ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজধানীতে জেএমবি’র সংগঠকসহ গ্রেপ্তার ২

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:১৯ পিএম

রাজধানীর মহাখালী থেকে জেএমবি’র সংগঠকসহ দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ (এসএজি)। বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ২০০টি ডেটোনেটর, ১টি ৯এমএম পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলো- জেএমবির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুস সামাদ ওরফে আরিফ মামু ওরফে আশিক এবং তার দুই সহযোগী জিয়াদুল ইসলাম ও মোঃ আজিজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী হাসান ওরফে শিশির। আসামি আব্দুস সামাদের বাড়ি দিনাজপুর। সে ২০০২ সালে দাওয়া হাদিস এবং ২০১১ সালে ফাজিল পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। আসামি জিয়াদুল ও আজিজুল ইসলামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গ্রেপ্তারকৃত জিয়াদুল ৪র্থ শ্রেণি এবং আজিজুল ২০১৩ সালে দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটিটিসি’র প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। মো. মনিরুল জানান, আসামি আব্দুস সামাদ ২০১০ সালে প্রথম জেএমবিতে যোগ দেয়। ২০১৪ সালে তামিম চৌধুরীর সহিত মিলিত হয়ে ‘জুনদ আল তাওহীদ আল খিলাফাহ’ নামক একটি দল গঠন করে। উক্ত দলের তামিম চৌধুরী প্রধান এবং আব্দুস সামাদ সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস সামাদ দলের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান, সদস্য সংগ্রহ, অর্থসংগ্রহ, বোমা তৈরীসহ নানাবিধ কাজে পারদর্শী ছিল। এছাড়াও সে অস্ত্র চালানো এবং গ্রেনেড বিস্ফোরণের বিষয়ে আব্দুস সামাদ নবীন সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করত। বিভিন্ন সময় নব্য জেএমবির উচ্চপর্যায়ের নেতারা গ্রেফতার এবং নিহত হওয়ার পর তার নেতৃত্বে নব্য জেএমবির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হয়। কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় তামিম চৌধুরীসহ আসামি আব্দুস সামাদ অবস্থান করে প্রায় ডজন খানেক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। হাতকাটা মাহফুজ গ্রেফতার হওয়ার পর সে দীর্ঘদিন পলাতক থেকে দলের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করত। গ্রেপ্তারকৃত আসামি জিয়াদুল আব্দুস সামাদের শ্বশুর।

এছাড়াও জিয়াদুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার সীমান্ত দিয়ে নব্য জেএমবির অস্ত্র, বিস্ফোরক, ডেটোনেটর গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করত। গত দুই বছর যাবত আসামি শিশির পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জঙ্গি কার্যক্রমে যোগ দিয়ে জিহাদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে বলে তিনি জানান।

এমসি/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০১৭ সালে নিখোঁজ ৯১, সন্ধান মেলেনি ২৬ জনের
২০১৭ সালে সারা বাংলাদেশে ৯১ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন, এর মধ্যে ৬৫ জনের সন্ধান এখনো মেলেনি। রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত আইন ও সালিশ কেন্দ্রের(আসক) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও গুপ্তহত্যার শিকার হন ৬০ জন। এর মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়, আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, পরিবারের কাছে ফেরত আসে সাত জন। বাকি ৪৩ জনের খোঁজ মেলেনি এখনো। পাশাপাশি ‘রহস্যজনক’ নিখোঁজের সংখ্যা আরো ৩১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তাদের মধ্যে ৯ জন ফেরত এলেও তাদের ছয় জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; পরিবারের কাছে ফেরত গেছেন তিনজন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তৈরি করা এই প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিনিময় ও হেফাজতে মোট ১৬২ জন নিহত হন। এর মধ্যে ‘ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ ও গুলিবিনিময়ে’ নিহত হন ১২৬ জন। এই বিষয়ে আরো বলা হয়েছে, বাকিদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনে ১২ জন, গ্রেপ্তারের আগে ও পরে ১৮ জন, গ্রেপ্তারের পর আত্মহত্যায় একজন, অসুস্থ হয়ে চারজন এবং একজনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। কারাগারে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ৩৩ জন হাজতি ও ২০ জন কয়েদি ছিলেন। প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের ২১২টি প্রতিমা, ৪৫টি বাড়ি-ঘর ও ২১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে। এসব ঘটনায় একজন নিহত ও ৬৭ জন আহত হন। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় সাংবাদিক, লেখকসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রভাবশালী, জনপ্রতিনিধি, সন্ত্রাসী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা ১২২ জন সাংবাদিক শারীরিক নির্যাতন, হামলা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই বছর ২৫৫ জন নারী যৌন হয়রানিসহ সহিংসতার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এর মধ্যে ১২ জন নারী আত্মহত্যা করেন। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিন নারীসহ ১৩ জন খুন হয়েছেন, বখাটেদের প্রতিবাদ করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন ১৬৮ জন ও চার মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া সারাদেশে ৮১৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, যা ২০১৬ সালের চেয়ে বেশি। গত বছর ধর্ষণের শিকার হন ৬৫৯ জন। প্রতিবেদনটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করে আসকের সমন্বয়ক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, ২০১৭ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও গুপ্তহত্যার ঘটনার পাশাপাশি এই বছর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নিখোঁজ হবার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা, জ্যেষ্ঠ উপ-পরিচালক রওশন জাহান পারভীন ও নীনা গোস্বামী। কে/সি
২০১৭ সালে নিখোঁজ ৯১, সন্ধান মেলেনি ২৬ জনের
ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর বসুন্ধরা ও সবুজবাগ এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১১। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আহমদুল্লাহ পাটোয়ারি ওরফে ইমরান ওরফে ফরহাদ হোসাইন ওরফে সামিউল (২১), সিয়াম ওরফে জাবালে নূর ওরফে মোসাদ (২৪) ও মুফতি হোসাইন আহমেদ ওরফে বেলাল (৩২)। র‌্যাব-১১ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার আহমদুল্লাহ আনসার-আল ইসলামের ঢাকা দক্ষিণের সমন্বয়ক, মুফতি হোসাইন মসজিদের ইমামতি করেন। আর সিয়াম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি আরো জানান, তাদের কাছ থেকে জঙ্গিবাদী বই, লিফলেট ও জঙ্গি অর্থায়নের ব্যবহার হবে এমন নগদ দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এসএস 
ঢাকায় আনসার আল ইসলামের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
রাজধানীর ওয়ারীতে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। ওয়ারীর টিকাটুলি রোডের রোজ গার্ডেনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লাল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বপন ও শাহ আলম নামের দুইজন গুলিবিদ্ধ এবং আমির হোসেন নামের আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি ছুরি জব্দ করা হয়। ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডাকাত দলকে ঘেরাও করে ফেললে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পরে পুলিশও শর্টগান দিয়ে পাল্টা গুলি চালালে স্বপন ও শাহ আলম নামের দুই জন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের আটক দেখিয়ে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। পি
ওয়ারীতে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: গুলিবিদ্ধসহ আটক ৩
ঠাকুরগাঁওয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
ঠাকুরগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের মলানখুঁড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী। নির্যাতিতার শাশুড়ি স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় গৃহবধূর হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীক কাজে স্বামী ঢাকা ও দুই সন্তান জেলা সদরে থাকার সুযোগে ঘরের দরজা কেটে দুই সন্তানের জননীকে ঘুমন্ত অবস্থায় একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. এমএম রেজা বলেন, গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পি
ঠাকুরগাঁওয়ে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস
অনন্য মামুনের সঙ্গে লাইভ টেকনোলোজিসের ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি স্পষ্ট চুক্তি আছে। চুক্তির মধ্যে যে বিষয়গুলো ছিল তার মধ্যে একটি হলো- এই অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর লাইভ টেকনোলোজিস। অনুষ্ঠানের প্রচারণায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের লোগো থাকবে এবং অনুষ্ঠান শেষে তিনি(মামুন) আমাদের ইউটিউবের জন্য ‘ফোরকে’ ফাইলটা দিয়ে দেবেন। এছাড়া ২০টি বিমানের টিকিট দেবেন। আর যদি কোনো কারণে অনুষ্ঠান না হয় তাহলে সব টাকা ফেরত দিতে হবে। সুতরাং মামুনের দেয়া তথ্য ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। শনিবার রাতে আরটিভি অনলাইনকে এসব কথা বললেন ঢাকার লাইভ টেকনোলোজির কর্ণধার ইয়াসির আরাফাত। গেলো ২৩ ডিসেম্বর একঝাঁক শিল্পী মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন পরিচালক অনন্য মামুন। অনুষ্ঠানের পরদিনই মানবপাচারের অভিযোগে আটক হন তিনি। বর্তমানে অনন্য মামুন পুলিশ হেফাজতে আছেন। ইয়াসির আরাফাত আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মামুনের দেয়া তথ্য মোটেই সত্য নয়। অতুলের সৌদি আরব পালিয়ে যাবার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। দুই মাস আগে তার বড় ভাই মারা গেছেন। তিনি ওমরা হজ করতে সৌদি আরব গেছেন এবং এখন সেখানেই আছেন। আমি বুঝতে পারছি না আমাদেরকেই কেন দোষারোপ করা হচ্ছে। কারণ সেখানে আমরা বাদে আরো অনেক কোম্পানি স্পন্সর হিসেবে ছিল। আমরা এক দুই দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবার সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরবো। এদিকে আজ শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ান পুলিশের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাইনবোর্ডে মানবপাচারের অভিযোগে মালয়েশিয়ান পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন পুলিশের কাছে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। মালয়েশিয়ার ডাংওয়াংগি পুলিশ বিভাগের প্রধান কর্তা শাহারুদ্দিন আবদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। বিদেশি গণমাধ্যমকে মালয়েশিয়ান পুলিশ জানায়, মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বিশেষ এবং কঠোর আইনে অনন্য মামুনসহ ১৯ জনকে বন্দি করা হয়েছে। মূলত জঙ্গি ও রাষ্ট্রীয় শত্রুদের আটক করা হয় এই আইনে। বিশেষ এই আইনে একজন অভিযুক্তকে ২৮ দিন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রাখার বিধান রয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মালয়েশিয়ান মিনিস্ট্রি অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া সেখানকার ডি’সিনেমা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া গমনের জন্য ৩৬ জনকে অনুমোদন দেয়। ডি’সিনেমা বাংলাদেশি ‘সিনেমাটিক’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে সেখানকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। এই ‘সিনেমাটিক’ প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার লাইভ টেকনোলজিস’র একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। মালয়েশিয়ান মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত ৩৬ জনের সেখানকার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসে তালিকা জমা দেয়া হয়েছিল।  আর সেই তালিকায় যাদের নাম দেখা গেছে সেখানে শিল্পী নয় এমন লোকই বেশি ছিল। আসিফ আকবর চারজন মিউজিশিয়ান নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তালিকায় রয়েছে পাঁচ জনের নাম। এছাড়া অভিনয় শিল্পী ভাবনা, শখ, উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, চিত্রনায়ক আমান, মেকআপম্যান মনিরের সহকারী হিসেবে কয়েকজনের নাম রয়েছে। কিন্তু আদতে মালয়েশিয়ায় এদের সহকারী হিসেবে কেউ যায়নি। তারা একাই গিয়েছেন। ইউসুফ মৃধা ও এইচএম রানা নামে দুজন গায়কের বিপরীতেও চারজন মিউজিশিয়ান দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো মিউজিশিয়ান ছিল না। এছাড়া আরো কয়েকজনকে মিউজিশিয়ান, ক্যামেরা সহকারী ও অতিথি হিসেবে তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবিক অর্থে তারা কেউ অনুমোদিত তালিকায় দেয়া পেশার সঙ্গে যুক্ত নন। ধারণা করা হচ্ছে এরাই ছিল আদম। এম/সি
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস