ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আজিজা হত্যার নতুন তথ্য প্রেম!

নরসিংদী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০১৭, ০৪:২০ পিএম
আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৭, ০৭:২৮ পিএম

নরসিংদীতে কিশোরী আজিজা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আজিজার কথিত প্রেমিক রোমানসহ তিন যুবক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ জানায়, আজিজার অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় প্রেমিক রোমান ও তার বন্ধুরা। এ কারণেই আজিজা আত্মহত্যা করেছে কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে বুধবার এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মামলার প্রধান আসামি চাচী বিউটি বেগম ও তার মা সানোয়ারা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে নরসিংদীর পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার আমেনা বেগম।

তিনি বলেন, কিশোরী আজিজার বিয়ে ঠিক করে পরিবারের লোকজন। কিন্তু আজিজার বিয়েতে মত ছিল না। ঘটনার দিন ( শুক্রবার) প্রেমিক রোমানের সঙ্গে দেখা করার জন্য নরসিংদী শহরে যায় সে। ওই সময় রোমান ও তার বন্ধু সজিব, রেজাউল ও সুজন কিশোরী আজিজাকে নরসিংদী শহরের সুইচ গেইট এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে রোমান ও তার বন্ধুরা আজিজার অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। পরে এই অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে রোমানের বন্ধুরা আজিজার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। পরে আজিজার ভাইকে ফোন করে এক লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় আজিজার অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। আজিজার ভাই টাকা দিতে অস্বীকার করে। পরে তার খালা ২০ হাজার টাকা দিতে রাজি হলে আজিজাকে ছেড়ে দেয় রোমান।

আজিজা বাড়ি ফেরার পথে কুঠির বাজারের মিজানুর রহমানের দোকান থেকে এক লিটার কেরোসিন তেল কিনে। পরে তাকে বাড়ির অদূরে দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, নরসিংদী শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রোমান হোসেন ও তার দুই বন্ধু সুজন মিয়া ও রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা মঙ্গলবার জেলা আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ওয়ায়েজ আল করনীর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রোমান ও তার বন্ধুদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে চাচী বিউটি বেগমের চুরি যাওয়া মোবাইলটিও আছে।

পুলিশ সুপার বলেন, এখনো এজাহারভুক্ত আসামি রুবেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাকে গ্রেপ্তারের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

জেবি/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০১৭ সালে নিখোঁজ ৯১, সন্ধান মেলেনি ২৬ জনের
২০১৭ সালে সারা বাংলাদেশে ৯১ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬৫ জনের সন্ধান এখনো মেলেনি। রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত আইন ও সালিশ কেন্দ্রের(আসক) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও গুপ্তহত্যার শিকার হন ৬০ জন। এর মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়, আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, পরিবারের কাছে ফেরত আসে সাত জন। বাকি ৪৩ জনের খোঁজ মেলেনি এখনো। পাশাপাশি ‘রহস্যজনক’ নিখোঁজের সংখ্যা আরো ৩১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তাদের মধ্যে ৯ জন ফেরত এলেও তাদের ছয় জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; পরিবারের কাছে ফেরত গেছেন তিনজন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তৈরি করা এই প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিনিময় ও হেফাজতে মোট ১৬২ জন নিহত হন। এর মধ্যে ‘ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ ও গুলিবিনিময়ে’ নিহত হন ১২৬ জন। এই বিষয়ে আরো বলা হয়েছে, বাকিদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনে ১২ জন, গ্রেপ্তারের আগে ও পরে ১৮ জন, গ্রেপ্তারের পর আত্মহত্যায় একজন, অসুস্থ হয়ে চারজন এবং একজনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। কারাগারে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ৩৩ জন হাজতি ও ২০ জন কয়েদি ছিলেন। প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের ২১২টি প্রতিমা, ৪৫টি বাড়ি-ঘর ও ২১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে। এসব ঘটনায় একজন নিহত ও ৬৭ জন আহত হন। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় সাংবাদিক, লেখকসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রভাবশালী, জনপ্রতিনিধি, সন্ত্রাসী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা ১২২ জন সাংবাদিক শারীরিক নির্যাতন, হামলা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই বছর ২৫৫ জন নারী যৌন হয়রানিসহ সহিংসতার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এর মধ্যে ১২ জন নারী আত্মহত্যা করেন। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিন নারীসহ ১৩ জন খুন হয়েছেন, বখাটেদের প্রতিবাদ করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন ১৬৮ জন ও চার মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া সারাদেশে ৮১৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, যা ২০১৬ সালের চেয়ে বেশি। গত বছর ধর্ষণের শিকার হন ৬৫৯ জন। প্রতিবেদনটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করে আসকের সমন্বয়ক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, ২০১৭ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও গুপ্তহত্যার ঘটনার পাশাপাশি এই বছর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নিখোঁজ হবার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা, জ্যেষ্ঠ উপ-পরিচালক রওশন জাহান পারভীন ও নীনা গোস্বামী। কে/সি
২০১৭ সালে নিখোঁজ ৯১, সন্ধান মেলেনি ২৬ জনের
ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর বসুন্ধরা ও সবুজবাগ এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১১। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আহমদুল্লাহ পাটোয়ারি ওরফে ইমরান ওরফে ফরহাদ হোসাইন ওরফে সামিউল (২১), সিয়াম ওরফে জাবালে নূর ওরফে মোসাদ (২৪) ও মুফতি হোসাইন আহমেদ ওরফে বেলাল (৩২)। র‌্যাব-১১ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার আহমদুল্লাহ আনসার-আল ইসলামের ঢাকা দক্ষিণের সমন্বয়ক, মুফতি হোসাইন মসজিদের ইমামতি করেন। আর সিয়াম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি আরো জানান, তাদের কাছ থেকে জঙ্গিবাদী বই, লিফলেট ও জঙ্গি অর্থায়নের ব্যবহার হবে এমন নগদ দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এসএস 
ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
রাজধানীর ওয়ারীতে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। ওয়ারীর টিকাটুলি রোডের রোজ গার্ডেনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লাল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বপন ও শাহ আলম নামের দুইজন গুলিবিদ্ধ এবং আমির হোসেন নামের আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি ছুরি জব্দ করা হয়। ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডাকাত দলকে ঘেরাও করে ফেললে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পরে পুলিশও শর্টগান দিয়ে পাল্টা গুলি চালালে স্বপন ও শাহ আলম নামের দুই জন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের আটক দেখিয়ে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। পি
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
ঠাকুরগাঁওয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
ঠাকুরগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের মলানখুঁড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী। নির্যাতিতার শাশুড়ি স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় গৃহবধূর হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীক কাজে স্বামী ঢাকা ও দুই সন্তান জেলা সদরে থাকার সুযোগে ঘরের দরজা কেটে দুই সন্তানের জননীকে ঘুমন্ত অবস্থায় একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. এমএম রেজা বলেন, গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পি
ঠাকুরগাঁওয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস
অনন্য মামুনের সঙ্গে লাইভ টেকনোলোজিসের ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি স্পষ্ট চুক্তি আছে। চুক্তির মধ্যে যে বিষয়গুলো ছিল তার মধ্যে একটি হলো- এই অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর লাইভ টেকনোলোজিস। অনুষ্ঠানের প্রচারণায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের লোগো থাকবে এবং অনুষ্ঠান শেষে তিনি(মামুন) আমাদের ইউটিউবের জন্য ‘ফোরকে’ ফাইলটা দিয়ে দেবেন। এছাড়া ২০টি বিমানের টিকিট দেবেন। আর যদি কোনো কারণে অনুষ্ঠান না হয় তাহলে সব টাকা ফেরত দিতে হবে। সুতরাং মামুনের দেয়া তথ্য ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। শনিবার রাতে আরটিভি অনলাইনকে এসব কথা বললেন ঢাকার লাইভ টেকনোলোজির কর্ণধার ইয়াসির আরাফাত। গেলো ২৩ ডিসেম্বর একঝাঁক শিল্পী মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন পরিচালক অনন্য মামুন। অনুষ্ঠানের পরদিনই মানবপাচারের অভিযোগে আটক হন তিনি। বর্তমানে অনন্য মামুন পুলিশ হেফাজতে আছেন। ইয়াসির আরাফাত আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মামুনের দেয়া তথ্য মোটেই সত্য নয়। অতুলের সৌদি আরব পালিয়ে যাবার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। দুই মাস আগে তার বড় ভাই মারা গেছেন। তিনি ওমরা হজ করতে সৌদি আরব গেছেন এবং এখন সেখানেই আছেন। আমি বুঝতে পারছি না আমাদেরকেই কেন দোষারোপ করা হচ্ছে। কারণ সেখানে আমরা বাদে আরো অনেক কোম্পানি স্পন্সর হিসেবে ছিল। আমরা এক দুই দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবার সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরবো। এদিকে আজ শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ান পুলিশের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাইনবোর্ডে মানবপাচারের অভিযোগে মালয়েশিয়ান পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন পুলিশের কাছে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। মালয়েশিয়ার ডাংওয়াংগি পুলিশ বিভাগের প্রধান কর্তা শাহারুদ্দিন আবদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। বিদেশি গণমাধ্যমকে মালয়েশিয়ান পুলিশ জানায়, মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বিশেষ এবং কঠোর আইনে অনন্য মামুনসহ ১৯ জনকে বন্দি করা হয়েছে। মূলত জঙ্গি ও রাষ্ট্রীয় শত্রুদের আটক করা হয় এই আইনে। বিশেষ এই আইনে একজন অভিযুক্তকে ২৮ দিন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রাখার বিধান রয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মালয়েশিয়ান মিনিস্ট্রি অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া সেখানকার ডি’সিনেমা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া গমনের জন্য ৩৬ জনকে অনুমোদন দেয়। ডি’সিনেমা বাংলাদেশি ‘সিনেমাটিক’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে সেখানকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। এই ‘সিনেমাটিক’ প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার লাইভ টেকনোলজিস’র একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। মালয়েশিয়ান মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত ৩৬ জনের সেখানকার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসে তালিকা জমা দেয়া হয়েছিল।  আর সেই তালিকায় যাদের নাম দেখা গেছে সেখানে শিল্পী নয় এমন লোকই বেশি ছিল। আসিফ আকবর চারজন মিউজিশিয়ান নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তালিকায় রয়েছে পাঁচ জনের নাম। এছাড়া অভিনয় শিল্পী ভাবনা, শখ, উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, চিত্রনায়ক আমান, মেকআপম্যান মনিরের সহকারী হিসেবে কয়েকজনের নাম রয়েছে। কিন্তু আদতে মালয়েশিয়ায় এদের সহকারী হিসেবে কেউ যায়নি। তারা একাই গিয়েছেন। ইউসুফ মৃধা ও এইচএম রানা নামে দুজন গায়কের বিপরীতেও চারজন মিউজিশিয়ান দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো মিউজিশিয়ান ছিল না। এছাড়া আরো কয়েকজনকে মিউজিশিয়ান, ক্যামেরা সহকারী ও অতিথি হিসেবে তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবিক অর্থে তারা কেউ অনুমোদিত তালিকায় দেয়া পেশার সঙ্গে যুক্ত নন। ধারণা করা হচ্ছে এরাই ছিল আদম। এম/সি
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস