ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

কক্সবাজারে ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে হোটেলে, ফেরার পথে ধর্ষণ-খুন তাজমিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে নিহত তাজমিন (১৫) ও তার প্রেমিক  । ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে রাজুর স্ত্রী পরিচয়ে এক রাত কাটিয়েছিলেন কুমিল্লায় ধর্ষণের পর হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫)। হোটেলের নথিতে তার নাম লেখা হয়েছিল তানজু আক্তার এবং বয়স ১৮ বছর। কক্সবাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুমিল্লার পদুয়ারবাজারে বাস থেকে নেমে সিএনজিতে ওঠার পর চালক মো. সুমন মিয়ার (৩৫) হাতে প্রাণ হারান তিনি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

কক্সবাজারের কলাতলীতে একটি আবাসিক হোটেলের নথি ও নিরাপত্তা ক্যামেরার দৃশ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুর সঙ্গে ৩০২ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন তাজমিন। সেখানে তাকে রাজুর স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়। হোটেলের খাতায় রাজুর ঠিকানা বান্দরবানের লামা উল্লেখ করা হয়েছিল। এক রাত থাকার পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছাড়েন।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান ও ছোট ভিডিও বিনিময়ের মাধ্যমে রাজুর সঙ্গে তাজমিনের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তাদের পরিচয়ের সময়কাল নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। রাজুর এক সহকর্মীর দাবি, ১৭ দিন আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল। অন্য একটি সূত্রের দাবি, পরিচয় প্রায় পাঁচ মাসের। রাজু গত তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন।

তাজমিনের কক্সবাজার যাত্রার পেছনে পারিবারিক মনোমালিন্যের তথ্যও উঠে এসেছে। গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর বাসা ছাড়েন তিনি। প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যান। পরে রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠান বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারকৃত হত্যাকারী ও ধর্ষক মো. সুমন মিয়া (৩৫)। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে যাওয়ার পর রাজু তাজমিনের জন্য ৯০০ টাকা দিয়ে বাসের টিকিট কাটেন। কক্সবাজারের একটি পরিবহন কাউন্টারের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, ৬ অক্টোবর রাত ৮টার পর তাজমিন ও রাজু পরদিনের বাসের টিকিট সংগ্রহ করেন। ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাজমিনকে বাসে তুলে দেওয়া হয়।

নিরাপত্তা ক্যামেরার দৃশ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোডের একটি হোটেলের সামনে বাস থেকে নামেন তাজমিন। এরপর শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য সুমন মিয়ার অটোরিকশায় ওঠেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুমন তাকে গন্তব্যে না নিয়ে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তাকে।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে একটি ধানখেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেখানো জায়গা থেকে তাজমিনের ব্যবহৃত মুঠোফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তাজমিনের মা কেয়া খাতুন গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। তখন তাজমিন শুধু এক বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা বলেছিলেন। মা তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে চাইলেও তিনি কোথায় আছেন, তা স্পষ্ট করেননি।

তাজমিনের গৃহশিক্ষক সাদ বিন এরশাদ গণমাধ্যমকে জানান, মেয়েটি চঞ্চল স্বভাবের ছিল। রাগারাগি হলে প্রায়ই একা বাসা থেকে বেরিয়ে যেত। তবে মা অসুস্থ থাকলে যমজ দুই ছোট ভাইয়ের যত্ন নিত সে।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, এ ঘটনায় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার করা মুঠোফোনের কলতালিকা ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য যাচাই করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অসহায় মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করাই রুবেলের শখ
অসহায় পরিবারের মেয়েদের নিজের সন্তানের মতো করে বিয়ে দেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ব্যবসায়ী রুহুল আমিন রুবেল। গত ২৪ বছরে নিজের উপার্জনের টাকায় ১১৩ জন মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি। বিয়ের পোশাক, গয়না, উপহারসামগ্রী থেকে শুরু করে সাজসজ্জা ও খাবারের সব খরচই বহন করেন নিজে।
অসহায় মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করাই রুবেলের শখ
ভালোবেসে বিয়ে, এক বছরের মাথায় পরকীয়া সন্দেহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া গৃহবধূ চন্দনা রানী শীলের (২২) হত্যার ঘটনায় তার স্বামী শিমুল শীলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭। শনিবার (১০ অক্টোবর) এসআরবি ৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে, গত শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনে একটি জমির আইল থেকে চন্দনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুই হাত কাপড় দিয়ে বাঁধা এবং গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা তার পরিচয় শনাক্ত করেন। এসআরবি-৭ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের বড় দারোগারহাট এলাকায় কুমিরা হাইওয়ে থানার সামনে থেকে শিমুল শীলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে টেরিয়াইল বাজারের লাকি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে পীযুষ শীল ওরফে প্রিতমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে বারবকুণ্ডের মান্দারীটোলা এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার রাত ১২টা ১৫ মিনিটে ফকিরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মো. ইলিয়াসকে। নজরুল ও ইলিয়াসকে তদন্তে পাওয়া আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছে এসআরবি। এদিকে এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত চন্দনার স্বামী শিমুল শীল গতকাল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি আরও দুই তরুণকে সঙ্গে নিয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়েছেন। চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন চন্দনার স্বামী শিমুল শীল।  পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে শিমুলের সঙ্গে চন্দনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ।  ঘটনার আগের দিনও নির্যাতনের শিকার হয়ে চন্দনা বাবার বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। পরে তার স্বামী তাকে আবার ডেকে নিয়ে যান। এর এক দিন পর পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর পান। এদিকে গ্রেপ্তার হওয়া শিমুল জবানবন্দিতে আদালতকে জানান, তার স্ত্রী চন্দনা রানীর সঙ্গে নজরুলের সম্পর্ক ছিল বলে তার সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঘটনার দিন রাতে তিনি এ নিয়ে চন্দনাকে জেরা করেন। সেখানে নজরুলও ছিলেন। একপর্যায়ে চন্দনা মামলার হুমকি দিলে তারা চন্দনাকে হত্যা করেন। হত্যায় নজরুলের বন্ধু ইলিয়াসও অংশ নেন। তিনজন মিলেই চন্দনাকে খুন করেন তারা। পুলিশ জানায়, নজরুল ইসলাম ও ইলিয়াস হোসেন দুজনেই বন্ধু। নজরুল সিএনজি অটোরিকশার চালক এবং ইলিয়াস মিনিবাসের চালক। শিমুল ও পীযূষ দুজনেই কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ডাম্পিং স্টেশনে প্রহরীর কাজ করেন। নজরুলের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আসা-যাওয়া করতে গিয়ে চন্দনার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। আর এর জের ধরেই শিমুল ও নজরুল তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন। হত্যায় অংশ নেন নজরুলের বন্ধু ইলিয়াসও। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর দায়ের করা হত্যা মামলার শিমুল ও পীযূষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদের পর শিমুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং নজরুল এবং ইলিয়াসের জড়িত থাকার তথ্য দেন। এরপর রাতেই নজরুল এবং ইলিয়াসকে ভাটিয়ারী ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসআর  
ভালোবেসে বিয়ে, এক বছরের মাথায় পরকীয়া সন্দেহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আগামী ১২ ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি আগামী ১২ ডিসেম্বরে শেষ হবে। আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং আমার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বিভিন্নভাবে আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ইতোমধ্যে কলকাতায় টেকনিক্যাল কমিটির একটা সভা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আহ্বান করব আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশকে, বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে যে চুক্তিটি করেছিলেন, পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি ক্লজ- সেই গ্যারান্টি ক্লজকে সামনে রেখে আমরা চাই আগামীতে আমাদের এই ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন হবে, সেটাকে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের সম্পর্কে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছিল, গ্যারান্টি ক্লজসহ ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমেই ভারতের সেই বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। শুধু ফারাক্কা নয়, সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত আরও ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সেগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই সামনে এলো ‘চরম সত্য’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুভ সাচকী (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া অলিউর রহমান (৪৯) নামে আরেক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চালিতাবুনিয়া গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘরের একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে তিনটি প্যাকেটে রাখা ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় সুভ সাচকীকে গ্রেপ্তার করা হলেও অলিউর রহমান পালিয়ে যান। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী আরটিভিকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুভ সাচকী নামে এক যুবককে চার কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে। আরটিভি/আইএম
ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই সামনে এলো ‘চরম সত্য’
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। 
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ
আরও পড়ুন
তাজমিনের ১৭ দিনের প্রেমিক কে এই রাজু
কক্সবাজারে দুইদিন কাটায় তাজমিন, সঙ্গে ছিলেন রাজু
রাজুর ডাকে সাড়া দিয়ে কক্সবাজার গিয়েছিল স্কুলছাত্রী তাজমিন
মৃত্যুর আগে ১৫ মিনিট আইফোন চার্জ দিয়েছিল তাজমিন, যা ঘটেছিল তখন