ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

নোয়াখালী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ এএম
ছবি : আরটিভি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

এ প্রকল্প অনুমোদনের খবরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে এ প্রকল্প অনুমোদন নোয়াখালীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরে রেগুলেটরটি পুনর্নির্মাণ এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাজার ডিসেম্বর চলে যাবে, হাসিনা ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
হাজার ডিসেম্বর চলে গেলেও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন।
হাজার ডিসেম্বর চলে যাবে, হাসিনা ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
‘মিথ্যা মামলায়’ ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, অতঃপর...
ঢাকার ধামরাইয়ে তিন পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটকের পর তার পরিবারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠায় আল মামুন নামে ধামরাই থানার এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ওই এএসআইকে প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান। মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। তবে কী অভিযোগে তাকে বদলি করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি। সম্প্রতি ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নের দ্বিতীয় মহিষাসী এলাকায় মো. হান্নান মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে তিন পিস ইয়াবাসহ আটক করেন ধামরাই থানার এএসআই আল মামুন। হান্নান মৃধার পরিবারের দাবি, আটকের পর তাকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দেখিয়ে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার স্ত্রীর কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে ওই এএসআইকে ১৫ হাজার টাকা দেন তার স্ত্রী। তবে পরে আরও ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এএসআই আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়। ধামরাই থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান জানান, এ বিষয়ে তিনি কোনো লিখিত আদেশ পাননি। মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতে ওই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাকে ক্লোজড করা হয়েছে, নাকি সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তা আদেশ পাওয়ার পর বুঝতে পারবেন। অভিযোগের বিষয়টিও তাকে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। আদেশে এ বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে বলে জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
‘মিথ্যা মামলায়’ ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, অতঃপর...
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর শাম্মী আক্তার (১২) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
ঝালকাঠিতে অটোরিকশা উল্টে শিশুর মৃত্যু
ঝালকাঠির রাজাপুরে যাত্রীসহ একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে পড়ে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজাপুর-পিরোজপুর মহাসড়কের নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মো. আদিব (১০)। সে রাজাপুর উপজেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া এলাকার বাহরাইনপ্রবাসী মো. রিয়াজ বিশ্বাসের ছেলে। দুর্ঘটনায় আদিবের মা নিশাত সুলতানা (৩০) ও অটোরিকশাচালক মো. হেমায়েত তালুকদার (৪৫) আহত হয়েছেন। হেমায়েতের বাড়ি উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি রাজাপুর থেকে দক্ষিণ তারাবুনিয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে যাত্রীসহ অটোরিকশাটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে। এতে চালক, নিশাত সুলতানা ও তাঁর ছেলে আদিব গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু আদিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শিশুটির মা ওঅটোরিকশাচালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে। রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ফিরোজ কামাল বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটির মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
ঝালকাঠিতে অটোরিকশা উল্টে শিশুর মৃত্যু
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগের দিন মেয়ের সঙ্গে কথা হয় বাবার
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ছবির একটিতে থাকা নারী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের সুইটি আক্তার বলে দাবি করেছে তার পরিবার। মেয়ের জীবিত থাকার আশায় সামান্য স্বস্তি মিললেও বর্তমানে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে স্বজনদের। তবে সুইটি আক্তারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুইটি আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের ফজল মিয়ার ছোট মেয়ে। দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের পর ২০২৩ সালে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজের কথা বলে তাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। এ জন্য দালাল নতু মিয়াকে দেড় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তারা। পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবের মক্কায় ‘আল মাজাল আল আরবি গ্রুপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি। দেশটিতে পৌঁছানোর প্রায় ছয় মাস পর তিনি গ্রেপ্তার হন। তবে গ্রেপ্তারের খবর পরিবার জানতে পারে প্রায় এক বছর পর। মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সুইটি নিজেই আটকের বিষয়টি তাদের জানান। সুইটি পরিবারকে মারামারির একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার কথা জানালেও প্রবাসে থাকা তার এক বান্ধবী পরিবারকে জানান, এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এদিকে, মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা জহুরা বেগম। আর নির্বাক বাবা তাকিয়ে আছেন মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুদণ্ডের খবর তাদের মনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। সুইটি আক্তার বেঁচে আছেন কি না, কিংবা তার পরিণতি কী হয়েছে—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে উদ্বিগ্ন পরিবার। সুইটি আক্তারের বাবা ফজলু মিয়া জানান, গত ১৩ অক্টোবর সকালে তাদের সঙ্গে সুইটির সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। এর দুই দিন পর সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। এখন মেয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য খবরের অপেক্ষায় দিন কাটছে মা-বাবার। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুইটি আক্তার জীবিত থাকলে তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। আর তার মৃত্যুর খবর সত্য হলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হোক। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সুইটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সুইটির বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং প্রকৃত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানতে পেরেছেন। প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ, সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অনৈতিক কাজ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড সম্প্রতি কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)। যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তারা হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার। আরটিভি/টিআর
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগের দিন মেয়ের সঙ্গে কথা হয় বাবার
আরও পড়ুন
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশ অনুমোদন 
পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুর