ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
চা খাওয়ার ভঙ্গিতে সন্দেহ, অতঃপর মিলল...
চা খাওয়ার ভঙ্গিতে সন্দেহ, অতঃপর মিলল...
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে কালাম ফকির কৃষ্ণপুর বাজার ব্রিজসংলগ্ন খোকন মৃধার চায়ের দোকানে বসে অদ্ভুত ভঙ্গিতে চা পান করছিলেন। এ সময় তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে কালাম ফকির তার কাছে মাদক থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যু
সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যু
নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল গলায় কলসি-চোখমুখ বাঁধা নারীর মরদেহ
নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল গলায় কলসি-চোখমুখ বাঁধা নারীর মরদেহ
ধামরাইয়ে কোনো অবৈধ ইটভাটা চলতে দেওয়া হবে না: জেলা প্রশাসক
ধামরাইয়ে কোনো অবৈধ ইটভাটা চলতে দেওয়া হবে না: জেলা প্রশাসক
ধামরাইয়ে পাইপগান ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার
ধামরাইয়ে পাইপগান ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার
ধামরাইয়ে ৩০০ মিটার সড়ক নিয়ে ৮ বছর ধরে ভোগান্তি
ধামরাইয়ে ৩০০ মিটার সড়ক নিয়ে ৮ বছর ধরে ভোগান্তি
বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা
বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা
ধামরাইয়ে টায়ার দিয়ে তেল তৈরি, কারখানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ঢাকার ধামরাইয়ে টায়ার পুড়িয়ে তেল তৈরির একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানা মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং কারখানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।  বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা ও সদর দপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ উদ্যোগে ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের সুঙ্গর এলাকায় হযরত শাহ আলী টায়ার রিসাইক্লিং নামে কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস। পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের সুঙ্গর এলাকার কারখানাটিতে গোপনে দীর্ঘদিন ধরে টায়ার পুড়িয়ে ক্ষতিকারক তেল তৈরি করা হত। এতে টায়ারের কালো ধোঁয়ায় চারপাশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। পরে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাসের নেতৃত্বে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আরও পড়ুন কুমিল্লায় এআই ক্যামেরা চালুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা, জরিমানা সাড়ে ১৫ লাখ অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান, অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে কারখানা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে এবং কারখানাটি ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা এই ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) দেবাশীষ সানা, পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আরটিভি/এমএইচজে
‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ লোডশেডিং, ধামরাইয়ে বেড়েছে রোগীদের ভোগান্তি
ঢাকার ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিনে ১২০০ থেকে ১৫০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসলেও চিকিৎসকের সংকটে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার ৫ লাখের বেশি মানুষ। ৫০ শয্যার হাসপাতালে দৈনিক রোগী আসছে ১৫০ শয্যার সমান। চিকিৎসক সংকট, ওষুধের অভাব এবং তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে বন্ধ এক্স-রে সেবা। ঢাকার ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই এক রোগী। চিকিৎসকেরা বলছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার মান বাড়ায় রোগীর চাপ বেড়েছে। জনবলের সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। আয়তনের দিক থেকে ঢাকা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা ধামরাই। এ উপজেলায় বসবাস করে ৫ লাখের বেশি মানুষ। এত জনসংখ্যার জন্য রয়েছে একটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল যেখানে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সবাই। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে যাওয়া রোগীদের টিকিট কাউন্টারে দীর্ঘ লাইন। তীব্র লোডশেডিং এবং টিকিটের লাইনের স্থানে ফ্যান না থাকায় সেবা নিতে এসে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সেবাগ্রহীতারা। বিপুলসংখ্যক রোগীর বিপরীতে পর্যাপ্ত ডাক্তার না থাকায়, একজন চিকিৎসকের পক্ষে মানসম্মত সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা অনিক মিয়া বলেন, ডাক্তার দেখানোর পর পরবর্তী ধাক্কা আসে ওষুধের কাউন্টারে। এখানে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা। আমার প্রেসক্রিপশনে ৭টি ওষুধ থাকলেও, স্টক না থাকায় আমি পেয়েছি মাত্র দুটি। এদিকে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ইনডোরের চিত্র আরও ভয়াবহ। ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগী কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র বেড সংকট। বাধ্য হয়ে নোংরা মেঝেতেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অনেককে। এর ওপর যোগ হয়েছে তীব্র লোডশেডিং। বিদ্যুৎ গেলেই গরমে ছটফট করতে হয় সাধারণ ও শিশু রোগীদের। আরও পড়ুন ওষুধ নেই ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে: জরাজীর্ণ ভবন আর জনবল সংকটে ভোগান্তি হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা জানান, একবার ডাক্তারের দেখা মিললে আর আসে না। যেকোনো প্রয়োজনে নার্সরাই তাদের শেষ ভরসা। সরকারি খরচে কম মূল্যে এক্স-রে করার আশা পূরণ হচ্ছে না এই হাসপাতালে আসা সাধারণ মানুষের। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে অনিয়মিত রয়েছে হাসপাতালের এক্স-রে সহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ফলে চড়া দামে বাইরের প্রাইভেট ল্যাব থেকে পরীক্ষা করাতে বাধ্য হচ্ছেন দরিদ্র রোগীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চিকিৎসক ছাড়াও নার্স, টেকনোলজিস্ট, ফিল্ড স্টাফ ও অন্যান্য পদসহ মোট ১৩৫টি পদের মধ্যে প্রায় ৩০টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এছাড়া ৯ জন ডাক্তার সংযুক্তিতে ঢাকা আছেন ফলে রোগীদের অনেক সময় চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। প্যাথলজি বিভাগে জনবল না থাকায় রোগীদের যেতে হচ্ছে বাইরের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আহমেদুল হক তিতাস বলেন, আমাদের বেশ কিছু ডাক্তার সংযুক্তিতে ঢাকা রয়েছেন। আমাদের চিকিৎসার সেবার মান বাড়ায় রোগীর পরিমাণ বেড়েছে। আসলে ৫০ শয্যার হাসপাতালে ১২০০/১৫০০ সেবাগ্রহীতাকে সেবা দিচ্ছি আমরা। চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের যে সমস্যা রয়েছে তা দ্রুত সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আরটিভি/এমএইচজে
‘রক্ত ঝরিয়ে’ সওজ’র উচ্ছেদ, ফের দখল কোটি টাকার সম্পদ
ঢাকার ধামরাইয়ে হকারদের লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেলের আঘাতে বুলডোজার চালকের রক্ত ঝরিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কয়েক কোটি টাকার সম্পদ উচ্ছেদ করা হলেও তা দখলমুক্ত রাখতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। গত ৬ জুন পৌর এলাকার ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি ও অবৈধ ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় উত্তেজিত হকাররা একজোট হয়ে উচ্ছেদকারী দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বুলডোজার চালক মনির হোসেন (৪৮) ও তাঁর সহকারী আব্বাস হোসেন (৩৫) রক্তাক্ত জখম হন। আহত হন আরও চারজন। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রেখে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য হয় প্রশাসন। হামলার দুদিন পর তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিদওয়ান আহমেদ রাফি এবং নয়ারহাট শাখার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নূরে আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ফের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে কয়েক কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঢুলিভিটা অংশে সওজের কোটি টাকার জায়গা ইজারা দিয়ে আসছে ধামরাই পৌরসভা। সওজের জায়গা ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার দরপত্রে ইজারা নিয়েছেন বিএনপি নেতা হাবীবুর রহমান। দরপত্রে সওজের জায়গা উল্লেখ থাকলেও ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকানপাট বসিয়ে বাণিজ্য চালিয়ে আসছে এই প্রভাবশালী চক্রটি। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সওজ বিভাগের সঠিক তদারকি ও সদিচ্ছার অভাবেই অভিযানের নামে লোকদেখানো ‘নাটক’ তৈরি করা হলেও তা টেকসই করতে কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। ফলে সরকারি অর্থ ও জ্বালানি খরচ করে উচ্ছেদ চালানোর মাসখানেকের মধ্যেই সড়ক ও ফুটপাতগুলো ফের চলে যায় অবৈধ দখলদারদের কবজায়। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ইজারাদারকে মোটা অঙ্কের জামানত ও নিয়মিত খাজনা দেওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। বরং ইজারার মেয়াদের মাঝেই হঠাৎ দোকানপাট ভেঙে ফেলায় তাঁরা চরম আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, ফুটপাতের অবৈধ দোকানগুলো থেকেও দৈনিক খাজনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ইজারাদার হাবিবুর রহমান বলেন, পৌরসভার দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে খাজনা নিচ্ছি। আমি কোনো অবৈধ কাজ করছি না। রাস্তা দখল করে দোকান বসিয়ে কেন খাজনা নিচ্ছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাস্তায় আমি বসতে বলিনি। তবে বসলে আমাকে খাজনা দিতে হবে। নিয়মিত যানজটের বিষয়ে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ধামরাই শাখার সভাপতি এম. নাহিদ মিয়া জানান, ধামরাইয়ের ঢুলিভিটায় সওজের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে অর্থ আদায় করছে প্রভাবশালী মহল। রাস্তায় অবৈধ দোকান বসানোয় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ‘স্নোটেক্স আউটারওয়্যার’-এর হাজার হাজার শ্রমিক, সাধারণ পথচারী ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বেশ কিছুদিন আগেও স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও অজ্ঞাত কারণে স্থানটি আবার দখল হয়ে গেছে। তাই সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ফুটপাতটি চিরতরে দখলমুক্ত করার দাবি জানান তিনি। পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা নবীউল্লাহ নবী জানান, পৌরসভার ভেতরে যেখানেই বাজার বসবে, সেখান থেকেই খাজনা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে সওজের পক্ষ থেকে অবৈধ দাবি করা হলেও নিজেদের ইজারা বৈধ বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক আল মামুন জানান, উচ্ছেদ করা জায়গায় ভাসমানভাবে দোকানপাট বসেছে। এই জায়গাটি গাড়ি রাখার জন্য মালিক সমিতিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তারা রাখতে রাজি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে খুব দ্রুত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মালিক সমিতির সঙ্গে বসে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রক্ত ঝরিয়ে উচ্ছেদ করা জায়গা কেন ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না— এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নয়ারহাট উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, সুনির্দিষ্ট বাজেট না থাকায় উচ্ছেদের পরও সওজের জায়গা ধরে রাখা বা সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আরও পড়ুন ওষুধ নেই ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে: জরাজীর্ণ ভবন আর জনবল সংকটে ভোগান্তি সওজের জায়গা পৌরসভা কীভাবে ইজারা দিচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, সওজের জায়গা ইজারা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার পৌরসভার নেই। তারা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তা করছে। এর ফলে বারবার দখল ও যানজট তৈরি হচ্ছে, যা নিরসনে সওজকে অভিযান চালাতে হয়। অবৈধ ইজারা দেওয়া বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে সওজ থেকে পৌরসভাকে আগেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে সাত দিনের মধ্যে আবারও নতুন চিঠি দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দাবি, ধামরাইয়ের মহাসড়কে ফুটপাত-বাণিজ্য ও অবৈধ দখলদারত্ব যে আগের মতোই বহাল রয়েছে, তা দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সওজের জায়গা দখলমুক্ত করে সর্বসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আরটিভি/এমএইচজে
ওষুধ নেই ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে: জরাজীর্ণ ভবন আর জনবল সংকটে ভোগান্তি
ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘ দুই বছর ধরে সরকারি ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভেঙে পড়েছে চিকিৎসাসেবা। এতে ব্যাহত হচ্ছে নরমাল ডেলিভারি, প্রসূতি সেবা ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। জরাজীর্ণ ভবন ও তীব্র জনবল সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় রোগীরা। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের পরামর্শ মিললেও মিলছে না কোনো সরকারি ওষুধ। শূন্য হাতেই ফিরতে হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগীদের। ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এখন নিজেই রোগী। যেখানে গত দুই বছর ধরে নিয়মিত সরকারি ওষুধ সরবরাহ নেই। মাঝে মাঝে অল্প কিছু ওষুধ আসলেও তা চাহিদার তুলনায় শূন্যের কাছাকাছি।  সোমবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুধু ওষুধের অভাবই নয়, ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে চৌহাট, সানোড়া ও কুল্লা— এই তিনটি কেন্দ্রের অবস্থা এখন চরম জরাজীর্ণ। ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে, দেয়ালের প্লাস্টার খসে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে জমে পানি। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেতরেই কোনোমতে চলছে চিকিৎসাসেবা। নতুন ভবনের নথিপত্র চূড়ান্ত হলেও এখনো মেলেনি প্রয়োজনীয় বরাদ্দ। এছাড়া বেলিশ্বর মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রসহ নান্নার ও কুশুরা ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে। জরাজীর্ণ ভবন আর ওষুধের সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে চেপে বসেছে জনবল সংকট। নিয়ম অনুযায়ী ১৫৫ জন স্টাফ থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ১২৭ জন। সবচেয়ে বড় সংকট উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদের। ৯টি কেন্দ্রের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ৪ জন। সংকট যে চরমে, তা স্বীকার করেছেন খোদ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাও। আরও পড়ুন আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: ময়মনসিংহে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রহিমা বেগম নামে এক নারী জানান, বাচ্চাদের ঠান্ডা জ্বরের চিকিৎসা দিতে নিয়ে এসেছেন। প্রেশক্রিপশন পেয়েছেন কিন্তু কোনো ওষুধ পাননি। তিনি আরোও বলেন, আমরা সরকারি ওষুধের আশায় এখানে আসি, সংসারের যে খরচ বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হিমশিম খেতে হয়।  আসাদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, শুধু ওষুধ না এখানে ডাক্তাররাও সময়মতো আসেন না, আবার আসলেও আগেই চলে যান। ওষুধ তো পাই না প্রায় দুই বছর ধরে।  এদিকে এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ রাসেল বলেন, ওষুধের পাশাপাশি আমাদের জনবল সংকট আছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুতই বরাদ্দ সংকটের সমাধান হবে।  আরটিভি/এমএইচজে
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে বেধড়ক পিটুনি, অতঃপর...
ঢাকার ধামরাইয়ে রাইস মিলের মোটরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে শঙ্কর মণ্ডল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটুনির সাত দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।  শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ধামরাই পৌরসভার পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকায় নিজের বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।  জানা যায়, ৮ আগস্ট স্থানীয় ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিলে তার নেতৃত্বে শঙ্করকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মৃত শঙ্কর মণ্ডল ধামরাইয়ের পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকার বদন চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে।  মৃতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ৮ আগস্ট ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিল থেকে মোটরের একটি যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটে। এই চুরিতে জড়িত থাকার সন্দেহে শঙ্করকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন মিল মালিক। শঙ্করের সঙ্গে তার বাবা ও স্থানীয় অন্য এক ব্যক্তিও মিলে যান। তবে বাবা ও সেই ব্যক্তিকে বাইরে পাঠিয়ে মিলের ভেতরে শঙ্করকে মারধর করেন মিল মালিক। এতেও শঙ্কর চুরির বিষয়ে কোনো স্বীকারোক্তি না দিলে একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।  তবে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আর্থিক সংকুলান না থাকায় পরিবার তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। আহত অবস্থায় বাড়িতে থাকাকালে সাত দিন পর আজ শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। মৃতের বাবা বদন চন্দ্র মণ্ডল বলেন, আমার ছেলে আমার সঙ্গে কাজ করে। এরপরও আমার ছেলে চুরি করছে বলে খবর পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে আমিসহ তাকে নিয়ে মিলে গিয়েছি। তারপর আমাদের বের করে দিয়ে তাকে ভেতরে মারধর করে। রাতে ছেড়ে দেয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারা ঢাকায় নিতে বলে। কিন্তু টাকা নাই, কীভাবে নেব? আজ আমার ছেলে মারা গেছে। মিল মালিক ডেকে নেওয়ার সময় শঙ্করের সঙ্গে মিলে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, শঙ্করের বাবা আমার এলাকার প্রতিবেশী। চুরির বিষয়ে অন্য একজনের কথা অনুযায়ী তাকে ধরে নিয়ে যায়, জিজ্ঞেস করার কথা বলে। তখন আমরা শঙ্কর ও তার বাবাসহ মিলে যাই। তখন বলে, আপনারা বাইরে যান। আমি ও ওর বাবা বাইরে চলে যাই। তখন ভেতরে তাকে মারধর করে। যখন বের করে দেয়, ও হাঁটতে পারে না। এরপর আজ তার মৃত্যু হয়।  আরও পড়ুন মহিলা মাদরাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। পরিবারের অভিযোগ, ওয়াজেদ হাজি নামে এক ব্যক্তি রাইস মিলের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ আগস্ট শঙ্করকে মারধর করেন। পরে তাকে ধামরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তারা ঢাকায় নিতে পরামর্শ দেয়। তবে আর্থিক কারণে তারা নিতে পারেনি। শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। আমরা মরদেহের সুরতহাল করেছি। এই ঘটনায় মৃতের পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  আরটিভি/এসএস
ধামরাইয়ে মাদকের টাকা না পেয়ে দুইজনকে কুপিয়ে জখম
ঢাকার ধামরাইয়ে মাদক কেনার টাকা না দেওয়ায় প্রতিবেশী এক নারী ও এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত শাকিল হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে শাকিল হোসেনকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সোমবাগ ইউনিয়নের চাপিল বাউজাপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত ইব্রাহিম হোসেনের ভাই মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে ধামরাই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আটক শাকিল হোসেন সোমবাগ ইউনিয়নের চাপিল বাউজাপাড়া গ্রামের মো. শাহজাহান ওরফে বেবলের ছেলে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন একই গ্রামের মো. ওয়াজেদ আলীর ছেলে শাহজাহান ওরফে বেবল, মো. ওয়াজেদ আলী এবং শাহজাহানের স্ত্রী আসমা খাতুন ওরফে সখিনা। আরও পড়ুন রেলের সম্পদ রক্ষকই চোর, পিডব্লিউ কর্মচারী আটক আহতরা হলেন—চাপিল এলাকার বাউজাপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী পারভীন আক্তার এবং একই এলাকার ইলেকট্রিশিয়ান মো. ইব্রাহিম হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শাকিল হোসেন আব্দুর রশিদের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী পারভীন আক্তারের কাছে মাদক কেনার জন্য টাকা চান। পারভীন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাকিল তাকে মারধর করেন এবং হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে পেটে একাধিক আঘাত করেন। এতে পারভীনের গুরুতর জখম হয়। পারভীনের চিৎকার শুনে ইলেকট্রিশিয়ান ইব্রাহিম হোসেন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে শাকিলকে আটকানোর চেষ্টা করলে তাকেও ধারালো চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়। এতে ইব্রাহিমও গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দুইজনকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। বর্তমানে ইব্রাহিম হোসেন সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পারভীন আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মাদকাসক্ত শাকিল হোসেন দুইজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে শাকিল হোসেনকে আটক করা হয়। তিনি আরও জানান, ইব্রাহিম হোসেনের ভাই হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শাকিলসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। শুক্রবার সকালে শাকিল হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আরটিভি/ এসকেডি
ধানক্ষেতে পড়েছিল যুবকের মরদেহ, পেট ও ঘাড়ে পোড়া চিহ্ন
ঢাকার ধামরাইয়ে ধানক্ষেত থেকে মো. মামুন (৪০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ঘাস কাটার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের ভাড়ারিয়া সংলগ্ন চন্দ্রপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।  নিহত মামুন ওই গ্রামের মো. মান্নান হোসেনের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে গরুর জন্য ঘাস কাটতে চন্দ্রপাড়া গ্রামের পশ্চিম পাশের চকে যান মামুন। সন্ধ্যার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ক্ষেতের মধ্যে তাকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ছেলেকে না পেয়ে বাবাকে গুলি, লাগল মায়ের শরীরে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামুনের পেট ও ঘাড়ে পোড়ার দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে হত্যা করে মরদেহ ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। মরদেহের পেট ও ঘাড়ে পোড়া চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘাস কাটার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। আরটিভি/আইএম
আরও