
শরীয়তপুরের জাজিরায় মনির নামে এক পল্লি চিকিৎসকের দেওয়া ইনজেকশনে সামিয়া (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মেহেরখার কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সামিয়া ওই এলাকার প্রবাসী হান্নান ফকির ও লায়লা বেগম দম্পতির মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হান্নান ফকির ও তার স্ত্রী লায়লার মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায় তিন মাস আগে কলহের জেরে লায়লা বাবার বাড়িতে চলে যান। এ সময় মেয়েকে সঙ্গে নিতে চাইলেও শ্বশুর-শাশুড়ি সামিয়াকে নিজের কাছে রেখে দেন। শুক্রবার রাতে সামিয়ার পিঠে হওয়া একটি ফোড়ার চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যান তার দাদা-দাদি। সেখানে পল্লি চিকিৎসক মনির ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই শিশুটি নেতিয়ে পড়ে। পরে তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে শিশুটির দাদা-দাদিসহ পল্লি চিকিৎসক মনির আত্মগোপনে রয়েছেন।
এ ব্যাপারে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি শিশুটির পিঠে ওঠা একটি ফোঁড়া অপসারণের জন্য এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। সেখানে ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আসল কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএইচজে


