ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদা না পেয়ে তেলের দোকানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে চাঁদা না পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন জ্বালানি তেলের দোকানে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মুহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের জোরগাছা বাজারে চাঁদের আলো ফিলিং স্টেশনে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।

আগুনে প্রায় আট হাজার লিটার জ্বালানি তেল, অটোরিকশার শোরুম, কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং পাশের তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। এতে ৩০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মালিক। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

মুহিদুল ইসলাম ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং চাঁদের আলো ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী। তার ভাষ্য, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হেলমেট পরা এক যুবক মোটরসাইকেলে এসে দোকান থেকে দুই লিটার পেট্রল নেন। এরপর এক হাজার টাকার নোট দিলে কর্মচারী মামুন টাকা ভাঙাতে ক্যাশ কাউন্টারে যান। এর পরপরই তেলের ড্রামে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের প্রতিষ্ঠান ও তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ওই মোটরসাইকেল আরোহীকেও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মুহিদুলের অভিযোগ, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। চার মাস আগে স্থানীয় এক নেতাকর্মী সুবল উদ্দিন তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ছাড়া গত মাসে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী হাসনাত নামের এক ব্যক্তি মেসেঞ্জারে তাকে হুমকি দেন। গত শনিবার (১০ অক্টোবর) বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে তার নবম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে সিয়াম হাসানকে মারধর করে হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রটিই পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে বলে সন্দেহ মুহিদুলের।

তবে চাঁদা দাবির অভিযোগে অভিযুক্ত সুবল উদ্দিন তিন মাস আগে থেকেই একটি হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। আগুনের ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, আগুনে ফিলিং স্টেশন, পাশের দুটি প্রতিষ্ঠান ও পেছনের তিনটি বাড়ি পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মুহিদুলের দাবি, ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডারও ছিল। অটোরিকশার শোরুমে থাকা পাঁচটি নতুন অটোরিকশা ও ৫৫টি ব্যাটারি পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কম্পিউটার ও আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে।

মুহিদুল জানান, ফিলিং স্টেশনের বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনুমোদন ছিল না। তবে ফায়ার সার্ভিস ও জেলা পরিষদের অনুমোদন ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সেখানে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি এলপিজি সিলিন্ডারও বিক্রি করা হতো। ফায়ার সার্ভিস এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেয় না; অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব বিস্ফোরক পরিদপ্তরের। প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদন ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি করছিল।

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি তার জানা নেই। তবে মুহিদুলের এক কর্মচারী হিসাব বুঝিয়ে না দিয়ে চাকরি ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল।

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের দোকানে আগুনের খবর তিনি পেয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আগুনের প্রকৃত কারণ, এটি পরিকল্পিতভাবে লাগানো হয়েছিল কি না এবং এর পেছনে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের ব্যবসা কীভাবে চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বারেক ব্যাপারীর বাদ্যযন্ত্রে তল্লাশি, লুকানো ছিল বিদেশি পিস্তল
যাত্রীবাহী বাসে একটি পুরোনো ভাঙা হারমোনিয়াম নিয়ে যাচ্ছিলেন মো. বারেক ব্যাপারী। হারমোনিয়ামের ভেতরে কৌশলে লুকানো ছিল দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাতটি গুলি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানার পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে বারেক ব্যাপারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি গুলি এবং অস্ত্র বিক্রির ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীটির অধিনায়ক মাসুদ রানা। এসআরবি জানায়, ৪৯ বছর বয়সী বারেক ব্যাপারীর বাড়ি পাবনা জেলায়, থাকেন ঈশ্বরদীতে। কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা রিয়াজ পরিবহনের একটি বাসে করে যাচ্ছিলেন। যমুনা সেতুর পূর্ব থানার পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় বাসটিতে তল্লাশি চালানোর সময় তার কথাবার্তা ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা পুরোনো হারমোনিয়ামের ভেতর থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, সাতটি গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। বারেককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, অস্ত্র দুটি মুন্সিগঞ্জের সুজন ব্যাপারী নামের এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল বারেকের। সুজন কুষ্টিয়া থেকে পিস্তল দুটি কিনেছেন বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসআরবি-১৪-এর টাঙ্গাইল ক্যাম্পের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১১-এর নারায়ণগঞ্জের একটি দল আজ সকাল সাতটার দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শিরোলই এলাকায় সুজন ব্যাপারীর বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে সুজন ব্যাপারী (৩২) ও তার বড় ভাই মনির হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, তিনটি মুঠোফোনসহ নগদ ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে অভিযানে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১১টি গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন, ৩টি মুঠোফোন ও ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। এসআরবি অধিনায়ক মাসুদ রানা বলেন, এ ঘটনায় টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানা ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। অস্ত্রগুলো কোথা থেকে এসেছে, কত দিন ধরে এ কাজে আটক ব্যক্তিরা জড়িত, সেসব বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে। আরটিভি/এসএস
বারেক ব্যাপারীর বাদ্যযন্ত্রে তল্লাশি, লুকানো ছিল বিদেশি পিস্তল
টঙ্গীর পর এবার সাভারে আগুন
গাজীপুরের টঙ্গীর পর এবার সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাদানী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
টঙ্গীর পর এবার সাভারে আগুন
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
গাজীপুর জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মোবারক হোসেন (৫৪)নামে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি গাজীপুর মহানগরীর ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘডুবি পূর্ব ইউনিট আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছিলেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মোবারক হোসেন গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার মেঘডুবি এলাকার বাসিন্দা। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মোবারক হোসেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কারাগারের ভেতরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে গাজীপুর জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার নূর মোহাম্মদ সোহেল জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে মোবারক হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলার বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি মোবারক হোসেনের জামিন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। বর্তমানে তার মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল এলাকা থেকে মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচার চালানো এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আরটিভি/টিআর
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মনিকা, অতঃপর...
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুণ্ড গ্রামে মনিকা খাতুন (১৯) নামে দুই সন্তানের এক জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিহত মনিকা খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট কামারকুণ্ড গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে। তার স্বামী হাটগোপালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে নিশান। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন মনিকা। বুধবার দুপুর ২টার দিকে তিনি গলায় ফাঁস দেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের বাবা মতিয়ার রহমান জানান, বুধবার সকালে মেয়ে তার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি মাঠে গেলে মেয়ের আত্মহত্যার খবর পান। কী কারণে তার মেয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের কেউ বুঝতে পারছেন না। তবে তার মেয়ে কিছুটা রাগী স্বভাবের ছিলেন বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মনিকা খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মনিকা, অতঃপর...
আরও পড়ুন
টঙ্গীর পর এবার সাভারে আগুন
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৯ ইউনিট
৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল চকবাজারের আগুন