ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

নকশীতে ঘুরছে দরিদ্র নারীদের ভাগ্যের চাকা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৩৯ পিএম
বিভিন্ন ধরনের পোশাকে নকশী করছেন নারীরা

কেউ কাপড় কাটছেন। কেউ সেলাই করছেন। একেবারে নতুন সদস্যরা শিখছেন নকশী ফোঁড়। আবার কেউ বাড়িতে তৈরি করা নানা ডিজাইনের নকশী কাঁথা, নকশায় তৈরি থ্রি-পিচ, নানা রঙ-বেরঙের পুথি বসিয়ে তৈরিকৃত সো-পিচ পরিচালকের নিকট জমা দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ নতুন কাজের অর্ডার নিয়ে ফিরছেন বাড়িতে। আর এগুলো সব সামলিয়ে নিচ্ছেন পরিচালক একাই। তাকে সাহায্য করছেন কাটিং মাস্টার। এভাবে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের পৌর মহিলা সমবায় সমিতির প্রায় দুই শতাধিক অসহায় নারী স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছেন। মাত্র তিন বছর আগে গঠিত এ সমিতির দৃশ্যমান কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। সমিতির সদস্যদের আশা খুব শিগগিরই এ সংগঠনের প্রত্যেকে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়েই হতে পারবেন স্বাবলম্বী।

সমিতির সদস্যভুক্ত একাধিক অসহায় নারী জানান, তাদের সকলেরই অভাবের টানাটানির সংসার। অনেকে আছেন নানাবিধ কারণে নিজেই সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। আবার অনেকের স্বামী সংসার থাকলেও সাংসারিক কাজ শেষে বাড়িতে অলস সময় কাটিয়ে থাকেন। বর্তমানে এ সমিতির সদস্য হয়ে নকশী কাঁথা সেলাই, দর্জির কাজ শেখা ছাড়াও কুটির ও হস্তশিল্পের অনেক কাজ শিখতে পারছেন। আবার কেউ কেউ অর্ডার মত থ্রিপিচ, পাঞ্জাবী, নকশী কাঁথায় নানা ডিজাইনের কাজ করে সমিতিতে জমা দিয়ে ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন। এভাবে উপার্জিত এ পয়সা দিয়েই চলছে তাদের সংসার।

তারা আরও জানান, সাধারণ গোছের একটি নকশী কাঁথা সেলাই করে কমপক্ষে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারেন। সৌখিন এ কাঁথাগুলো পরিবারে ব্যবহারের জন্য আবার কখনও আপনজনকে উপহার দিতে স্থানীয়রা আগে থেকে অর্ডারের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে তৈরি করছেন। তাছাড়াও তাদের তৈরিকৃত সৌখীন জিনিসপত্র ঢাকাসহ বাইরের বিভিন্ন শহর থেকে ক্রেতারা এসে নগদ টাকায় কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিনিময়ে সমিতিটিতে অল্প কিছু টাকা জমা দিয়ে বাকিটা কাজটিতে সংশ্লিষ্ট সদস্য পেয়ে যাচ্ছেন। তারা বলেন, তাদের মধ্যে অনেকে আছেন আগের থেকে নকশী কাপড় সেলাইয়ের কাজ করতেন। কিন্তু তৈরিকৃত কাপড় বিক্রি করতে পারতেন না। একটি নকশী করা পোশাক বা কাঁথা সেলাই করতে অনেক সময় লাগে। আগে সঠিক যোগাযোগের অভাবে এত কষ্টের কাঁথা বিক্রি করতে সময় লেগে যেত। কিন্তু এখন সবাই মিলে কাজ করার কারণে বাইরের অর্ডার বেশি পাচ্ছেন। আবার অল্প সময়ের মধ্যে সেটা বিক্রিরও নিশ্চয়তা থাকছে। তাদের নকশী কাজে অভিজ্ঞ মাস্টার ডিজাইন বুঝিয়ে দেন যে কারণে কাজগুলো হয় নিখুঁত ও আকর্ষণীয়। ফলে নিজ এলাকার পাশাপাশি বাইরের ক্রেতারাও এগুলো অধিক আগ্রহে কিনছেন। ফলে কাজ বেশি হওয়ায় এখন তাদের সারা বছরের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

মিতা বিশ্বাস নামের সমিতির এক সদস্য জানান, তিনি অনেক দিন ধরে নকশী কাঁথাসহ নানা নকশা করা পোশাক তৈরি করেন। সমিতির সদস্য হওয়ার পর সারা বছরই প্রায় কাজ থাকে। তিনি বলেন, আগে নিজে অর্ডার নিয়ে বাড়িতে কাজ করতেন। কিন্তু তৈরিকৃত পোশাক বিক্রি করতে অনেক সময় লেগে যেতো। এখন তা নেই। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত অর্ডার ছাড়াও বর্তমানে সমিতির পরিচালকেরা দর কষাকষির মাধ্যমে কাজের অর্ডার নিয়ে কাটিং মাস্টার নকশার ধরন বুঝিয়ে দেন। সে মোতাবেক বাড়িতে বসে কাজ শেষ করে সমিতিতে জমা দিলে মুজুরির টাকা পেয়ে যান। তিনি জানান, সমিতির পক্ষ থেকে জিনিসপত্রের অর্ডার ধরে পরে তার মতো অনেকের মাঝে ভাগ করে দেওয়া হয়।

আলোমতি দাস নামের অন্য এক সদস্য জানান, তার স্বামীর সংসার সবই আছে। স্বামী কাঠমিস্ত্রির কাজ করেন। তবে সব সময় তার কাজ থাকে না। ফলে অভাবের সংসার তার। নিজে বাড়িতে বসে না থেকে কাজ করে পয়সা রোজগারের মাধ্যমে সংসারে সাহায্য করছেন। তার দুটি সন্তান লেখাপড়া করে। তাদের লেখাপড়ার খরচ যোগানোর ক্ষেত্রেও বর্তমানে ভূমিকা রাখতে পারছেন।

সমিতির পরিচালক মিনা ভট্টাচার্য জানান, এখানে তার নিজের কোনও অর্জন নেই। সবকিছুই সদস্যরাই করে থাকেন। নিজে একজন মহিলা মাস্টার দিয়ে সপ্তাহে একদিন বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেকে আছেন সুন্দর সুন্দর নকশী কাজে পারদর্শী। তাদের তৈরিকৃত জিনিসগুলো বাইরের ক্রেতাদের নিকট ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে থাকেন। কোনও ক্রেডিট প্রোগ্রাম নেই। প্রতি সপ্তাহে তাদের নিকট থেকে মাত্র ১০ টাকা করে নেয়া হয়। এ দিয়ে চলে সমিতির অন্যান্য ব্যয়। প্রশিক্ষকের বেতনও হয় এখান থেকে।

এ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মোচিক শ্রমিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, মহিলাদের নিয়ে গঠিত এ সমিতির সদস্যরা যারা আছেন তারা বেশির ভাগই হতদরিদ্র। তাদেরকে সংগঠিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সবকিছুই তারা করছেন তিনি শুধু পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন মাত্র। এ সমিতিতে কোনও ক্রেডিট প্রোগ্রাম নেই। কিন্তু তাদেরকে এক হিসেবে বিনা টাকায় সেলাইসহ হস্তশিল্পের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। যা অসহায় গরিব মহিলাদের জন্য একটা বড় কিছু।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
কম্বল পল্লীতে বেড়েছে কর্মীদের ব্যস্ততা