
গাইবান্ধা জেলায় শীতের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার দুপুর দুইটার পর সূর্যের মুখ দেখা গেলেও সূর্য কিরণের কোনও উত্তাপ ছিল না। হালকা কুয়াশার চাদর ছড়িয়ে ছিল এবং সেইসঙ্গে বইছিল হিমেল হাওয়া দিনভর।
তীব্র ঠাণ্ডায় কৃষক জমিতে কাজ করতে পারছে না। এদিকে অব্যাহত ঘন কুয়াশা ও রোদ না থাকায় কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে সরিষা ও বোরো ধানের চারা। হলুদ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের চারা, ঝরে পড়ছে সরিষার ফুল। এই প্রচণ্ড শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে কোল্ড ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতবস্ত্রের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ছিন্নমূল মানুষেরা গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে।
ঘন কুয়াশার কারণে ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অন্য নদ-নদীতে নৌচলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে মূল ভূমির সঙ্গে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে নৌচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘন কুয়াশার কারণে অনেকে দিনের বেলায় গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষরা যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ে।
বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সন্ধ্যার পর খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায় শহর-বন্দরে। শীতের কবল থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত দুইজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
জেবি/পি




