স্বাদ ও মানে অতুলনীয় নেত্রকোনার ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি। যার সুনাম ছড়িয়েছে দেশ-বিদেশে। দাম কম আর সুস্বাদু হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এর চাহিদা। রসালো এক একটি মিষ্টি ওজনে আটশ থেকে এক হাজার গ্রামের হয়ে থাকে। বিয়ে, জন্মদিনসহ যে কোন অনুষ্ঠানই জমে না এ মিষ্টি ছাড়া।
জিভে জল আনা বালিশ মিষ্টি; যা নেত্রকোনায় গয়নাথের বালিশ মিষ্টি হিসেবে পরিচিত। প্রায় শত বছর আগে সর্বপ্রথম প্রয়াত গয়নাথ ঘোষ এ মিষ্টির উদ্ভাবন করেন। আকৃতিগত দিক থেকে অনেকটা বালিশ সদৃশ হওয়ায় এর এমন নামকরণ করা হয়।
১৯৮৬ সালে গয়নাথ ঘোষের মৃত্যুর পর এ প্রতিষ্ঠানটির কর্ণদ্বার হিসেবে দায়িত্ব নেন নিখিল চন্দ্র মোদক। ১৯৯৮ সালে নিখিল চন্দ্র মোদকের মৃত্যুর পর তিন পুরুষের এই প্রতিষ্ঠান এখন দেখভাল করেন তার ছেলে খোকন মোদক ও তার দুই ভাই।
দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে রসালো এ মিষ্টির কদর রয়েছে বিদেশেও।
গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডার এর মালিক খোকন মোদক আরটিভি অনলাইনকে বলেন, দেশি গাভীর দুধ থেকে ছানা তৈরি করে চিনির সিরায় ভিজিয়ে আগুনে জাল দিয়ে রাতভর বিশেষ প্রক্রিয়ায় সুদক্ষ কারিগরের মাধ্যমে এই বালিশ মিষ্টি তৈরি করা হয়। জনপ্রিয়তা পাওয়ায় জেলা শহরের পাশাপাশি দেশের বড় শহরেও বালিশ মিষ্টির শো-রুম করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নেত্রকোনার অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, বালিশ মিষ্টি এখন নেত্রকোনার ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত। স্বাদ ও মান দুটোই অতুলনীয়।
পি




