুক্রবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর খালিশপুরে জুমার নামাজ চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। খুলনা-যশোর মহাসড়কের আনসার উদ্দিন সড়কের মুখে এ মিছিল হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ধাওয়ায় মিছিলকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর বিভাগ) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, ‘পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার কারণে মিছিলকারীরা মিছিল সম্পন্ন করতে পারেননি। মিছিলকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ আরটিভি/এসআর
আ.লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলির অভিযোগ
আরও পড়ুন
তেঁতুল গাছে অজ্ঞান হয়ে ঝুলছিলেন তরুণ, অতঃপর...
‘তোকে আমি এমন করব সারাজীবন কাঁদবি’ বলে বাবাকে হুমকি, পরে মিলল ছেলের বস্তাবন্দি মরদেহ
বন্ধের দিনে মাদরাসার টেবিল-বেঞ্চ বিক্রি করে দিলেন শিক্ষক ও লাইব্রেরিয়ান
স্কুলের কথা বলে নদীতে নামে ৪ বন্ধু, ৩ জনের করুণ পরিণতি