ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

কানাডায় চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় চাকরি। নতুন জীবনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে পুঁজি করেই এক ব্যক্তির কাছ থেকে ধাপে ধাপে হাতিয়ে নেওয়া হয় ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা। বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে দেওয়া হয় কানাডার চাকরি ও বিদেশযাত্রার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। শেষ পর্যন্ত কানাডা অ্যাম্বাসিতে যাচাই করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর সত্য। স্বপ্নের সেই কাগজপত্র আসলে সবই ভুয়া।

বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা ও জাল কাগজপত্র তৈরির অভিযোগে নার্গিস বেওয়া ওরফে সালমা আক্তার (২৬) নামে চক্রের এক নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ। তিনি বলেছেন, রোবাবর ভোররাতে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নয়ানখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে নার্গিসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীকে কানাডার একটি কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখায় প্রতারক চক্রটি। এ জন্য মোট ৩০ লাখ টাকায় মৌখিক চুক্তি হয়।

এরপর ২০২৫ সালের ২৮ মে থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে বিকাশের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৯০ টাকা এবং নগদ ও রকেটের মাধ্যমে আরও ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১০ টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে আত্মসাৎ করা হয় ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা।

টাকা নেওয়ার পর প্রতারকরা কানাডায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র প্রস্তুত করে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দেয়। কাগজপত্র হাতে পেয়ে বিদেশযাত্রার স্বপ্ন আরও দৃঢ় হয় তার। কিন্তু সেই স্বপ্ন বেশিদিন টেকেনি।

কানাডায় যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে ওই কাগজপত্র নিয়ে কানাডা অ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করেন ভুক্তভোগী। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর জানানো হয়, সেগুলো ভুয়া। পরে এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর কাফরুল থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী।

বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানিয়েছেন, মামলাটির তদন্তে নেমে সিআইডি জানতে পারে, নার্গিস বেওয়া ওরফে সালমাসহ চক্রের অন্য সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। জাল ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো আসল হিসেবে ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হতো।

তিনি জানান, প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর সময় গ্রেপ্তার নারী নিজের প্রকৃত নাম-ঠিকানাও গোপন করতেন। মামলার তথ্য বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার প্রকৃত পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডি। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার নারী তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শুধু একজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকেই ২০ লাখের বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে, নাকি বিদেশে পাঠানোর নামে আরও অনেক মানুষকে একই কায়দায় সর্বস্বান্ত করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন ভাসমান অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মরদেহটির আনুমানিক বয়স ৪০ বছর। উপজেলার মানসা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পথচারীরা ভৈরব নদীতে মস্তকবিহীন মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা থানায় খবর দেন। ফকিরহাট মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহটি রূপসা এলাকা থেকে জোয়ারের পানিতে ভাসতে ভাসতে ফকিরহাট এলাকায় আসে। ভাসমান মরদেহের খবর পেয়ে আশপাশের এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ ভৈরব নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন। ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রজিউল্লাহ খান বলেন, ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি তিন-চার দিন আগের বলে ধারণা করা হচ্ছে। শরীরে পচন ধরেছে। নৌ পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডিকে অবগত করা হয়েছে। তারা এলে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। আরটিভি/টিআর
ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ছাত্রকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যে কাণ্ড ঘটালেন মাদরাসাশিক্ষক
টাঙ্গাইলে ৯ বছরের এক মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শিশুটি। ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক হাফেজ হানিফ আলীকে আটক করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, টাঙ্গাইলের ওই মাদরাসায় হাফেজ হওয়ার আশায় ৯ বছরের এক শিশু ভর্তি হয়। ছয় পারা কোরআন মুখস্থও করে সে। গত বৃহস্পতিবার রাতে পড়া শেষ করে নিজের কক্ষে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে মাথার চুল টেনে দিতে বলেন হাফেজ হানিফ আলী। পরে মধ্যরাতে তাকে নির্যাতন করে নিজের কাছেই রেখে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় শিশুটিকে। পরদিন শুক্রবার অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে তারা মাদরাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, ছেলেকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদরাসায় পাঠিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমার নিষ্পাপ সন্তান এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যে ব্যক্তি আমার ছেলের সঙ্গে এমন নোংরা কাজ করেছে, আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এমন শাস্তি চাই, যাতে আর কোনো মায়ের কোমল শিশুর সঙ্গে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়। ঘটনার খবর সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়লে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই মাদরাসায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তাদের অভিযোগ, সে সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন বর্তমান অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফ। তবে আগের ঘটনায় সতর্ক হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা। ঘটনার পুনরাবৃত্তির অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। তারা মাদরাসায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মাদরাসার সভাপতি কাওসার আহম্মেদ কায়েস বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে অভিযোগটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। একটি শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ আইনগত শাস্তি চাই। এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকসেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
ছাত্রকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যে কাণ্ড ঘটালেন মাদরাসাশিক্ষক
বিকল্প ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজের উদ্বোধন
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ১৮ ফুট থেকে ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করা হবে। ৩৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বৃহত্তর সিলেটের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়কপথের দূরত্ব অন্তত ৪০ কিলোমিটার কমবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিকল্প ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজের উদ্বোধন
গ্রামীণ জনপদে ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহার করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামীতে গ্রামীণ জনপদে ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহার করা হবে। ইটের উৎপাদন ও ব্যবহার কমিয়ে ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে হবে।
গ্রামীণ জনপদে ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহার করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই সাবেক সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই সাবেক সেনাসদস্যসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে র‍্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ, লোগোযুক্ত আইডি কার্ড, খেলনা পিস্তল, ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম। পুলিশ সুপার জানান, রোববার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীনগর উপজেলার হরিবাড়ী ব্রিজের পূর্ব পাশে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে আটক করে তার স্বর্ণালংকার লুটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শরীয়তপুরের ফরহাদ হোসেন (৪০), নওগাঁর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য নাদিম মাহমুদ শান্ত ওরফে রায়হান হোসেন (৩০), রাজবাড়ীর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য সার্জেন্ট মিজানুর রহমান (৪১), বরগুনার আব্দুল আলীম (৩২), মাগুরার সাকিবুর জামান মেহেদী (২৬), ভোলার মেহেদী হাসান সুজন (৩৫) এবং বরগুনার আবু হানিফ (৩২)। আবু হানিফ ওই মাইক্রোবাসের চালক। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/টিআর  
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই সাবেক সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৭
আরও পড়ুন
হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৩ নভেম্বর
৬ দফা দাবিতে সৈয়দপুরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ
হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সালকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আরটিভির নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি হাসান রাব্বি প্রধানের মায়ের ইন্তেকাল