ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মৃত্যুর তিন মাস পর সাক্ষ্য দিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান!

২০ লাখ টাকা ঘুষ না পাওয়ায় পিবিআই পরিদর্শকের কেরামতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৪৫ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ইন্সপেক্টর মো. হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা ঘুষ চেয়ে না পেয়ে মৃত ব্যক্তি ও দেশের বাইরে থাকা লোককে সাক্ষী করে একটি হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জশিট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরও ২৪ জন সাক্ষী আদালতে হলফনামা দিয়ে বলেছেন, তারা কোনো সাক্ষ্য না দিলেও তাদেরকে সাক্ষী হিসেবে দেখিয়েছেন তদন্তকারী ওই কর্মকর্তা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে রোববার (৮ সেপ্টেম্বরে) দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আল আমিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি, নবীনগরের বিদ্যাকুট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হান্নান ভূইয়া। তিনি জানান, ডিআইজিসহ সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা এই টাকা দাবি করেন। এছাড়াও দুই দফায় ঘুষ বাবদ পিবিআই এর ওই কর্মকর্তা ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, পিবিআই’র তদন্তকারী কর্মকর্তা মোট ৩৯ জনের জবানবন্দী গ্রহণ করেন। এরমধ্যে বিদ্যাকুট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রউফ (৭৩) অন্যতম। ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর আবদুর রউফ মারা গেলেও সাক্ষী হিসেবে তার জবানবন্দী নেয়ার তারিখ দেখানো হয়েছে ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি। অর্থাৎ তার মৃত্যুর ২ মাস ২৯ দিন পর তার জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : চট্টগ্রামে ৯ দফা দাবিতে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার
---------------------------------------------------------------------

আরেকজন মেরাকুটা গ্রামের অজন্ত কুমার ভদ্র (৬৬)। তার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি। কিন্তু তিনি বৈধ পাসপোর্টে ২০১৯ সালের ৯ জানুয়ারি ভারত যান। সেখান থেকে দেশে ফেরেন ৮ ফেব্রুয়ারি। আরও ২৪ জন সাক্ষী আদালতে এফিডেভিট জমা দিয়েছেন এই বলে যে, তারা পিবিআই’র ওই কর্মকর্তার কাছে কোনোরকম সাক্ষীই দেননি।

নবীনগরের শিবপুর ইউনিয়নের বাঘাউড়া গ্রামে ২০১৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে আল আমিন (২২) খুন হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা কসবার খাড়েরা ইউনিয়নের সোনারগাঁও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বাদী হয়ে নবীনগর থানায় ১০ জনকে এজাহারনামীয় এবং ২-৩ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় পার্শ্ববর্তী সেমন্তঘর গ্রামের আবদুল হান্নান ভূইয়া, তার ছেলে পলাশ (ইফতেখার মাহমুদ)সহ মোট ৫ জনকে আসামি করা হয়। হত্যা মামলাটির সর্বশেষ তদন্ত করে পিবিআই।

এর আগে সিআইডি ও গোয়েন্দা পুলিশ এই মামলার তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এই দুটি সংস্থার তদন্তেই প্রকাশ পায় আবদুল হান্নান ভূইয়ার সঙ্গে আল আমিনের ভগ্নীপতি জাকির হোসেনের জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ রয়েছে। আবদুল হান্নানকে শায়েস্তা করতে নিজের শ্যালককে হত্যা করে জাকির হোসেন। এরপর আবদুল হান্নান ও তার ছেলেসহ ১০ জনকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেন তিনি।

দুটি সংস্থার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার আগের দিন ২০১৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের স্ত্রী ইতির নানির বাড়িতে দাওয়াত খেতে যায় আল আমিনের ভগ্নীপতি জাকির ও তার সহযোগী শাওন, বিল্লাল ও মোবারক। খাওয়ার পর জাকির ইতিকে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত দুটি সিঙ্গারা খেতে দিয়ে আল আমিনকে নিয়ে পাশের বাড়িতে নাছির ফকিরের মাহফিলে চলে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে তাকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ গ্রামের একজনের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।

দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি ও গোয়েন্দা পুলিশ জাকির হোসেন (৩৮), তার সহযোগী বিল্লাল (৩৭), শাওন ওরফে রানা (৪২) ও মোবারক মিয়া (৩৬) এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগপত্র দেয়।

অন্যদিকে পিবিআই এই ৪ জনকে নির্দোষ বলে তাদের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। এমনকি সিআইডি’র প্রথম দিকের তদন্তে ঘটনায় জড়িত বলে যে ৬ জনের নাম প্রকাশ পায় তাদেরকে সাক্ষী বানিয়ে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই।

সাংবাদিক সম্মেলনে পিবিআই কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ খানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন আবদুল হান্নান ভূইয়া।

এসএস/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
দশ মাসের শিশুটিকে বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি
সাভারে ২০ লাখ টাকার নকল প্রসাধনী ধ্বংস
রিকশাচালক ফিরিয়ে দিলেন ২০ লাখ টাকা