
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর সোনারচরে দস্যুতার অভিযোগে ৯ জেলেকে ধরে নৌপুলিশে দিয়েছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সোনারচরের বড় খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রায় ১৫ দিন আগে মাছ ধরার সময় হামলা, মারধর, জাল, মাছ ও অন্যান্য মালামাল লুটের অভিযোগে ডাকাত উল্লেখ করে তাদের ধরে চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে এনে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। রাতেই তাদের রাঙ্গাবালী থানায় নেওয়া হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় নৌপুলিশ।
আটক ৯ জেলে চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার আহমেদপুর ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের রাসেল মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারের জেলে বলে জানা গেছে।
দস্যুতার শিকার হয়েছিলেন দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রণগোপালদীর আবু তালেব গাজীর মালিকানাধীন ট্রলার। ওই ট্রলারের জেলে আবুল বশার সরদার বলেন, প্রায় ১৫ দিন আগে সোনারচরের দক্ষিণে তাদের ট্রলার অবস্থান করছিল। এ সময় রূপারচরের দিক থেকে আসা একটি ট্রলার তাদের থামার সংকেত দেয়। পরে সামনে এসে তাদের ট্রলারের গতিরোধ করে। এ সময় জাল-হুতা টেনে নেওয়া, মারধর এবং তেল, দুই ককসিট মাছ, প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট জাল, মোটর-লাইট ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
আবু তালেব গাজী বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোনারচরের বড় খালের কাছে তাদের বোট বাঁধা ছিল। এ সময় সাগর থেকে একটি বোট এসে তাদের বোট দেখে আবার সাগরের দিকে চলে যায়। পরে সেটি ফিরে এসে মাছ বিক্রি করতে শুরু করলে তারা বোটটি চিনতে পারেন। এরপর ৯ জেলেকে ধরে চরমোন্তাজ ঘাটে এনে পুলিশে দেওয়া হয়।
রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ বলেন, ১০-১৫ দিন আগের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবারের এ ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষের লোকজনের বক্তব্য শোনা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরটিভি/এমএম


