
কুমিল্লা রেলস্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে যায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৮)। এ সময় ট্রেনে উঠে পড়লেও দুই শিশুর বাবা-মা উঠতে পারেননি। সন্তানদের নিয়ে ট্রেন ছুটে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তারা। পরে রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ট্রেনটি থামিয়ে ওই দম্পতিকে সন্তানদের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনে পৌঁছায়। সেখানে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি ছিল দুই মিনিট। এ সময় সিলেট যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক দম্পতি তাদের দুই শিশুসন্তানকে ট্রেনে তুলে দেন। তবে সন্তানদের ট্রেনে তোলার পর তারা নিজেরা আর উঠতে পারেননি।
ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে দেওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ওই দম্পতি চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করেন। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশের নজরে এলে ট্রেনটির পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ট্রেনটি থামানো হয়। সেখানে ওই দুই শিশুর বাবা-মাকে ট্রেনে তুলে দেওয়া হয়।
রেলওয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য এহসান বলেন, আজ ট্রেনে অনেক যাত্রী ছিলেন। নির্ধারিত দুই মিনিটের মধ্যে অনেক যাত্রীই ট্রেনে উঠতে পারেননি। ওই দম্পতি তাদের দুই সন্তানকে ট্রেনে তুলে দিয়েছিলেন। পরে তারা নিজেরা ট্রেনে উঠতে না পেরে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ট্রেনটির পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ট্রেন থামানো হয়। পরে তাঁদের সন্তানদের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার শেখ আনোয়ার হোসেন বলেন, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কুমিল্লা স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য থামে। এ সময় অনেক যাত্রী সাধারণ বগিতে না উঠে এসি বগিতে ওঠার চেষ্টা করেন। ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর তারা সাধারণ বগিতে ওঠার জন্য দৌড়াদৌড়ি করেন। এ কারণে কেউ কেউ সময়মতো ট্রেনে উঠতে পারেন না।
আরটিভি/এসকে


