ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ, ওসি বললেন ‘খিঁচুনির রোগী’

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
ছবি: আরটিভি

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে (১৯) পুলিশের হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে সুনামগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা ও গুজব দাবি করে সদর থানার ওসি রতন শেখ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শাহনেওয়াজ চৌধুরীকে মামলার আসামী হিসেবে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। সে দুর্বল ও আগে থেকেই খিচুনি রোগ ছিল। থানা হাজতে দাঁড়ানো অবস্থায় পড়ে যায়।’

গ্রেপ্তার শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯) সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স সুনামগঞ্জ শহরের তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তারা সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন।

এদিকে শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সের ছোট ভাই ফাহিম রাজা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসিকে গালিগালাজ ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এই বিষয়ে সদর থানার ওসি জানিয়েছেন, এমন হয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সের পরিবারের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া আবাসিক এলাকার বাসা থেকে শাহনেওয়াজ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়। থানায় নেওয়ার পর শারীরিক নির্যাতনে সে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ফেলে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, বাসা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে শাহনেওয়াজ চৌধুরী পুলিশকে বলছেন, ‘স্যার আমি কয়দিন পর আত্মসমর্পণ করবো।’ জবাবে পুলিশ বলছেন, ‘বোকা ছেলের মতো কথা বলে। দুদিন পরে তুমি পাশ করলে আমরা মিষ্টি খাওয়াবো, সমস্যা নাই। শাহনেওয়াজ তার ক্যারিয়ার নষ্ট হওয়ার কথা বললে পুলিশের উত্তর, ‘ক্যারিয়ার তো এমনিইে নাই। ক্যারিয়ার তো শেষ হয়ে গেছে।’

শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে পুলিশের গ্রেপ্তার, হাসপাতালে ভর্তি , তার মা-বাবার আকুতির ভিডিও ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজসহ দলের শত শত নেতাকর্মী তার ভিডিও শেয়ার করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

শাহনেওয়াজ চৌধুরীর বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী জানান, গত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানার এস আই জাকারিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সুনামগঞ্জের নতুনপাড়া বাসায় যান। সদর থানার ওসি রতন শেখের সাথে দেখা করানোর কথা বলে ছেলেকে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। পরে রাত প্রায় দেড়টার দিকে তিনি পরিচিত একজনের কাছ থেকে জানতে পারেন ছেলে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে পড়ে আছে। পরে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান তারা। রাতেই মুমূর্ষু অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে চিকিৎসার ব্যবস্থা না হওয়ায় সুবিদবাজারের কুইন্স নামক প্রাইভেট একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত ছেলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে জানিয়েছেন শাহনেওয়াজের বাবা শাহরুখ রাজা চৌধুরী।

ছেলে রাজনীতির সাথে জড়িত না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার ছেলে এ বছর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এর আগে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয়েছিল তাকে। জেল থেকে সে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। বর্তমানে জামিনে থাকা সত্বেও বাসা থেকে ধরে নিয়ে ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে আমার ছেলেকে আহত করে হাসপাতালে ফেলে রাখা হয়। আমি আমার ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

থানায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শাহনেওয়াজ চৌধুরীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। মামলার আসামী হিসেবে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। আগে থেকেই তার খিচুনি রোগ ছিল এবং সে দুর্বল ছিল। থানাহাজতে দাঁড়ানো অবস্থায় পড়ে যায়। তার শরীরের কোনো আঘাতের চিহ্ন নাই। তাছাড়া তার সঙ্গে কী হয়েছে, তা সব সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। সে কীভাবে পড়ে গেল, কীভাবে সে এসেছিল, সবই ফুটেজে আছে। তাকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কিছু লোক মব সৃষ্টি করে গুজব ছড়ায়, পুলিশ মেরে ফেলে গেছে।’

তিনি আরও জানান, ‘ বৃহস্পতিবার রাতে সে অসুস্থ্য হলে তাকে প্রথমে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। কিন্তু তার পরিবার তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন। পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছে সে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাতক্ষীরায় রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, গাছ কাটার ও দখলের অভিযোগ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, গাছ কাটা ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন নারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এক পক্ষের লোকজন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মানপুর সরদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ছবেদ আলী সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও আরিফুর ইসলামের সঙ্গে জব্বার সরদারের ছেলে সফিকুল, সৈয়দ আলীর ছেলে আমিরুল এবং লতিফ সরদারের ছেলে আবুল কাশেমসহ তাদের শরিকদের চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এসব বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আদালতে জমিজমা সংক্রান্ত একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। আবুল কাশেমের অভিযোগ, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে শরিফুল ও আরিফুল শতাধিক লোক নিয়ে কবরস্থানের সীমানার বেড়া কেটে গাছপালা কর্তন করে জমি দখল করেন। এতে বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় জাহানারা খাতুন, লুৎফুন্নেছা ও নাজমুন নাহার আহত হন।  নাজমুন নাহারের দাবি, হামলার সময় তার কানের দুল ও গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে শরিফুল ইসলাম ও আরিফুর ইসলাম বলেন, তারা প্রায় ৭০ বছর ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করছেন। ৩-৪ মাস আগে প্রতিপক্ষ বেড়া দিয়ে চলাচলের পথটি সংকুচিত করে দেওয়ায় তাদের পোল্ট্রি খামারের মালামাল পরিবহন ও বিপণনে সমস্যা হচ্ছিল। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা চলাচলের পথ সম্প্রসারণ করেছেন এবং পথের মধ্যে থাকা গাছপালা কর্তন করেছেন।  তাদের দাবি, তারা কোনো হামলা বা ছিনতাই করেননি; বরং পথ সম্প্রসারণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর হামলা করে। তারা আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছেন মাত্র। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জামাল ফারুক বলেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটিতে উভয় পক্ষেরই স্বত্ব দাবি রয়েছে। পূর্বপুরুষদের সময় থেকে দীর্ঘদিন ধরে সবাই ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তবে কয়েক মাস আগে একটি পক্ষ বেড়া দিয়ে পথটি সংকুচিত করে দেয়। উভয় পক্ষকে নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শরিফুল ইসলামরা পথটি সম্প্রসারণ করেছেন বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাস্তার প্রকৃত সীমানা, জমিজমা সক্রান্ত বিরোধ নিস্পর্তী ও আদালতের নির্দেশনা এবং সংঘর্ষের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আরটিভি/ এসকেডি
সাতক্ষীরায় রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, গাছ কাটার ও দখলের অভিযোগ
খাবার না পেয়ে মাদরাসার বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যা করল পাগল
খাবার না পেয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আঞ্জুমান কাদরীয়া খানকা শরীফ মাদরাসার রন্ধনশালায় মানষিক ভারসাম্যহীন এক ক্ষুধার্ত পাগলের হামলায় মো. ফজের আলী (৭০) নামের বাবুর্চির  মৃত্যু হয়েছে। 
খাবার না পেয়ে মাদরাসার বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যা করল পাগল
চাঁদপুরে ৬৪৬ জেলে আটক, ১৮৩ জনের কারাদণ্ড
পদ্মা-মেঘনা নদীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে চাঁদপুরে ৬৪৬ জেলেকে আটক করেছে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স এবং নৌ পুলিশ।
চাঁদপুরে ৬৪৬ জেলে আটক, ১৮৩ জনের কারাদণ্ড
জামায়াতের পরাজিত প্রার্থীর বাসায় ফুল-মিষ্টি নিয়ে হাজির মির্জা ফয়সল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন।  শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়ায় দেলাওয়ারের বাসায় ফুলের তোড়া নিয়ে যান তিনি। এ সময় দুই নেতা কোলাকুলি করেন, পরস্পরকে মিষ্টিমুখ করান এবং এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে দেলাওয়ার হোসেন মির্জা ফয়সল আমীনকে বড় ভাই সম্বোধন করে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হওয়ায় অভিনন্দন জানান।  তিনি বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে হলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। দেলাওয়ার বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য এখন শুধু বিএনপি বা ধানের শীষের প্রতিনিধি নন, তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সব মানুষের প্রতিনিধি। তাই দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁর। এ সময় নির্বাচনে সহিংসতার অভিযোগ তুলে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, যারা সহিংসতা চালায়, তারা কোনো দলের হতে পারে না; তাদের উদ্দেশ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।  একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনা দূর করে ঠাকুরগাঁওকে একটি উন্নত জেলায় পরিণত করতে দলমত-নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। জবাবে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, ঢালাও অভিযোগ না করে কোথায়, কী ঘটেছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের তালিকা দেওয়ার আহ্বান ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফয়সল আমীন বলেন, তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করবেন এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। আরটিভি/এসআর  
জামায়াতের পরাজিত প্রার্থীর বাসায় ফুল-মিষ্টি নিয়ে হাজির মির্জা ফয়সল
দিনাজপুরে কৃষকের শিমখেতের ৬০০ গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এক কৃষকের শিমখেতের প্রায় ৬০০টি ফলন্ত গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন ওই কৃষক হাফিজুল ইসলাম।
দিনাজপুরে কৃষকের শিমখেতের ৬০০ গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
আরও পড়ুন
চার বন্ধুর স্বপ্নের খামারে বিষ, ভেঙে গেল সফল হওয়ার স্বপ্ন
কর্মস্থলে গরহাজির হলেও মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তিতে সরব এই পুলিশ সদস্য!
স্কুল কমিটির সভাপতি হয়ে এলাকা ‘দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন’ বিসিক কর্মকর্তা
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...