ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

টিকটক করায় মায়ের শাসন, রান্নাঘরে গিয়ে ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিলো মাদরাসাছাত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
গ্রামীণ রান্নাঘর। ছবি: কাল্পনিক

টিকটক করতে বাঁধা দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে এক মাদরাসাছাত্রী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন কটকস্থল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জান্নাতুল খানম জান্নাত (১৩) ওই গ্রামের ইতালি প্রবাসী মো. কামাল সরদারের মেয়ে ও সুন্দরদী গাউছিয়া আবেদিয়া সুন্নীয়া মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মৃতের স্বজনদের বরাত দিয়ে গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, পড়ালেখা বাদ দিয়ে টিকটক করায় জান্নাতুলের মা তাকে শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শাসন করেন। এতে মায়ের ওপর অভিমান করে সবার অজান্তে রান্নাঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস নেয় জান্নাতুল। পরে স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নড়াইলে মতুয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী লোকজ উৎসবে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার
বাংলাদেশের সমৃদ্ধ লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলোকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।  শনিবার (৭ নভেম্বর) নড়াইল জেলার আলোকপুর ও এগারোখান গ্রামে ৬ ও ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী লোকজ সাংস্কৃতিক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। স্থানীয় মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহাঙ্গীর, সংসদ সদস্য হাবিবা মাহমুদা, সংসদ সদস্য আরলি এবং সংসদ সদস্য ফারহানা হক। দুই দিনব্যাপী এই উৎসবে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলা, মতুয়া সম্প্রদায়ের নারীদের অংশগ্রহণে নৌকাবাইচ, লোকসংগীত, নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে মতুয়া নারীদের নৌকাবাইচ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে, যা গ্রামীণ নারীদের সাহস ও সামাজিক অংশগ্রহণের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, মতুয়া সম্প্রদায়ের মতো ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চনার শিকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা জন্মস্থান কারো সুযোগকে সীমাবদ্ধ করবে না। গ্রামীণ মেলা, হস্তশিল্প ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক আয়োজনের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও বাজারসংযোগের মাধ্যমে এসব ঐতিহ্যকে স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত করা সম্ভব। এর মাধ্যমে শিল্পী, কারিগর ও নারী উদ্যোক্তারা তাদের সৃজনশীলতার ন্যায্য মূল্য পাবেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে মানুষের অধিকার ও সম্ভাবনার বিকাশ। সরকার একটি শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা এবং নদী ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য ফেরাতে কাজ করছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হলো সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষটির জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন। স্থানীয় উদ্যোগ ও সরকারি সহযোগিতায় গ্রামীণ সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। আরটিভি/এসআর
নড়াইলে মতুয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী লোকজ উৎসবে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার
মৃত্যুর গুজবে ২৩ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পূর্ববিরোধের জেরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে গ্রামের দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়।
মৃত্যুর গুজবে ২৩ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট
৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবসে মনপুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজন
করব সমবায়, গড়ব দেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভোলার মনপুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে।
৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবসে মনপুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজন
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৯
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। 
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৯
হিমাগারে আলুর কেজি ১১ টাকা, তবুও নেই ক্রেতা
হিমাগারে পড়ে আছে হাজার হাজার টন আলু। অথচ ক্রেতা নেই। বাধ্য হয়ে প্রতি কেজি ১১ থেকে ১২ টাকায় আলু বিক্রি করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু হিমাগারে সংরক্ষণ করতেই কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে ৯ টাকার বেশি।  উৎপাদন ও সংরক্ষণ মিলিয়ে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২০ টাকারও বেশি। ফলে কম দামে আলু বিক্রি করেও লোকসান কমাতে পারছেন না তারা। এ অবস্থায় কুড়িগ্রামের ছয়টি হিমাগারে বিপুল পরিমাণ আলু অবিক্রীত পড়ে থাকার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।   কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি মৌসুমে আলুর উৎপাদন বেশি হওয়ায় শুরু থেকেই বাজারে চাপ ছিল। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে খালি বস্তার সংকট ও বাড়তি দাম এবং হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধি। দাম বাড়বে—এমন আশায় অনেক কৃষক ও ব্যবসায়ী আলু বিক্রি না করে হিমাগারে সংরক্ষণ করেন। কিন্তু বাজারে দাম বাড়ার পরিবর্তে ক্রমেই কমতে থাকে। এখন ঋণ, বস্তা ও হিমাগার ভাড়ার দায় মেটাতে গিয়ে অনেককে উল্টো নিজের পকেট থেকে টাকা দিতে হচ্ছে।   হিমাগারে আলু সংরক্ষণকারী কৃষক আব্দুল্লাহ বলেন, ভালো দামের আশায় আলু হিমাগারে রেখেছিলাম। এখন যে দাম, তাতে আলু বিক্রি করলে উৎপাদন খরচই উঠছে না। হিমাগার ভাড়া, বস্তা ও অন্যান্য খরচ যোগ করে আরও বড় লোকসান গুনতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সেকেন্দার আলী বলেন, এ অঞ্চলে আলুর উৎপাদন বেশি। কিন্তু একসঙ্গে এত আলু বাজারে আসায় দাম পড়ে গেছে। এখন হিমাগার থেকে আলু বের করার জন্য কৃষকদের চাপ বাড়ছে, অথচ পাইকারের দেখা মিলছে কম। রোকন মিয়া বলেন, ১১-১২ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করে কৃষকের কোনো লাভ নেই। অনেকে ঋণ করে আলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ করেছেন। দ্রুত দাম না বাড়লে তাঁদের লোকসানের বোঝা আরও বাড়বে। বাবর কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক শরিফ আল মাসুদ জানান, চলতি বছর তাঁদের হিমাগারে ১১ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছয় হাজার মেট্রিক টন বিক্রি হয়েছে। এখনো পাঁচ হাজার মেট্রিক টন আলু অবিক্রীত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন বীজ আলু। বাকি আলু আগামী দুই মাসের মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া আলু চাষের জন্য অনুকূল হওয়ায় এখানে উৎপাদন বেশি হয়। উৎপাদন খরচও তুলনামূলক কম। এ কারণে কৃষকরা ব্যাপকভাবে আলু চাষ করেন। একই সময়ে বেশি আলু উৎপাদিত হওয়ায় তখন দাম কমে যায়।  তিনি বলেন, বর্তমানে হিমাগারে বিপুল পরিমাণ আলু সংরক্ষিত রয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজারদর বাড়ানো সম্ভব হলে কৃষকদের ভোগান্তি কমবে এবং হিমাগারে থাকা আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে না। আরটিভি/এসআর
হিমাগারে আলুর কেজি ১১ টাকা, তবুও নেই ক্রেতা
আরও পড়ুন
ববিতে ১৪ শিক্ষক নিয়োগের আগেই বিজ্ঞপ্তিতে কারসাজির অভিযোগ
প্রবাসী স্বামীর টাকায় পড়াশোনা-চাকরি, সহকর্মীর সঙ্গে ‘সম্পর্কে’ জড়িয়ে কারাগারে শিক্ষিকা
বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণা দিয়ে ধরা নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা